প্রতিনিধি, মাধবপুর (হবিগঞ্জ)

সরকারি নির্দেশনা থাকার কারণে হবিগঞ্জের মাধবপুরে সাড়ে ৪ হাজার খুদে শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর আজ রোববার তাদের স্কুলে আসার কথা ছিল। কিন্তু তারা প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি শিক্ষার্থী হওয়ায় বিদ্যালয়ে আসতে দেওয়া হয়নি।
জানা যায়, করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশের ন্যায় মাধবপুরে ১৪৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকের ৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সে অনুযায়ী মাধবপুরে প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থী রয়েছে মোট ৪ হাজার ৪৭০ জন। আজ তাদের প্রথম বিদ্যালয়ে আসার কথা ছিল। তাই তাদের জন্য শ্রেণির কক্ষে খেলাধুলা সামগ্রী দিয়ে সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকার তারা স্কুলে যাতে পারেনি।
মাধবপুর উপজেলার মীরনগর সরকারি কালিকাপুর দরিদ্র কল্যাণ সংস্থার পরিদর্শক সাইফুর রহমান রাসেল বলেন, মাধবপুরে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম নতুন চালু হয়েছে। তারা অনেক ছোট তাই ঝুঁকি নিয়ে তাদের বিদ্যালয়ে না আসাই উত্তম।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, শিশুরা বিদ্যালয়ের প্রাণ। দীর্ঘদিন পর শিক্ষার্থীদের পদচারণায় শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার মুখরিত হয়ে উঠেছে। আর প্রাক-প্রাথমিক শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয় বিদ্যালয়ে। কিন্তু তারা অনেক ছোট হওয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা চিন্তা করে আপাতত তাদের বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষকেরা মোবাইলে যোগাযোগ করে ও হোম ভিজিটের মাধ্যমে তাদের পড়াশোনার তত্ত্বাবধান করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ সময় শিক্ষকেরা তাদের বাড়িতে গিয়ে পড়াশোনার খোঁজখবর রাখবেন। করোনা পরিস্থিতি ঠিক হলে তাদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা হবে।

সরকারি নির্দেশনা থাকার কারণে হবিগঞ্জের মাধবপুরে সাড়ে ৪ হাজার খুদে শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যেতে পারেনি। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার পর আজ রোববার তাদের স্কুলে আসার কথা ছিল। কিন্তু তারা প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি শিক্ষার্থী হওয়ায় বিদ্যালয়ে আসতে দেওয়া হয়নি।
জানা যায়, করোনাভাইরাসের কারণে সারা দেশের ন্যায় মাধবপুরে ১৪৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিকের ৩০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সে অনুযায়ী মাধবপুরে প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থী রয়েছে মোট ৪ হাজার ৪৭০ জন। আজ তাদের প্রথম বিদ্যালয়ে আসার কথা ছিল। তাই তাদের জন্য শ্রেণির কক্ষে খেলাধুলা সামগ্রী দিয়ে সাজিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকার তারা স্কুলে যাতে পারেনি।
মাধবপুর উপজেলার মীরনগর সরকারি কালিকাপুর দরিদ্র কল্যাণ সংস্থার পরিদর্শক সাইফুর রহমান রাসেল বলেন, মাধবপুরে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম নতুন চালু হয়েছে। তারা অনেক ছোট তাই ঝুঁকি নিয়ে তাদের বিদ্যালয়ে না আসাই উত্তম।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, শিশুরা বিদ্যালয়ের প্রাণ। দীর্ঘদিন পর শিক্ষার্থীদের পদচারণায় শিক্ষাঙ্গনগুলো আবার মুখরিত হয়ে উঠেছে। আর প্রাক-প্রাথমিক শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয় বিদ্যালয়ে। কিন্তু তারা অনেক ছোট হওয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা চিন্তা করে আপাতত তাদের বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষকেরা মোবাইলে যোগাযোগ করে ও হোম ভিজিটের মাধ্যমে তাদের পড়াশোনার তত্ত্বাবধান করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ সময় শিক্ষকেরা তাদের বাড়িতে গিয়ে পড়াশোনার খোঁজখবর রাখবেন। করোনা পরিস্থিতি ঠিক হলে তাদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা হবে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে