পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

মৃত্যুপথযাত্রী স্বামীকে বাঁচাতে একটি কিডনি দিলেন স্ত্রী রুমা বেগম। ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের মুগলিবাড়ী এলাকায়।
জানা গেছে, দুটি কিডনি অচল হয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন মুগলিবাড়ী এলাকার বাসিন্দা নুর হোসেন (৩৫)। দীর্ঘ চার বছর ধরে অসুস্থ তিনি। সর্বশেষ চিকিৎসকের পরামর্শে বহু জায়গায় কিডনির খোঁজ করে নুর হোসেনের পরিবার। কিডনি না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তাঁরা। এ অবস্থায় নিজেই কিডনি দিতে রাজি হন স্ত্রী রুমা বেগম (৩১)।
কিডনি ম্যাচ হওয়ায় গত রোববার বিকেল ৩টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে একসঙ্গে দুজনেরই অপারেশন করা হয়। অপারেশন করে স্বামীর অচল একটি কিডনি ফেলে দিয়ে স্ত্রীর দেওয়া একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। বর্তমানে তাঁরা দুজনেই ওই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের মুগলিবাড়ী গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে নুর হোসেনের সঙ্গে প্রায় ১৪ বছর আগে একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উফারমারা মাছির বাজার এলাকার সহিদার রহমানের মেয়ে রুমা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের ১০ বছর পর স্বামী নুর হোসেনের কিডনি রোগ ধরা পড়ে। রংপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় মাস ডায়ালাইসিস করিয়েছেন। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ মাস আগে নুর হোসেন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে চিকিৎসক দেখানো হয়। সেখানে ডাক্তার বিভিন্ন রকমের পরীক্ষানিরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক জানান, তাঁর দুটি কিডনি অচল হয়ে গেছে। রোগীকে বাঁচাতে হলে কমপক্ষে একটি কিডনির ব্যবস্থা করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁরা বিভিন্ন কিডনি ব্যাংকে যোগাযোগ করেও কিডনি সংগ্রহ করতে পারেননি। এতে পরিবারটি হতাশ হয়ে পড়ে। নুর হোসেনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর রুমা বেগমের কিডনি মিলে যাওয়ায় স্বামীকে বাঁচাতে গৃহবধূ রুমা বেগম নিজের একটি কিডনি দিতে রাজি হন।
গৃহবধু রুমা বেগম বলেন, `আমার স্বামী কখনো বলেনি তাঁকে কিডনি দিতে । আমি নিজের ইচ্ছায় কিডনি দিয়েছি। স্বামীকে নিজের কিডনি দিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে । আমি মনে করতাম বাঁচলে দুজনে বাঁচব আর মরলে দুজনে মরব।'
রুমা বেগমের মা আমিনা বেগম বলেন, `জামাইকে বাঁচাতে আমাদের মেয়ে রুমা বেগমকে কিডনি দিতে উৎসাহ দিই। খুব ভালো লাগছে। এ রকম বিপদে রুমার মতো প্রত্যেক স্ত্রীর তাঁর স্বামীর পাশে থাকা উচিত।'
এ বিষয়ে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুর ইসলাম বলেন, `এটি একটি বিরল ঘটনা। এ রকম স্বামীভক্ত নারী দেখিনি। দোয়া করি, আল্লাহ তাঁদের উভয়কে সুস্থতা দান করুক। স্ত্রীর কিডনি দিয়ে স্বামীর প্রাণ বাঁচানোয় এলাকায় অনেকে ওই গৃহবধূর প্রশংসা করে আলোচনা করছেন।'

মৃত্যুপথযাত্রী স্বামীকে বাঁচাতে একটি কিডনি দিলেন স্ত্রী রুমা বেগম। ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের মুগলিবাড়ী এলাকায়।
জানা গেছে, দুটি কিডনি অচল হয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন মুগলিবাড়ী এলাকার বাসিন্দা নুর হোসেন (৩৫)। দীর্ঘ চার বছর ধরে অসুস্থ তিনি। সর্বশেষ চিকিৎসকের পরামর্শে বহু জায়গায় কিডনির খোঁজ করে নুর হোসেনের পরিবার। কিডনি না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন তাঁরা। এ অবস্থায় নিজেই কিডনি দিতে রাজি হন স্ত্রী রুমা বেগম (৩১)।
কিডনি ম্যাচ হওয়ায় গত রোববার বিকেল ৩টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে একসঙ্গে দুজনেরই অপারেশন করা হয়। অপারেশন করে স্বামীর অচল একটি কিডনি ফেলে দিয়ে স্ত্রীর দেওয়া একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। বর্তমানে তাঁরা দুজনেই ওই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের মুগলিবাড়ী গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে নুর হোসেনের সঙ্গে প্রায় ১৪ বছর আগে একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উফারমারা মাছির বাজার এলাকার সহিদার রহমানের মেয়ে রুমা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের ১০ বছর পর স্বামী নুর হোসেনের কিডনি রোগ ধরা পড়ে। রংপুর সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় মাস ডায়ালাইসিস করিয়েছেন। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ মাস আগে নুর হোসেন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে চিকিৎসক দেখানো হয়। সেখানে ডাক্তার বিভিন্ন রকমের পরীক্ষানিরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক জানান, তাঁর দুটি কিডনি অচল হয়ে গেছে। রোগীকে বাঁচাতে হলে কমপক্ষে একটি কিডনির ব্যবস্থা করতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁরা বিভিন্ন কিডনি ব্যাংকে যোগাযোগ করেও কিডনি সংগ্রহ করতে পারেননি। এতে পরিবারটি হতাশ হয়ে পড়ে। নুর হোসেনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর রুমা বেগমের কিডনি মিলে যাওয়ায় স্বামীকে বাঁচাতে গৃহবধূ রুমা বেগম নিজের একটি কিডনি দিতে রাজি হন।
গৃহবধু রুমা বেগম বলেন, `আমার স্বামী কখনো বলেনি তাঁকে কিডনি দিতে । আমি নিজের ইচ্ছায় কিডনি দিয়েছি। স্বামীকে নিজের কিডনি দিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে । আমি মনে করতাম বাঁচলে দুজনে বাঁচব আর মরলে দুজনে মরব।'
রুমা বেগমের মা আমিনা বেগম বলেন, `জামাইকে বাঁচাতে আমাদের মেয়ে রুমা বেগমকে কিডনি দিতে উৎসাহ দিই। খুব ভালো লাগছে। এ রকম বিপদে রুমার মতো প্রত্যেক স্ত্রীর তাঁর স্বামীর পাশে থাকা উচিত।'
এ বিষয়ে বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুর ইসলাম বলেন, `এটি একটি বিরল ঘটনা। এ রকম স্বামীভক্ত নারী দেখিনি। দোয়া করি, আল্লাহ তাঁদের উভয়কে সুস্থতা দান করুক। স্ত্রীর কিডনি দিয়ে স্বামীর প্রাণ বাঁচানোয় এলাকায় অনেকে ওই গৃহবধূর প্রশংসা করে আলোচনা করছেন।'

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
৩ ঘণ্টা আগে