সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

যত সময় যাচ্ছে, সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি ততই অবনতির দিকে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বৃষ্টি না হলেও সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। কিছুদিন আগের বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ভয়াবহ বন্যার কবলে সুনামগঞ্জবাসী।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই বৃষ্টির পানি সীমান্ত নদীগুলো দিয়ে প্রবাহিত হলে সুনামগঞ্জ পৌর শহরসহ ছয় উপজেলার দুই শতাধিক গ্রামের দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় আছে। এতে জেলার ছাতক, দোয়ারাবাজার, শান্তিগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। গত কয়েক দিনের পাহাড়ি ঢলে আবারও পৌর শহরের অন্তত ৩০টি আবাসিক এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া সদর উপজেলার অন্তত ৫০ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় আছে। জেলা সদরের সঙ্গে পাঁচ উপজেলার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে পৌর এলাকার বাসিন্দা তেঘরিয়া আবাসিক এলাকার নাদের আহমদ বলেন, ‘যেভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, এটা আগে কোনো সময়ে দেখিনি। এবার পানি ঢোকেনি এমন কোনো ঘরবাড়ি নেই।’
হাছননগর এলাকার বাসিন্দা রিপন মিয়া বলেন, ‘বাসাবাড়িত পানি আইছে, বাচ্চাকাচ্চা লইয়া বেশি চিন্তাত আছি। ঘরের ভেতরে পানি, বাইরেও পানি। ঘরের ভেতরে পানি বাচ্চাকাচ্চার জন্যি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়িছে।’
পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুদ্দোহা জানান, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে এবার বৃষ্টি বেশি হচ্ছে। আগামী দুই দিন আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এতে নদীর পানি আরও বাড়বে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতি উপজেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘প্রায় ২০০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে এবং প্রতি উপজেলায় চাল ও শুষ্ক খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আমরা আরও ত্রাণসহায়তার জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। আশা করি খাদ্যসহায়তার কোনো সমস্যা হবে না।’

যত সময় যাচ্ছে, সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি ততই অবনতির দিকে যাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বৃষ্টি না হলেও সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। কিছুদিন আগের বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও ভয়াবহ বন্যার কবলে সুনামগঞ্জবাসী।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই বৃষ্টির পানি সীমান্ত নদীগুলো দিয়ে প্রবাহিত হলে সুনামগঞ্জ পৌর শহরসহ ছয় উপজেলার দুই শতাধিক গ্রামের দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় আছে। এতে জেলার ছাতক, দোয়ারাবাজার, শান্তিগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। গত কয়েক দিনের পাহাড়ি ঢলে আবারও পৌর শহরের অন্তত ৩০টি আবাসিক এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া সদর উপজেলার অন্তত ৫০ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় আছে। জেলা সদরের সঙ্গে পাঁচ উপজেলার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে পৌর এলাকার বাসিন্দা তেঘরিয়া আবাসিক এলাকার নাদের আহমদ বলেন, ‘যেভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, এটা আগে কোনো সময়ে দেখিনি। এবার পানি ঢোকেনি এমন কোনো ঘরবাড়ি নেই।’
হাছননগর এলাকার বাসিন্দা রিপন মিয়া বলেন, ‘বাসাবাড়িত পানি আইছে, বাচ্চাকাচ্চা লইয়া বেশি চিন্তাত আছি। ঘরের ভেতরে পানি, বাইরেও পানি। ঘরের ভেতরে পানি বাচ্চাকাচ্চার জন্যি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়িছে।’
পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুদ্দোহা জানান, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে এবার বৃষ্টি বেশি হচ্ছে। আগামী দুই দিন আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এতে নদীর পানি আরও বাড়বে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতি উপজেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘প্রায় ২০০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে এবং প্রতি উপজেলায় চাল ও শুষ্ক খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আমরা আরও ত্রাণসহায়তার জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। আশা করি খাদ্যসহায়তার কোনো সমস্যা হবে না।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে