ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত শাহ আলমের (১৪) মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনে।
আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শাহ আলম মারা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খোঁচাবাড়ী এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য গণেশ রায়।
নিহত শাহ আলম সদরের বাঁশঘেরা গ্রামের হামিদুর রহমানের ছেলে। এর আগে, এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদরের বড় খোঁচাবাড়ী-বেগুনবাড়ী সড়কের দৌলতপুরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর এলাকার নুর ইসলামের ছেলে নয়ন ইসলাম (১৪) ও বেগুনবাড়ী এলাকার রিয়াজুল ইসলামের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (২৬) নিহত হন।
খোঁচাবাড়ী এলাকার বাদল মিয়া বলেন, ‘নয়নের জানাজা শেষ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় খবর পাই তার বন্ধু শাহ আলম ও রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসী সুখে-দুঃখে এ দুই বন্ধু পাশে থাকত সব সময়।’
বেগুনবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান বনি আমিন বলেন, এই দুর্ঘটনায় তাঁর ইউনিয়নের সেন্টারপাড়া এলাকার মোস্তাফিজুর ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম ফিরোজ ওয়াহিদ বলেন, সদরের বেগুনবাড়ী-বড় খোঁচাবাড়ী সড়কের দৌলতপুর এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নয়ন মারা যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন মোস্তাফিজুর ও তাঁর সঙ্গীদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর মোস্তাফিজুরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত তিন মোটরসাইকেল আরোহীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেলে পাঠিয়ে দেন চিকিৎসক। এ বিষয়ে সড়ক আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

ঠাকুরগাঁওয়ে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আহত শাহ আলমের (১৪) মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনে।
আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শাহ আলম মারা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খোঁচাবাড়ী এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য গণেশ রায়।
নিহত শাহ আলম সদরের বাঁশঘেরা গ্রামের হামিদুর রহমানের ছেলে। এর আগে, এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদরের বড় খোঁচাবাড়ী-বেগুনবাড়ী সড়কের দৌলতপুরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এতে জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর এলাকার নুর ইসলামের ছেলে নয়ন ইসলাম (১৪) ও বেগুনবাড়ী এলাকার রিয়াজুল ইসলামের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (২৬) নিহত হন।
খোঁচাবাড়ী এলাকার বাদল মিয়া বলেন, ‘নয়নের জানাজা শেষ করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় খবর পাই তার বন্ধু শাহ আলম ও রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসী সুখে-দুঃখে এ দুই বন্ধু পাশে থাকত সব সময়।’
বেগুনবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান বনি আমিন বলেন, এই দুর্ঘটনায় তাঁর ইউনিয়নের সেন্টারপাড়া এলাকার মোস্তাফিজুর ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম ফিরোজ ওয়াহিদ বলেন, সদরের বেগুনবাড়ী-বড় খোঁচাবাড়ী সড়কের দৌলতপুর এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নয়ন মারা যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন মোস্তাফিজুর ও তাঁর সঙ্গীদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর মোস্তাফিজুরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত তিন মোটরসাইকেল আরোহীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেলে পাঠিয়ে দেন চিকিৎসক। এ বিষয়ে সড়ক আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে