ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘ফুলছড়ির মতো দুর্দশাগ্রস্ত, শিক্ষাব্যবস্থা খারাপ, রাস্তাঘাট খারাপ, হাসপাতাল খারাপ—এমন উপজেলা সারা দেশে একটিও নাই। এর চেয়ে কষ্টের কথা আর থাকতে পারে না। আগামীর বাংলাদেশে যারা বৈষম্য করবে না, তাদের আপনারা নেতা নির্বাচিত করবেন।’
আজ শুক্রবার বিকেলে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কালিরবাজারে জাতীয় নাগরিক পার্টির পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, ‘যে নদীতে ফুলছড়ি উপজেলার অনেক মানুষের সহায়-সম্বল ও ভিটেবাড়ি ভেসে যায়, সেই নদীর ভাঙন রোধে হাজার হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ আসলেও কোনো কাজ হয়নি, শুধু লুটপাট হয়েছে। নেতারা শুধু নিজেদের আখের গুছিয়েছেন। সেই নেতাদের ফুলছড়ির আগামীর রাজনীতিতে আর দেখতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি আপনাদের সন্তানের উন্নতি চান, তাহলে তাদের পড়ালেখা নিশ্চিত করতে হবে। যে নেতারা আপনাদের সন্তানের পড়ালেখা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাজেট নিশ্চিত না করে, তাদের ছেলে-মেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামে লেখাপড়া করায়, তারা আপনাদের নেতা হতে পারেন না।’
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, ‘ফুলছড়ি আর সাঘাটা মিলে একটি আসন। অথচ যত উন্নয়ন সব একটি উপজেলাই হয়। বাংলাদেশের মধ্যে উত্তরাঞ্চল অবহেলিত। এই অঞ্চলের মধ্যে গাইবান্ধা আর গাইবান্ধার মধ্যে ফুলছড়ি অবহেলিত।’

এই সময় এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা মিতু, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আসাদুল্লাহ গালিব, সাদিয়া ফারজানা দিনা, কেন্দ্রীয় সংগঠক নাজমুল হাসান সোহাগ, কেন্দ্রীয় সদস্য ফিহাদুর রহমান দিবস, রফিকুল ইসলাম কনক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলার মুখপাত্র জাহিদ হাসান জীবন, ছাত্রনেতা আহসানুল হক স্বাধীন, আরিফ খান, সাদ্দাম হোসেন, আইয়ুব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘ফুলছড়ির মতো দুর্দশাগ্রস্ত, শিক্ষাব্যবস্থা খারাপ, রাস্তাঘাট খারাপ, হাসপাতাল খারাপ—এমন উপজেলা সারা দেশে একটিও নাই। এর চেয়ে কষ্টের কথা আর থাকতে পারে না। আগামীর বাংলাদেশে যারা বৈষম্য করবে না, তাদের আপনারা নেতা নির্বাচিত করবেন।’
আজ শুক্রবার বিকেলে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কালিরবাজারে জাতীয় নাগরিক পার্টির পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, ‘যে নদীতে ফুলছড়ি উপজেলার অনেক মানুষের সহায়-সম্বল ও ভিটেবাড়ি ভেসে যায়, সেই নদীর ভাঙন রোধে হাজার হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ আসলেও কোনো কাজ হয়নি, শুধু লুটপাট হয়েছে। নেতারা শুধু নিজেদের আখের গুছিয়েছেন। সেই নেতাদের ফুলছড়ির আগামীর রাজনীতিতে আর দেখতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি আপনাদের সন্তানের উন্নতি চান, তাহলে তাদের পড়ালেখা নিশ্চিত করতে হবে। যে নেতারা আপনাদের সন্তানের পড়ালেখা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাজেট নিশ্চিত না করে, তাদের ছেলে-মেয়েদের ইংলিশ মিডিয়ামে লেখাপড়া করায়, তারা আপনাদের নেতা হতে পারেন না।’
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, ‘ফুলছড়ি আর সাঘাটা মিলে একটি আসন। অথচ যত উন্নয়ন সব একটি উপজেলাই হয়। বাংলাদেশের মধ্যে উত্তরাঞ্চল অবহেলিত। এই অঞ্চলের মধ্যে গাইবান্ধা আর গাইবান্ধার মধ্যে ফুলছড়ি অবহেলিত।’

এই সময় এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ডা. মাহমুদা মিতু, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আসাদুল্লাহ গালিব, সাদিয়া ফারজানা দিনা, কেন্দ্রীয় সংগঠক নাজমুল হাসান সোহাগ, কেন্দ্রীয় সদস্য ফিহাদুর রহমান দিবস, রফিকুল ইসলাম কনক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলার মুখপাত্র জাহিদ হাসান জীবন, ছাত্রনেতা আহসানুল হক স্বাধীন, আরিফ খান, সাদ্দাম হোসেন, আইয়ুব হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে