মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

‘আমেরিকায় গিয়ে পড়া হলো না তানভীরের’ বলে বারবার বিলাপ করছেন তানভীরের মা লিপি বেগম। রাজধানীর দিয়াবাড়িতে বিমান বিধ্বস্তে প্রাণ হারিয়েছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তানভীর। ক্লাসের ফার্স্ট বয় তানভীর সব বিষয়ে ‘এ’ প্লাস পেত। ভালো ছবিও আঁকত সে। ছেলের গুণের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন লিপি বেগম। তিনি বিলাপ করে বলেন, মাঝেমধ্যে তার বাবাকে নিজের সামনে বসিয়ে তানভীর বলত—বাবা, বসো তো, আমি তোমার ছবি এঁকে দেব।
আজ মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ওয়ার্শী ইউনিয়নের নগরভাতগ্রাম (নয়াপাড়া) গ্রামে ছেলে হারানোর শোকে আহাজারি করছিলেন লিপি বেগম।
তানভীরের ছোট ভাই তাসফিকও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। গতকাল সোমবার ক্লাস শেষে সে দুপুর ১২টার দিকে বাসায় ফিরে আসায় প্রাণে বেঁচে যায়। তবে তানভীরের কোচিং ক্লাস থাকায় স্কুলে ছিল। স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে উত্তরা এলাকায় বাস করতেন তানভীরের বাবা রুবেল মিয়া। গতকাল তানভীরের মৃত্যুর খবর নগরভাতগ্রামে ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসী তার বাড়িতে ভিড় করতে থাকেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে তানভীরের লাশ উত্তরা থেকে গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। কান্না ও আহাজারির শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
তানভীরের বাবা ঘটনার পর থেকে আহাজারি করতে করতে এখন উল্টাপাল্টা বকছেন। ছেলের মৃত্যুশোকে পাগলপ্রায়। কেউ তাঁকে শান্ত করতে পারছেন না।
তানভীরের ফুফু জুলেখা বেগম বলেন, ‘বছরে বড় ছুটি পেলে গ্রামের বাড়িতে এলেই তানভীর আমাদের বাড়িতে যেত। দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলত, ফুফু, আমি এসেছি। আমার জন্য দোয়া করবে। আমি যেন তোমার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি।’ তানভীরের চাচা গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন জানান, গতকাল দুপুরে বিমান বিধ্বস্তের খবর পেয়ে তিনি মাইলস্টোন স্কুলে ছুটে যান। সেখান গিয়ে তানভীরকে না পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারিতে চলে যান। সেখানে গিয়ে তানভীরের লাশ শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ভাতিজার মৃত্যুর খবর কীভাবে ভাইকে বলব, তা ভেবে পাচ্ছিলাম না। কিন্তু তারপরও বলতে হয়েছে। তাঁকে কীভাবে সান্ত্বনা দেব।’
আজ সকাল ১০টায় আন্দিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তানভীরের জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ বি এম আরিফুর ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইয়াহইয়া খান মারুফ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডি এম শফিকুল ইসলাম ফরিদ প্রমুখ অংশ নেন।

‘আমেরিকায় গিয়ে পড়া হলো না তানভীরের’ বলে বারবার বিলাপ করছেন তানভীরের মা লিপি বেগম। রাজধানীর দিয়াবাড়িতে বিমান বিধ্বস্তে প্রাণ হারিয়েছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তানভীর। ক্লাসের ফার্স্ট বয় তানভীর সব বিষয়ে ‘এ’ প্লাস পেত। ভালো ছবিও আঁকত সে। ছেলের গুণের কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন লিপি বেগম। তিনি বিলাপ করে বলেন, মাঝেমধ্যে তার বাবাকে নিজের সামনে বসিয়ে তানভীর বলত—বাবা, বসো তো, আমি তোমার ছবি এঁকে দেব।
আজ মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ওয়ার্শী ইউনিয়নের নগরভাতগ্রাম (নয়াপাড়া) গ্রামে ছেলে হারানোর শোকে আহাজারি করছিলেন লিপি বেগম।
তানভীরের ছোট ভাই তাসফিকও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। গতকাল সোমবার ক্লাস শেষে সে দুপুর ১২টার দিকে বাসায় ফিরে আসায় প্রাণে বেঁচে যায়। তবে তানভীরের কোচিং ক্লাস থাকায় স্কুলে ছিল। স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে উত্তরা এলাকায় বাস করতেন তানভীরের বাবা রুবেল মিয়া। গতকাল তানভীরের মৃত্যুর খবর নগরভাতগ্রামে ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসী তার বাড়িতে ভিড় করতে থাকেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে তানভীরের লাশ উত্তরা থেকে গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। কান্না ও আহাজারির শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
তানভীরের বাবা ঘটনার পর থেকে আহাজারি করতে করতে এখন উল্টাপাল্টা বকছেন। ছেলের মৃত্যুশোকে পাগলপ্রায়। কেউ তাঁকে শান্ত করতে পারছেন না।
তানভীরের ফুফু জুলেখা বেগম বলেন, ‘বছরে বড় ছুটি পেলে গ্রামের বাড়িতে এলেই তানভীর আমাদের বাড়িতে যেত। দৌড়ে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলত, ফুফু, আমি এসেছি। আমার জন্য দোয়া করবে। আমি যেন তোমার মুখ উজ্জ্বল করতে পারি।’ তানভীরের চাচা গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন জানান, গতকাল দুপুরে বিমান বিধ্বস্তের খবর পেয়ে তিনি মাইলস্টোন স্কুলে ছুটে যান। সেখান গিয়ে তানভীরকে না পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে তিনি জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারিতে চলে যান। সেখানে গিয়ে তানভীরের লাশ শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ভাতিজার মৃত্যুর খবর কীভাবে ভাইকে বলব, তা ভেবে পাচ্ছিলাম না। কিন্তু তারপরও বলতে হয়েছে। তাঁকে কীভাবে সান্ত্বনা দেব।’
আজ সকাল ১০টায় আন্দিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তানভীরের জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাজায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ বি এম আরিফুর ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইয়াহইয়া খান মারুফ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ডি এম শফিকুল ইসলাম ফরিদ প্রমুখ অংশ নেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে