গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রান্তিকের মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায় করার অভিযোগ মিলেছে। এ জন্য গতকাল সোমবার ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুন নাহারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা শিক্ষা অফিস। তবে এ নিয়ে আজিজুন নাহারের দাবি, তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষার জন্য নয়, সাপ্তাহিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে ফি নেওয়া হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০২২ শিক্ষাবর্ষের তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষায় (সমাপনী) শিক্ষার্থী অথবা তাঁর অভিভাবকের কাছ থেকে কোনোভাবেই ফি আদায় করা যাবে না মর্মে সাবধান করে গত ২৭ নভেম্বর নির্দেশনা জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
উপজেলার সূতি ক্লাস্টারে দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুন নাহার স্কুলের তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ফি আদায় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দুদিন আগে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে ওই স্কুল পরিদর্শনকালে অভিযোগের সত্যতা মিলে।’
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুর রহমান জিন্না জানান, ওই বিদ্যালয়ের পরীক্ষাসংক্রান্ত খরচ চালানোর জন্য স্লিপ খাতে ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সে টাকা নিজের হাতে রেখে ওই প্রধান শিক্ষক পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক ফি আদায় করেছেন বলে জানা গেছে। এ জন্য গত সোমবার তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
ওই স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিভাবক সদস্য সোহেল হোসেন জানান, এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুরা। তাদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক ফি আদায় করায় অনেক শিশুর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পরে।
এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ মল্লিক জানান, গতকাল ২০ ডিসেম্বর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের এক সভায় ফি আদায়ের ওই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করা হয়। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।
প্রধান শিক্ষক আজিজুন নাহার জানান, ‘তৃতীয় প্রান্তিক নয়, সাপ্তাহিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এসব ফি তোলা হয়। শিক্ষা অফিসের আপত্তি থাকলে ওই টাকা ফেরত দেওয়া হবে।’
এ নিয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করা হবে।’

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রান্তিকের মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি আদায় করার অভিযোগ মিলেছে। এ জন্য গতকাল সোমবার ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুন নাহারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা শিক্ষা অফিস। তবে এ নিয়ে আজিজুন নাহারের দাবি, তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষার জন্য নয়, সাপ্তাহিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে ফি নেওয়া হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০২২ শিক্ষাবর্ষের তৃতীয় প্রান্তিক পরীক্ষায় (সমাপনী) শিক্ষার্থী অথবা তাঁর অভিভাবকের কাছ থেকে কোনোভাবেই ফি আদায় করা যাবে না মর্মে সাবধান করে গত ২৭ নভেম্বর নির্দেশনা জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
উপজেলার সূতি ক্লাস্টারে দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুন নাহার স্কুলের তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে ফি আদায় করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দুদিন আগে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে ওই স্কুল পরিদর্শনকালে অভিযোগের সত্যতা মিলে।’
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুর রহমান জিন্না জানান, ওই বিদ্যালয়ের পরীক্ষাসংক্রান্ত খরচ চালানোর জন্য স্লিপ খাতে ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সে টাকা নিজের হাতে রেখে ওই প্রধান শিক্ষক পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক ফি আদায় করেছেন বলে জানা গেছে। এ জন্য গত সোমবার তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
ওই স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিভাবক সদস্য সোহেল হোসেন জানান, এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুরা। তাদের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক ফি আদায় করায় অনেক শিশুর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পরে।
এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ মল্লিক জানান, গতকাল ২০ ডিসেম্বর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের এক সভায় ফি আদায়ের ওই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করা হয়। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।
প্রধান শিক্ষক আজিজুন নাহার জানান, ‘তৃতীয় প্রান্তিক নয়, সাপ্তাহিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এসব ফি তোলা হয়। শিক্ষা অফিসের আপত্তি থাকলে ওই টাকা ফেরত দেওয়া হবে।’
এ নিয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে