
টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিলের পানিতে ডুবে নিখোঁজের ১৪ ঘণ্টা পর অন্তর ম্রং (১৮) নামের তরুণের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। আজ রোববার সকালে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত অন্তর ম্রং উপজেলার গাছাবাড়ি গ্রামের সুকান্ত চিরানের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে অন্তর ম্রং ও তাঁর দুই বন্ধু উপজেলার হাওদা বিলে গোসল করতে যান। সেখানে তাঁরা জলকেলিতে মেতে ওঠেন। একপর্যায়ে বিলে অবস্থিত সেতুর ওপর থেকে লাফ দেন তাঁরা। এ সময় দুই বন্ধু সাঁতরে কূলে ফিরলেও অন্তর ম্রং ডুবে যান। গ্রামবাসী খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। আজ সকালে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ওই তরুণের মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত যুবকের মামা জয় ম্রং বলেন, ‘ঘটনার পরপরই মধুপুর ফায়ার সার্ভিস ও টাঙ্গাইল সদরের ডুবুরি দলকে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁরা উদ্ধারে আসেননি।’
এ ব্যাপারে মধুপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাবস্টেশন কর্মকর্তা লাভলু তরফদার জানান, মধুপুর স্টেশনে ডুবুরি দল না থাকায় উদ্ধার কার্যক্রম চালানো সম্ভব হয়নি। জেলা থেকে ডুবুরি দল আসার পর উদ্ধার অভিযান চালানো হয়।
মধুপুর থানার ওসি জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভূজা বটতলা গ্রামে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলার পর গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে পুরো গ্রাম। অনেক পরিবারের প্রধানেরা আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় নেমে এসেছে অনিশ্চয়তা, উদ্বেগ ও আর্থিক সংকট।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর হেরোইন সাম্রাজ্যে নতুন এক মাফিয়ার আবির্ভাব হয়েছে। তার নাম নাসির উদ্দিন। একসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করা নাসির এখন নিজেই হেরোইন কারবারি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যদিও নাসির তা অস্বীকার করেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জোয়ারের পানি ঢোকার সময় ঘরের দরজা বন্ধ করেও লাভ হয় না। বঙ্গোপসাগরের লোনাপানি ভাঙা বেড়িবাঁধ ছাপিয়ে মুহূর্তেই ঢুকে পড়ে বসতঘরে। খাট, আলমারি, রান্নাঘর, উঠান—সবকিছু পানিতে তলিয়ে যায়। ভাটার সময় পানি নেমে গেলেও থেকে যায় লবণের আস্তরণ। নষ্ট হয় ফসল। ক্ষতির মুখে পড়ে পুকুরের মাছ ও নলকূপ।
৩ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে কাঁচপুর সেতু থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত কার্পেটিং উঠে গিয়ে তৈরি হওয়া এসব খানাখন্দের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। এ ছাড়া খানাখন্দের কারণে এই সড়কে যানবাহনের গতিও কমেছে।
৩ ঘণ্টা আগে