সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সিরাজগঞ্জ সদরের ফুলকোচায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে শহরের মুজিব সড়কের একটি ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হাসান আল বান্না বলেন, ‘আমার বড় ভাই ফিরোজ সরকার, ভাতিজা সিয়াম সরকারসহ আরও তিনজন গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নেয়। তারা সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা সিরাজগঞ্জ-কাজীপুর সড়কের বেজগাতী মোড় থেকে একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি ফুলকোচা স্কুলের দিকে যাওয়ার সময় ২ নম্বর বাগবাটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলী বাড়ির সামনে পৌঁছালে হামলা চালানো হয়।’
হাসান আল বান্না আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা শাহ আলীর নেতৃত্বে হামলাকারীরা ধারালো ছুরি, চাকু, হকিস্টিক, লোহার পাইপ, কাঠের লাঠি নিয়ে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায়। হামলায় সিয়াম, ফিরোজ, আতিকুল, আব্দুল্লাহ, ইব্রাহীম, গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
ওই হামলার ঘটনায় হাসান আল বান্না, এন্তাজ আলী ও নুর নবী বাদী হয়ে গত ২১ আগস্ট সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে পৃথক তিনটি মামলা করেন। মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৪৫ জনকে আসামি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মামলার বাদীরা উপস্থিত ছিলেন।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বাগবাটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলী, বাগবাটী ইউনিয়নের ফুলকোচা গ্রামের সাহেব আলী, ওহাব মণ্ডল, মোরশেদ মণ্ডল, আব্দুল কাদের, ইয়াসিন, হায়দার আলী, সাইফুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী, আব্দুল আজিজ, মাসুম, মাসুদ, সেলিম, আব্দুল মান্নান, ইসমাইল হোসেন, নাঈম, সাদেক আলী, শাকিল ও সেলিম।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সিরাজগঞ্জ সদরের ফুলকোচায় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে শহরের মুজিব সড়কের একটি ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হাসান আল বান্না বলেন, ‘আমার বড় ভাই ফিরোজ সরকার, ভাতিজা সিয়াম সরকারসহ আরও তিনজন গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নেয়। তারা সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা সিরাজগঞ্জ-কাজীপুর সড়কের বেজগাতী মোড় থেকে একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি ফুলকোচা স্কুলের দিকে যাওয়ার সময় ২ নম্বর বাগবাটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলী বাড়ির সামনে পৌঁছালে হামলা চালানো হয়।’
হাসান আল বান্না আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা শাহ আলীর নেতৃত্বে হামলাকারীরা ধারালো ছুরি, চাকু, হকিস্টিক, লোহার পাইপ, কাঠের লাঠি নিয়ে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায়। হামলায় সিয়াম, ফিরোজ, আতিকুল, আব্দুল্লাহ, ইব্রাহীম, গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
ওই হামলার ঘটনায় হাসান আল বান্না, এন্তাজ আলী ও নুর নবী বাদী হয়ে গত ২১ আগস্ট সিরাজগঞ্জ সদর আমলি আদালতে পৃথক তিনটি মামলা করেন। মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৪৫ জনকে আসামি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মামলার বাদীরা উপস্থিত ছিলেন।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বাগবাটী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলী, বাগবাটী ইউনিয়নের ফুলকোচা গ্রামের সাহেব আলী, ওহাব মণ্ডল, মোরশেদ মণ্ডল, আব্দুল কাদের, ইয়াসিন, হায়দার আলী, সাইফুল ইসলাম, ইদ্রিস আলী, আব্দুল আজিজ, মাসুম, মাসুদ, সেলিম, আব্দুল মান্নান, ইসমাইল হোসেন, নাঈম, সাদেক আলী, শাকিল ও সেলিম।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে