প্রতিনিধি, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল)

মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ দিনেও করোনা রিপোর্ট পাচ্ছেন না শতাধিক নমুনা প্রদানকারী। আজ রোববার রিপোর্ট না পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবাদে ঘুরাফেরা করছেন অনেকে বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন খান।
সিভিল সার্জন বলেন, গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার নমুনা দেন বিভিন্ন এলাকার দুই শতাধিক লোক। তাঁদের মধ্যে কিন্তু আজ পর্যন্ত রিপোর্ট না পেয়ে অবাধে ঘোরাফেরা করছেন তাঁরা। ফলে করোনা সংক্রমণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
এতদিনেও কেন রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছেনা সে সম্পর্কে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন বলেন, টাঙ্গাইলে আগে ৩০০ থেকে ৪০০ নমুনা পরীক্ষা করা হতো। বর্তমানে বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৯০০ থেকে ১ হাজার লোকের নমুনা আসছে। কিন্তু জনবল যা ছিল তাই আছে। এতে রিপোর্ট পেতে অনেকটা সময় লেগে যাচ্ছে। এ ছাড়া সফটওয়ারে সমস্যার কারণেও অনেক সময় রিপোট পেতে বিলম্ব হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম বলেন, টাঙ্গাইল সদর জেনারেল হাসপাতালে এবং যক্ষা হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব রয়েছে। সেখানে সদরের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তা ছাড়া মির্জাপুর উপজেলাসহ বাকি ১১টি উপজেলার নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
মির্জাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাস বলে, এখনও রিপোর্ট না আসায় অনেকেই অবাধে চলাফেরা করছে। এতে করোনা ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ দিনেও করোনা রিপোর্ট পাচ্ছেন না শতাধিক নমুনা প্রদানকারী। আজ রোববার রিপোর্ট না পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবাদে ঘুরাফেরা করছেন অনেকে বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন খান।
সিভিল সার্জন বলেন, গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার নমুনা দেন বিভিন্ন এলাকার দুই শতাধিক লোক। তাঁদের মধ্যে কিন্তু আজ পর্যন্ত রিপোর্ট না পেয়ে অবাধে ঘোরাফেরা করছেন তাঁরা। ফলে করোনা সংক্রমণ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
এতদিনেও কেন রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছেনা সে সম্পর্কে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন বলেন, টাঙ্গাইলে আগে ৩০০ থেকে ৪০০ নমুনা পরীক্ষা করা হতো। বর্তমানে বিভিন্ন উপজেলা থেকে ৯০০ থেকে ১ হাজার লোকের নমুনা আসছে। কিন্তু জনবল যা ছিল তাই আছে। এতে রিপোর্ট পেতে অনেকটা সময় লেগে যাচ্ছে। এ ছাড়া সফটওয়ারে সমস্যার কারণেও অনেক সময় রিপোট পেতে বিলম্ব হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম বলেন, টাঙ্গাইল সদর জেনারেল হাসপাতালে এবং যক্ষা হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব রয়েছে। সেখানে সদরের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তা ছাড়া মির্জাপুর উপজেলাসহ বাকি ১১টি উপজেলার নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
মির্জাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাস বলে, এখনও রিপোর্ট না আসায় অনেকেই অবাধে চলাফেরা করছে। এতে করোনা ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৮ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে