সিলেট প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ২১ জুন। নির্বাচন কমিশন যেকোনো মূল্যে নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনসমর্থন হারানো বিএনপি এই নির্বাচনে নাখোশ। কিন্তু ভেতরে-ভেতরে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে মাঠে রাখতে মরিয়া। বিএনপির দ্বৈতনীতিকে ধিক জানাই।’
নানক আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনমুখী দল। সুতরাং বৃহৎ এই দলে একাধিক যোগ্য প্রার্থীই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইবে। কিন্তু দিন শেষে দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষেই নেতা-কর্মীরা একযোগে কাজ করে যাবে। এটাই আওয়ামী লীগ।’
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর একটি হল রুমে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য এসব কথা বলেন।
দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে নানক বলেন, ‘সিলেটের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। যে কারণে সিলেটের মাটি ও মানুষের কল্যাণে তিনি বরাবরই আন্তরিকতার পরিচয় দিয়ে গেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য অপরিকল্পিত উন্নয়নের খেসারতের দুর্ভোগ নগরবাসীকে এখন পোহাতে হচ্ছে।’ নানক সিলেট রক্ষায় দলীয় নেতা কর্মীদের এই নির্বাচনে মাঠে নামার আহ্বান জানান।
আওয়ামী লীগে খন্দকার মোশতাকের অনুসারী যেমন রয়েছেন তেমনি মুজিব আদর্শের লড়াকু কর্মীও রয়েছেন বলে উল্লেখ করে নানক বলেন, ‘মোস্তাক বাহিনীর কারণেই বিগত দিনে এই নগরের অভিভাবক বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে হারতে হয়েছে। এবার সেই সুযোগের পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না আওয়ামী লীগ। দলের প্রতিটি ওয়ার্ডে সভাপতি এবং সম্পাদকের ভোটকেন্দ্রগুলোতে সজাগ দৃষ্টি থাকবে আওয়ামী লীগের।’
নানক বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী পুরস্কার এবং তিরস্কার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এমন কোনো কর্মকাণ্ড করবেন না যাতে করে রংপুরের পরিণতি ভোগ করতে হয়। মাথার চারপাশে শকুনের দল ওড়াউড়ি করছে। অতএব মুজিব সৈনিকদের এখন যুদ্ধের সময়। যুদ্ধের দামামাও বেজে উঠেছে। সেই সুর যার কানে পৌঁছে না, তিনি ব্যর্থ। তিনি মুজিব আদর্শের অযোগ্য, আওয়ামী লীগের অযোগ্য।’
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী দুলাল ও মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ টি এম হাসান জেবুলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন।
এ ছাড়া সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মুশফিক হোসেন চৌধুরী, আজিজুস সামাদ ডন, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সভাপতি ডেইজি সারওয়ার, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেনসহ সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতা।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচন ২১ জুন। নির্বাচন কমিশন যেকোনো মূল্যে নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনসমর্থন হারানো বিএনপি এই নির্বাচনে নাখোশ। কিন্তু ভেতরে-ভেতরে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে মাঠে রাখতে মরিয়া। বিএনপির দ্বৈতনীতিকে ধিক জানাই।’
নানক আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নির্বাচনমুখী দল। সুতরাং বৃহৎ এই দলে একাধিক যোগ্য প্রার্থীই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইবে। কিন্তু দিন শেষে দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষেই নেতা-কর্মীরা একযোগে কাজ করে যাবে। এটাই আওয়ামী লীগ।’
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর একটি হল রুমে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য এসব কথা বলেন।
দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে নানক বলেন, ‘সিলেটের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর একটি বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। যে কারণে সিলেটের মাটি ও মানুষের কল্যাণে তিনি বরাবরই আন্তরিকতার পরিচয় দিয়ে গেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য অপরিকল্পিত উন্নয়নের খেসারতের দুর্ভোগ নগরবাসীকে এখন পোহাতে হচ্ছে।’ নানক সিলেট রক্ষায় দলীয় নেতা কর্মীদের এই নির্বাচনে মাঠে নামার আহ্বান জানান।
আওয়ামী লীগে খন্দকার মোশতাকের অনুসারী যেমন রয়েছেন তেমনি মুজিব আদর্শের লড়াকু কর্মীও রয়েছেন বলে উল্লেখ করে নানক বলেন, ‘মোস্তাক বাহিনীর কারণেই বিগত দিনে এই নগরের অভিভাবক বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে হারতে হয়েছে। এবার সেই সুযোগের পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না আওয়ামী লীগ। দলের প্রতিটি ওয়ার্ডে সভাপতি এবং সম্পাদকের ভোটকেন্দ্রগুলোতে সজাগ দৃষ্টি থাকবে আওয়ামী লীগের।’
নানক বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী পুরস্কার এবং তিরস্কার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এমন কোনো কর্মকাণ্ড করবেন না যাতে করে রংপুরের পরিণতি ভোগ করতে হয়। মাথার চারপাশে শকুনের দল ওড়াউড়ি করছে। অতএব মুজিব সৈনিকদের এখন যুদ্ধের সময়। যুদ্ধের দামামাও বেজে উঠেছে। সেই সুর যার কানে পৌঁছে না, তিনি ব্যর্থ। তিনি মুজিব আদর্শের অযোগ্য, আওয়ামী লীগের অযোগ্য।’
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী দুলাল ও মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এ টি এম হাসান জেবুলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন।
এ ছাড়া সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মুশফিক হোসেন চৌধুরী, আজিজুস সামাদ ডন, জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব।
সভায় আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের সভাপতি ডেইজি সারওয়ার, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেনসহ সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে