ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

জুলাই যোদ্ধা হিসেবে গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার অভিযোগ তুলে ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ করেছেন কয়েকজন নারী-পুরুষ। তাঁদের দাবি, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আহত হয়েও তাঁদের নাম গেজেটে ওঠেনি। গতকাল রোববার দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তাঁরা। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। সেখানে বক্তব্য দেন তাঁরা।
তানজিমুল ইসলাম নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘১৮ জুলাই আমি গুলিবিদ্ধ হই। হাতে, পায়ে ও বুকে ১৮টি রাবার বুলেট লাগে। ডিসি অফিসে কাগজপত্র ও মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিয়েছি। ইন্টারভিউও হয়েছে। তখন বলা হয়েছিল, কয়েক দিনের মধ্যে কাজ হয়ে যাবে। কিন্তু এখনো হয়নি। বরং অফিসে আমাদের ঘুরপাক খাওয়ানো হচ্ছে।’
বিক্ষোভকারী আবু বক্কর সিদ্দিক অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার শরীরে এখনো ২৯টি গুলি আছে। গেজেটভুক্তির ব্যাপারে জেলা প্রশাসককে বললে তিনি বলেন, আমি সুস্থ আছি, তাই নাম অন্তর্ভুক্ত হবে না। একজন ডিসি কীভাবে বলবেন আমি সুস্থ নাকি অসুস্থ? এটি তো কেবল ডাক্তারই বলতে পারেন।’
আলবিদা নামের আরও একজন বিক্ষোভকারী বলেন, ‘যারা একটি গুলিও খেয়েছেন, তাঁদের ‘‘সি’’ ক্যাটাগরিতে রাখার কথা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। কিন্তু আমাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। ডিসি ম্যাডাম সরাসরি বলেছেন, যাকে তিনি পছন্দ করবেন, তাকেই গেজেটভুক্ত করবেন।’
অভিযোগের বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আহত অনেকেই পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিতে পারেননি। যাঁদের শরীরে এখনো গুলি রয়েছে, তাঁরা আবেদন করলে অবশ্যই সুযোগ পাবেন।’
এদিকে আহত জুলাই যোদ্ধাদের শনাক্তকরণের ছাত্র প্রতিনিধি মুনতাসির মুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কিছুদিন আগে বেশ কয়েকজন ডিসি অফিসে গিয়ে নিজেদের আহত দাবি করেছিলেন। কিন্তু তাঁরা আসলে পুরোপুরি সুস্থ ছিলেন এবং তাঁদের কাছে কোনো প্রমাণপত্রও ছিল না। এরই প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করতেই আজ তাঁরা মানববন্ধন করেছেন। আজ যাঁরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন, তাঁরা সবাই যে সত্যিকারের জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা—এমন নয়। তাঁদের মধ্যে শতভাগ অংশগ্রহণ নিশ্চিতভাবে নেই। কয়েকজন ছিলেন, তবে তাঁরা কতটুকু আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন, আহত হয়েছিলেন কি না—এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে তখনই, যখন তাঁদের ডাক্তারি প্রমাণপত্রসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হবে। তখনই বোঝা যাবে, তাঁরা প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা কি না।’

জুলাই যোদ্ধা হিসেবে গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার অভিযোগ তুলে ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ করেছেন কয়েকজন নারী-পুরুষ। তাঁদের দাবি, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আহত হয়েও তাঁদের নাম গেজেটে ওঠেনি। গতকাল রোববার দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তাঁরা। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়। সেখানে বক্তব্য দেন তাঁরা।
তানজিমুল ইসলাম নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘১৮ জুলাই আমি গুলিবিদ্ধ হই। হাতে, পায়ে ও বুকে ১৮টি রাবার বুলেট লাগে। ডিসি অফিসে কাগজপত্র ও মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিয়েছি। ইন্টারভিউও হয়েছে। তখন বলা হয়েছিল, কয়েক দিনের মধ্যে কাজ হয়ে যাবে। কিন্তু এখনো হয়নি। বরং অফিসে আমাদের ঘুরপাক খাওয়ানো হচ্ছে।’
বিক্ষোভকারী আবু বক্কর সিদ্দিক অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার শরীরে এখনো ২৯টি গুলি আছে। গেজেটভুক্তির ব্যাপারে জেলা প্রশাসককে বললে তিনি বলেন, আমি সুস্থ আছি, তাই নাম অন্তর্ভুক্ত হবে না। একজন ডিসি কীভাবে বলবেন আমি সুস্থ নাকি অসুস্থ? এটি তো কেবল ডাক্তারই বলতে পারেন।’
আলবিদা নামের আরও একজন বিক্ষোভকারী বলেন, ‘যারা একটি গুলিও খেয়েছেন, তাঁদের ‘‘সি’’ ক্যাটাগরিতে রাখার কথা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। কিন্তু আমাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। ডিসি ম্যাডাম সরাসরি বলেছেন, যাকে তিনি পছন্দ করবেন, তাকেই গেজেটভুক্ত করবেন।’
অভিযোগের বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আহত অনেকেই পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল রিপোর্ট জমা দিতে পারেননি। যাঁদের শরীরে এখনো গুলি রয়েছে, তাঁরা আবেদন করলে অবশ্যই সুযোগ পাবেন।’
এদিকে আহত জুলাই যোদ্ধাদের শনাক্তকরণের ছাত্র প্রতিনিধি মুনতাসির মুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কিছুদিন আগে বেশ কয়েকজন ডিসি অফিসে গিয়ে নিজেদের আহত দাবি করেছিলেন। কিন্তু তাঁরা আসলে পুরোপুরি সুস্থ ছিলেন এবং তাঁদের কাছে কোনো প্রমাণপত্রও ছিল না। এরই প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করতেই আজ তাঁরা মানববন্ধন করেছেন। আজ যাঁরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন, তাঁরা সবাই যে সত্যিকারের জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা—এমন নয়। তাঁদের মধ্যে শতভাগ অংশগ্রহণ নিশ্চিতভাবে নেই। কয়েকজন ছিলেন, তবে তাঁরা কতটুকু আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন, আহত হয়েছিলেন কি না—এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে তখনই, যখন তাঁদের ডাক্তারি প্রমাণপত্রসহ অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হবে। তখনই বোঝা যাবে, তাঁরা প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা কি না।’

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিদ্যুতায়িত হয়ে দাদি-নাতিসহ তিনজন মারা গেছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) কাশিয়ানী উপজেলার রাজপাট ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলো তেঁতুলিয়া গ্রামের মোশারেফ সিকদারের স্ত্রী রাহেলা বেগম (৫০), তাঁর নাতি সজিব সিকদারের ছেলে সাইফান সিকদার (৮)
১৪ মিনিট আগে
যশোরের মনিরামপুরে পোষা বিড়াল হত্যার অভিযোগে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন এক ব্যবসায়ী। বিড়ালের মালিক জিল্লুর রহমান শনিবার দুপুরে মনিরামপুর থানার ওসি এবং ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন।
১৯ মিনিট আগে
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে খুলনাগামী আন্তনগর ডাউন রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় চার তরুণকে আটক করেছে জিআরপি পুলিশ। শনিবার বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। তবে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
পাহাড়ের আঞ্চলিক দল ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) বিলুপ্ত হয়নি; বরং দলের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানাল দলটি। ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে