ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

বকেয়া বেতন ও কাজে যোগদানের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির শ্রমিকেরা। শুক্রবার খনির কয়লা সরবরাহ গেটের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন শত শত শ্রমিক।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী গত ২৪ এপ্রিল বুধবার দুপুর ১২টা থেকে খনির মূল ফটকে তাঁরা অবস্থান ও বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন। এর আগে গত ২১ এপ্রিল রোববার তাঁরা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর দুই দফা দাবি নিয়ে একটি স্মারকলিপি দিয়ে দাবি মেনে নিতে বুধবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। দাবি না মানায় এই অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শ্রমিকেরা।
খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের দেখতে এসে তাঁদের কয়েকজনের স্ত্রী নাসরিন আক্তার, শিরিনা, শায়লা আক্তার জানালেন, ‘সামনে ঈদ। আমাদের স্বামীরা ভেতরে কাজ করছেন, তাঁদের বাইরে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না।’
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘দাবি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে। চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে খনিতে মোট ১ হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছিলেন। দুই বছর আগে করোনা ভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে কর্মরত ১ হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪০০ জন শ্রমিককে কাজ করার শর্তে ফেরত নেয়। বাকি ৭৪৭ জনকে কাজে যোগদানের সুযোগ না দিয়ে বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে। সামনে ঈদ। ভেতরের শ্রমিকদের খনির বাইরে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না।’
মো. রবিউল ইসলাম আরও বলেন, ‘ছুটি দেওয়ার সময় প্রত্যেক শ্রমিককে প্রতি মাসে সাড়ে ৪ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ছিল। ওই টাকা দেওয়াও শুরু হয়েছিল। কিন্তু গত আট মাস ধরে তা আর দেওয়া হচ্ছে না। তবে কর্মরত শ্রমিকদের নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে।’
এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুজ্জামান খান বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে এরই মধ্যে বাইরের ৮৫০ জন শ্রমিককে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে মোট ৫৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে খনির একটি ফেস চালু রয়েছে, যা শেষের পথে। তাই জনবল কম লাগছে, সেই সঙ্গে থাকার জায়গাও কম। আরও একটি ফেস চালু করার প্রস্তুতি চলছে, যা মাস দু-এক সময় লাগবে। ওই ফেস চালু হলেই বাইরের শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে কাজে নেওয়া হবে।’
ভেতরের শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুজ্জামান খান বলেন, ‘তাঁরা খনির বাইরে বের হয়ে বাড়ি থেকে কাজ করতে চান।’

বকেয়া বেতন ও কাজে যোগদানের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির শ্রমিকেরা। শুক্রবার খনির কয়লা সরবরাহ গেটের ভেতরে ও বাইরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন শত শত শ্রমিক।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী গত ২৪ এপ্রিল বুধবার দুপুর ১২টা থেকে খনির মূল ফটকে তাঁরা অবস্থান ও বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন। এর আগে গত ২১ এপ্রিল রোববার তাঁরা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর দুই দফা দাবি নিয়ে একটি স্মারকলিপি দিয়ে দাবি মেনে নিতে বুধবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। দাবি না মানায় এই অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শ্রমিকেরা।
খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের দেখতে এসে তাঁদের কয়েকজনের স্ত্রী নাসরিন আক্তার, শিরিনা, শায়লা আক্তার জানালেন, ‘সামনে ঈদ। আমাদের স্বামীরা ভেতরে কাজ করছেন, তাঁদের বাইরে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না।’
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘দাবি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে। চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে খনিতে মোট ১ হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছিলেন। দুই বছর আগে করোনা ভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে কর্মরত ১ হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪০০ জন শ্রমিককে কাজ করার শর্তে ফেরত নেয়। বাকি ৭৪৭ জনকে কাজে যোগদানের সুযোগ না দিয়ে বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে। সামনে ঈদ। ভেতরের শ্রমিকদের খনির বাইরে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না।’
মো. রবিউল ইসলাম আরও বলেন, ‘ছুটি দেওয়ার সময় প্রত্যেক শ্রমিককে প্রতি মাসে সাড়ে ৪ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ছিল। ওই টাকা দেওয়াও শুরু হয়েছিল। কিন্তু গত আট মাস ধরে তা আর দেওয়া হচ্ছে না। তবে কর্মরত শ্রমিকদের নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে।’
এ বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুজ্জামান খান বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে এরই মধ্যে বাইরের ৮৫০ জন শ্রমিককে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে মোট ৫৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে খনির একটি ফেস চালু রয়েছে, যা শেষের পথে। তাই জনবল কম লাগছে, সেই সঙ্গে থাকার জায়গাও কম। আরও একটি ফেস চালু করার প্রস্তুতি চলছে, যা মাস দু-এক সময় লাগবে। ওই ফেস চালু হলেই বাইরের শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে কাজে নেওয়া হবে।’
ভেতরের শ্রমিকদের আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুজ্জামান খান বলেন, ‘তাঁরা খনির বাইরে বের হয়ে বাড়ি থেকে কাজ করতে চান।’

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৬ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৭ ঘণ্টা আগে