জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, ‘আমরা হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় আন্তরিকতার সহিত কাজ করছি। সাংবাদিকেরা অতিরঞ্জিত করে বলেন—হাওরে বাঁধের কাজ হয়নি; দুর্নীতি হয়েছে। ২০ দিন ধরে নদ নদীতে পানি রয়েছে। কোথাও কি বাঁধ ভেঙেছে? একটাও ভাঙেনি।’ আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়ার হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুনামগঞ্জ জেলায় ৭২৭টি ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি বাঁধে সামান্য ক্ষতি হয়েছে। সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামীতে হাওরের ফসল রক্ষায় আমরা মহাপরিকল্পনা নিয়েছি। ১ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে হাওর রক্ষায় ১৪টি নদী খননসহ বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী বন্যার আগে এর সুফল পাওয়া যাবে। নদী ও খাল খননের মাধ্যমে নাব্যতা বাড়লে বাঁধ উপচে পানি হাওরে ঢুকবে না।
সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জের হাওরের বোরো ফসল রক্ষা হয়েছে উল্লেখ করে জাহিদ ফারুক বলেন, গত ২০ দিন ধরে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও মাত্র তিনটি জায়গায় বাঁধ ভেঙে কিছু ফসলের ক্ষতি হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্তৃপক্ষকে হাওরে এসে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্প তৈরির নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রীর এই পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন, পাউবো মহাপরিচালক ফজলুর রশিদ, পাউবো অতিরিক্ত মহাপরিচালক মাহবুর রহমান, পাউবো সিলেট জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এস এম শহীদুল ইসলাম, সিলেট সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী, সুনামগঞ্জ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুদ্দোহা, জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম প্রমুখ।

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, ‘আমরা হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় আন্তরিকতার সহিত কাজ করছি। সাংবাদিকেরা অতিরঞ্জিত করে বলেন—হাওরে বাঁধের কাজ হয়নি; দুর্নীতি হয়েছে। ২০ দিন ধরে নদ নদীতে পানি রয়েছে। কোথাও কি বাঁধ ভেঙেছে? একটাও ভাঙেনি।’ আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়ার হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুনামগঞ্জ জেলায় ৭২৭টি ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি বাঁধে সামান্য ক্ষতি হয়েছে। সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামীতে হাওরের ফসল রক্ষায় আমরা মহাপরিকল্পনা নিয়েছি। ১ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে হাওর রক্ষায় ১৪টি নদী খননসহ বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী বন্যার আগে এর সুফল পাওয়া যাবে। নদী ও খাল খননের মাধ্যমে নাব্যতা বাড়লে বাঁধ উপচে পানি হাওরে ঢুকবে না।
সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জের হাওরের বোরো ফসল রক্ষা হয়েছে উল্লেখ করে জাহিদ ফারুক বলেন, গত ২০ দিন ধরে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও মাত্র তিনটি জায়গায় বাঁধ ভেঙে কিছু ফসলের ক্ষতি হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্তৃপক্ষকে হাওরে এসে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্প তৈরির নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রীর এই পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন, পাউবো মহাপরিচালক ফজলুর রশিদ, পাউবো অতিরিক্ত মহাপরিচালক মাহবুর রহমান, পাউবো সিলেট জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এস এম শহীদুল ইসলাম, সিলেট সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রবীর কুমার গোস্বামী, সুনামগঞ্জ বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুদ্দোহা, জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম প্রমুখ।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৮ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪০ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে