
টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিচয় দিয়ে মামলার তদবির করতে এসে মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মধুপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে পুলিশের একটি ট্র্যাকসুট, সোল্ডার লাইট এবং ‘পুলিশ’ লেখা একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
আজ শুক্রবার দুপুরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গমারী উপজেলার বাগভান্ডার গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার পৌর শহরে ভাড়া বাসায় বাস করেন।
পুলিশ জানায়, দেলদুয়ার উপজেলার পাঁচ এলাসিন গ্রামের সাগর কর্মকারের সঙ্গে তাঁর ফুফার জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ-সংক্রান্ত মামলায় বাদী সাগর কর্মকারের পক্ষে তদবির করতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মধুপুর থানায় আসেন মিজানুর। তিনি নিজেকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত এসআই পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন।
মধুপুর থানার উপপরিদর্শক মো. সেলিম মিয়া জানান, কথাবার্তার একপর্যায়ে তাঁর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে পরিচয় যাচাই করা হয়। পরে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। মামলার বাদী সাগর কর্মকারের কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
মধুপুর থানার ওসি ফজলুল হক বলেন, মিজানুর পেশাদার প্রতারক এবং পুলিশ পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে ব্ল্যাকমেল করতেন। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।
সহকারী পুলিশ সুপার (মধুপুর সার্কেল) আরিফুল ইসলাম বলেন, কীভাবে পুলিশের ব্যবহৃত সরঞ্জাম তাঁর হাতে এসেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
১ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
১ ঘণ্টা আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি অর্থে দুটি খাল পুনঃখননের পর তীরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে নিম্নমানের চারা লাগিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরের বিরুদ্ধে।
১ ঘণ্টা আগে