
টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু বলেছেন, ‘বাবা খাবেন, বাবার ব্যবসা করবেন, আবার বিএনপিও করবেন—তা হবে না। মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে বিএনপি করা যাবে না।’
মঙ্গলবার দুপুরে ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড চত্বরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, ‘আমাদের দলের কোনো নেতা-কর্মী নেশার সঙ্গে জড়িত থাকলে দল তা কখনো মেনে নেবে না, আমরাও মেনে নেব না।’
তিনি আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমান বলেছিলেন, মাদক সেবন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল করা যাবে না। সারা দেশে মাদক বাসা বেঁধেছে। মাদককে না বলতে হবে। সব ধরনের মাদক বন্ধ করতে হবে। দেশকে একটি সুন্দর দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ যারা বুকে ধারণ করবেন, তাঁরা মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না।’
এর আগে আব্দুস সালাম পিন্টুর নেতৃত্বে একটি র্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলু, পৌরসভা বিএনপির সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান গিয়াস, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হাবিবুর রহমান ভুট্টো, সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুর রহমান খান, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজিব হোসেন কফিল, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন ও ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেনসহ অনেকে।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে ঘটনাস্থলে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরা ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলতে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চাপ দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।
৭ মিনিট আগে
নাজমার ভাষ্য, আগুন লাগার পর হাসপাতালের ভেতরে লোকজন ছোটাছুটি শুরু করলে কুলসুম ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। মিম আগে বের হয়ে যায়। পরে ফিরে এসে দেখে, লোকজন তাঁর ভাই স্বাধীনকে টেনে বের করছেন; কিন্তু মাকে পাওয়া যাচ্ছে না।
১৩ মিনিট আগে
রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। পরে পরিচয় শনাক্ত হওয়া মরদেহ মর্গ থেকে নিয়ে যান স্বজনেরা। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলো পড়ে থাকে মর্গে ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে। পরে এসব মরদেহ দাফন ও সৎকারের জন্য হস্তান্তর করা হয় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে।
৬ ঘণ্টা আগে
‘হাকালুকি হাওরে আগের মতো মাছ মেলে না। হাওরের পানির নিচে হাত দিলেই শুধু প্লাস্টিক হাতে আসে। হাওরের গভীরতা অনেকটাই কমে গেছে। আগে যে জায়গায় ১৫-২০ ফুট গভীর পর্যন্ত পানি ছিল, এখন সেই জায়গায় মাত্র ৫-৭ ফুট। পলিমাটি ও বালু এসে ধীরে ধীরে বিলগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সরকারিভাবে হাওর রক্ষার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে