সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট দেওয়ার জন্য ভোটকেন্দ্রের সামনের সারিতে দাঁড়ান অন্তঃসত্ত্বা আম্বিয়া খাতুন (৩৫)। হঠাৎ প্রসববেদনা উঠলে উপস্থিত নারী ভোটারদের সহায়তায় তিনি কন্যাসন্তান প্রসব করেন। ভোট দিতে এসে সন্তান প্রসব করা ওই নারী জানান, তিনি বিএনপির একজন সমর্থক। ভোটের দিনে তাঁর কোলজুড়ে শিশুসন্তান আসায় নাম রেখেছেন ‘খালেদা জিয়া’।
গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের বেংনাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। কয়েকজন নারী ভোটার ওই নারীকে বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে নিয়ে সন্তান প্রসব করান। আম্বিয়া খাতুন উপজেলার বেংনাই পশ্চিমপাড়া গ্রামের শরীফুল ইসলামের স্ত্রী। কন্যাশিশুটি ওই দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান।
এদিকে খবর পেয়ে গতকাল রোববার বিকেলে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা নবজাতককে দেখতে যান। তাঁরা শিশুটির জন্য নতুন পোশাক, জন্মনিবন্ধনের ব্যবস্থা এবং তার মায়ের জন্য পুষ্টিকর খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা দেন বলে জানা গেছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এটি স্মরণীয় ঘটনা। মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য আমরা পাশে আছি।’
আম্বিয়া খাতুন বলেন, ‘১৭ বছর পর ভোট হলো। আর এটিই আমার প্রথম ভোট। নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি। তাই শরীর খারাপ থাকলেও ভোট দিতে যাই। কিন্তু হঠাৎ করেই ব্যথা শুরু হয়। তারপর আর ভোট দেওয়া হয়নি, সন্তানই কোলে চলে এল।’

গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে যাত্রাবাড়ী মীরহাজীরবাগ কাঁচাবাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় পথচারীরা তাদের দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। এর পর চিকিৎসক রাত ২টার দিকে তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
৮ মিনিট আগে
ওই ইটভাটাগুলোর মালিকেরা দীর্ঘদিন ধরে খাসজমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে আসছিল। শুক্রবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে মোট ছয় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমিতে এ মৌসুমে ইরি ও বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। এসব জমিতে সেচ অব্যাহত রাখতে ইঞ্জিনচালিত সেচযন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। উপজেলার চরাঞ্চলসহ বেশির ভাগ এলাকার সেচযন্ত্র ডিজেলচালিত।
১ ঘণ্টা আগে
সেদিনের প্রত্যক্ষদর্শী রেলস্টেশন এলাকার শেখ আব্দুর রহিমের ভাষ্য অনুযায়ী, ৪ এপ্রিল ভোরে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ফজরের নামাজ শেষে কোরআন তিলাওয়াত করছিলেন। এ সময় স্থানীয় বিহারিদের সহায়তায় পাক হানাদার বাহিনী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে হামলা চালায়।
২ ঘণ্টা আগে