আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বেতনা নদীর চর থেকে এক নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি ব্রিজের নিচ থেকে স্থানীয় শ্রমিকেরা শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করে। কিন্তু উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা পর শিশুটি মারা যায়।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে বেতনা নদীর গুনাকরকাটি ব্রিজের পাশে শ্রমিকেরা নদীর চরে মাটি কাটতে যায়। এ সময় শ্রমিকেরা দূরে কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে যায়। তাঁরা একটি ফুটফুটে নবজাতক শিশুকে নড়া চড়া করতে দেখে। গ্রামবাসীসহ গ্রাম পুলিশ এবং ইউপি চেয়ারম্যানকে খবর দেওয়া হয়। স্থানীয়দের ধারণা ব্রিজের ওপর থেকে শিশুটিকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গ্রাম পুলিশ কাওছার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি একটি শিশু চরে পড়ে আছে। মাথা থেকে হালকা রক্ত ঝরছিল। মাথার একটা অংশ ফাটা ছিল। শিশুটিকে উদ্ধার করে চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কাওছার আরও জানান, ঘটনাস্থলে একটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা যায়, যার মধ্যে রক্ত মাখা কিছু পুরোনো কাপড় এবং বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময়কার নাড়ি পাওয়া গেছে।
কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাসেত আল হারুন জানান, ভোর ৭টার দিকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। শিশুটিকে জীবিত দেখে সঙ্গে সঙ্গে তিনি সাতক্ষীরা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে শিশুটি মারা যায়।
আব্দুল বাসেত আল হারুন আরও জানান, সদর থানা-পুলিশের তত্ত্বাবধানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে। শিশুটির ময়নাতদন্ত শেষে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা মেনে গুনাকরকাটিতে নিজ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করবেন বলেও জানান তিনি।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বেতনা নদীর চর থেকে এক নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টার দিকে কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি ব্রিজের নিচ থেকে স্থানীয় শ্রমিকেরা শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করে। কিন্তু উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা পর শিশুটি মারা যায়।
স্থানীয়রা জানান, ভোরে বেতনা নদীর গুনাকরকাটি ব্রিজের পাশে শ্রমিকেরা নদীর চরে মাটি কাটতে যায়। এ সময় শ্রমিকেরা দূরে কিছু একটা পড়ে থাকতে দেখে এগিয়ে যায়। তাঁরা একটি ফুটফুটে নবজাতক শিশুকে নড়া চড়া করতে দেখে। গ্রামবাসীসহ গ্রাম পুলিশ এবং ইউপি চেয়ারম্যানকে খবর দেওয়া হয়। স্থানীয়দের ধারণা ব্রিজের ওপর থেকে শিশুটিকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
গ্রাম পুলিশ কাওছার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি একটি শিশু চরে পড়ে আছে। মাথা থেকে হালকা রক্ত ঝরছিল। মাথার একটা অংশ ফাটা ছিল। শিশুটিকে উদ্ধার করে চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
কাওছার আরও জানান, ঘটনাস্থলে একটি ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা যায়, যার মধ্যে রক্ত মাখা কিছু পুরোনো কাপড় এবং বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময়কার নাড়ি পাওয়া গেছে।
কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বাসেত আল হারুন জানান, ভোর ৭টার দিকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। শিশুটিকে জীবিত দেখে সঙ্গে সঙ্গে তিনি সাতক্ষীরা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে শিশুটি মারা যায়।
আব্দুল বাসেত আল হারুন আরও জানান, সদর থানা-পুলিশের তত্ত্বাবধানে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শিশুটির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে। শিশুটির ময়নাতদন্ত শেষে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা মেনে গুনাকরকাটিতে নিজ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করবেন বলেও জানান তিনি।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৮ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৩৯ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে