গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় বিএনপির ১৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাত থেকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী শনিবার ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতে ১৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের নামে আগেই মামলা ছিল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গাইবান্ধা শহর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম রুবেল, রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মশিউর রহমান, উদিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রায়হান ইসলাম রাহুল, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল, সাঘাটা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা মিঠু, সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাপলা, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ।
বাকিরা হলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য শামিউল সামু, বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব হাসান কবির ও যুবনেতা সালাউদ্দিন, সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য গোলাম রব্বানী জুয়েল, সদস্য রফিকুল ইসলাম, ধাপেরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য আপেল।
গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি মইনুল হাসান সাদিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঢাকায় মহাসমাবেশে বিএনপির নেতা-কর্মীরা যাতে না যেতে পারে, সে জন্য বিএনপির মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতে এ গ্রেপ্তার চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি হানা দিচ্ছে পুলিশ। অন্তত তিন শ নেতা-কর্মীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।
গাইবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে আগের মামলা ছিল। কাউকে হয়রানি করতে গ্রেপ্তার করা হয়নি।’

গাইবান্ধায় বিএনপির ১৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার রাত থেকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী শনিবার ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতে ১৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের নামে আগেই মামলা ছিল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গাইবান্ধা শহর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম রুবেল, রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মশিউর রহমান, উদিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রায়হান ইসলাম রাহুল, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল, সাঘাটা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হেনা মোস্তফা মিঠু, সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাপলা, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ।
বাকিরা হলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য শামিউল সামু, বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব হাসান কবির ও যুবনেতা সালাউদ্দিন, সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য গোলাম রব্বানী জুয়েল, সদস্য রফিকুল ইসলাম, ধাপেরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য আপেল।
গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি মইনুল হাসান সাদিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঢাকায় মহাসমাবেশে বিএনপির নেতা-কর্মীরা যাতে না যেতে পারে, সে জন্য বিএনপির মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতে এ গ্রেপ্তার চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি হানা দিচ্ছে পুলিশ। অন্তত তিন শ নেতা-কর্মীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।
গাইবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘যাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে আগের মামলা ছিল। কাউকে হয়রানি করতে গ্রেপ্তার করা হয়নি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে