মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

ঢাকা জেলার ধামরাই বাসস্ট্যান্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়া ব্যাংক কর্মকর্তা রুবেল পারভেজের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বন্দ্যেকাউলজানীতে মরদেহ পৌঁছানোর পর স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় গ্রামের শত শত মানুষ তাঁর মরদেহ দেখতে বাড়িতে ভিড় জমায়।
রুবেল পারভেজ মার্কেন্টাইল ব্যাংকে মানিকগঞ্জের ঝিটকা শাখায় কর্মরত ছিলেন। চাকরির পাশাপাশি বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪১ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তিনি মির্জাপুর উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের বন্দ্যেকাউলজানী গ্রামের মৃত মোকাদ্দছ আলীর ছেলে।
২০০৭ সালে বন্দ্যেকাউলজানী খাদেম আলী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০০৯ সালে ধামরাই সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন তিনি। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেন। তিন বছর আগে ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের ফারজানা আরফিনকে বিয়ে করেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বাসের জন্য ধামরাইয় বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। এ সময় সেলফি পরিবহনের একটি বাস অপর একটি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাসস্ট্যান্ডে এসে দাঁড়িয়ে থাকা রুবেল পারভেজসহ অপর এক পথচারীর ওপর তুলে দেন। এতে ঘটনাস্থলেই রুবেল পারভেজ ও হাসপাতালে অপর ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
আজ দুপুর আড়াইটার দিকে রুবেল পারভেজের লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় তাঁর বৃদ্ধ মা কুলসুম বেগম বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন এবং বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন স্ত্রী ফারজানা আফরিন (২২)। এদিকে রুবেলের এক বছর বয়সী মেয়ে তার বাবার অকাল মৃত্যুর বিষয় বুঝতে না পারলেও বাড়িতে শত শত মানুষ দেখে কান্না করতে থাকে।
রুবেলের চাচা লাল চাঁন জানান, ২০ বছর আগে তিন ছেলে ও এক মেয়ে রেখে রুবেলের বাবা মোকাদ্দছ আলী মারা যান। অভাব অনটনের সংসারে খেয়ে না খেয়ে তার মা সন্তানদের লেখাপড়া করান। বিভিন্ন জনের সাহায্য সহযোগিতা ও টিউশনি করে রুবেল নিজে লেখাপড়া করার পাশাপাশি ছোট ভাই বোনদের লেখাপড়া করায়।
বন্দ্যেকাউলজানী খাদেম আলী উচ্চবিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল বাছেদ মিয়া বলেন, ‘ছোট বেলা থেকেই রুবেল খুবই ভদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। সব পরীক্ষায় সে প্রথম স্থান অধিকার করত। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় গত শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে সে সবার কাছে দোয়া কামনা করেন। আজ দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু সংবাদ শুনে ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।’
রুবেলের স্কুল বন্ধু আরিফ মোল্লা বলেন, ‘আমাদের মধ্যে খুবই গভীর বন্ধুত্ব ছিল। অনেক কষ্ট করে সে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছিল। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় তার পুরো পরিবার অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।’
উয়ার্শী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বন্দ্যেকাউলজানী গ্রামের বাসিন্দা মো. আওলাদ হোসেন, বাস চালকের অবহেলায় এভাবে একটি সম্ভাবনাময় জীবনে ঝড়ে গেলে। তিনি চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বন্দ্যেকাউলজানী গ্রামের বাসিন্দা মীর্জা শামীমা আক্তার শিফা বলেন, ‘সে আমার আত্মীয়। খুবই দরিদ্র পরিবার থেকে স্ট্রাগল করে মেধাবী রুবেল বিসিএস ৪১ তম শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়। গত মঙ্গলবার সে আমার অফিসে আসলে তাকে আমি মিষ্টিমুখ করাই। আজকে সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু সংবাদ শুনে আমি হতবাক হয়ে পড়েছি। তার মৃত্যুতে শুধু তার পরিবার নয়, আমাদের গ্রাম ও দেশের অনেক ক্ষতি হলো।’
আজ বৃহস্পতিবার বাদ আসর বন্দ্যেকাউলজানী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তাঁর জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ঢাকা জেলার ধামরাই বাসস্ট্যান্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়া ব্যাংক কর্মকর্তা রুবেল পারভেজের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বন্দ্যেকাউলজানীতে মরদেহ পৌঁছানোর পর স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় গ্রামের শত শত মানুষ তাঁর মরদেহ দেখতে বাড়িতে ভিড় জমায়।
রুবেল পারভেজ মার্কেন্টাইল ব্যাংকে মানিকগঞ্জের ঝিটকা শাখায় কর্মরত ছিলেন। চাকরির পাশাপাশি বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪১ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তিনি মির্জাপুর উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের বন্দ্যেকাউলজানী গ্রামের মৃত মোকাদ্দছ আলীর ছেলে।
২০০৭ সালে বন্দ্যেকাউলজানী খাদেম আলী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০০৯ সালে ধামরাই সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন তিনি। এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেন। তিন বছর আগে ধামরাই উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের ফারজানা আরফিনকে বিয়ে করেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর কর্মস্থলে যাওয়ার পথে বাসের জন্য ধামরাইয় বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। এ সময় সেলফি পরিবহনের একটি বাস অপর একটি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাসস্ট্যান্ডে এসে দাঁড়িয়ে থাকা রুবেল পারভেজসহ অপর এক পথচারীর ওপর তুলে দেন। এতে ঘটনাস্থলেই রুবেল পারভেজ ও হাসপাতালে অপর ব্যক্তির মৃত্যু হয়।
আজ দুপুর আড়াইটার দিকে রুবেল পারভেজের লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় তাঁর বৃদ্ধ মা কুলসুম বেগম বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন এবং বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন স্ত্রী ফারজানা আফরিন (২২)। এদিকে রুবেলের এক বছর বয়সী মেয়ে তার বাবার অকাল মৃত্যুর বিষয় বুঝতে না পারলেও বাড়িতে শত শত মানুষ দেখে কান্না করতে থাকে।
রুবেলের চাচা লাল চাঁন জানান, ২০ বছর আগে তিন ছেলে ও এক মেয়ে রেখে রুবেলের বাবা মোকাদ্দছ আলী মারা যান। অভাব অনটনের সংসারে খেয়ে না খেয়ে তার মা সন্তানদের লেখাপড়া করান। বিভিন্ন জনের সাহায্য সহযোগিতা ও টিউশনি করে রুবেল নিজে লেখাপড়া করার পাশাপাশি ছোট ভাই বোনদের লেখাপড়া করায়।
বন্দ্যেকাউলজানী খাদেম আলী উচ্চবিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুল বাছেদ মিয়া বলেন, ‘ছোট বেলা থেকেই রুবেল খুবই ভদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। সব পরীক্ষায় সে প্রথম স্থান অধিকার করত। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় গত শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে সে সবার কাছে দোয়া কামনা করেন। আজ দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু সংবাদ শুনে ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।’
রুবেলের স্কুল বন্ধু আরিফ মোল্লা বলেন, ‘আমাদের মধ্যে খুবই গভীর বন্ধুত্ব ছিল। অনেক কষ্ট করে সে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছিল। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় তার পুরো পরিবার অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।’
উয়ার্শী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বন্দ্যেকাউলজানী গ্রামের বাসিন্দা মো. আওলাদ হোসেন, বাস চালকের অবহেলায় এভাবে একটি সম্ভাবনাময় জীবনে ঝড়ে গেলে। তিনি চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বন্দ্যেকাউলজানী গ্রামের বাসিন্দা মীর্জা শামীমা আক্তার শিফা বলেন, ‘সে আমার আত্মীয়। খুবই দরিদ্র পরিবার থেকে স্ট্রাগল করে মেধাবী রুবেল বিসিএস ৪১ তম শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়। গত মঙ্গলবার সে আমার অফিসে আসলে তাকে আমি মিষ্টিমুখ করাই। আজকে সকালে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু সংবাদ শুনে আমি হতবাক হয়ে পড়েছি। তার মৃত্যুতে শুধু তার পরিবার নয়, আমাদের গ্রাম ও দেশের অনেক ক্ষতি হলো।’
আজ বৃহস্পতিবার বাদ আসর বন্দ্যেকাউলজানী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে তাঁর জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে