প্রতিনিধি, পীরগঞ্জ (রংপুর)

পীরগঞ্জে ৭ বীর মুক্তিযোদ্ধার নামে তৈরি করা সড়কগুলো উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সরাসরি অথবা ভার্চ্যুয়ালি সড়কগুলো উদ্বোধন করবেন স্পিকার ডক্টর শিরিন শারমিন চৌধুরী এমপি।
৭ বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম হল-প্রফেসর ড. নুরুল ইসলাম (মরহুম), চেয়ারম্যান নুরুল হক, জিল্লুর রহমান সরকার, আনছার আলী, মশিউর রহমান, সেকেন্দার আলী (মরহুম) ও নুরুল ইসলাম।
ইউনিয়নটির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক বলেন, পীরগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার উত্তরে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে (বিশ্বরোড) বড়দরগা বাসস্ট্যান্ড। ওই বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিমেই উপজেলার যুদ্ধবিধ্বস্ত গ্রাম ছোট মির্জাপুর। ১৯৭১ এ পাকিস্তানি বাহিনী প্রায় গোটা গ্রাম পুড়ে দেয়। ছোট মির্জাপুর গ্রামেই ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। তাঁরা ভারতে প্রশিক্ষণ শেষে দেশে এসে ৬ নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন। চলতি বছরের ১৭ জুলাই সড়কগুলোর নামকরণের পর মুক্তিযোদ্ধা এবং এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নামফলকগুলো সড়কে স্থাপন করা হয়েছে।
৭ বীরের নামে নামকরণকৃত সড়কগুলো হল-বিশ্বরোড থেকে পাতারিটারী ভায়া ছোট মির্জাপুরগামী ১ কিলোমিটার পর্যন্ত 'মশিউর রহমান সড়ক', বিশ্বরোড থেকে ছোট মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভায়া ছোট মির্জাপুরগামী ১ কিলোমিটার পর্যন্ত 'নুরুল ইসলাম সড়ক', বড়দরগাহ থেকে মথুরাপুরগামী ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত 'জিল্লুর রহমান সড়ক', বড়দরগাহ-ভেন্ডাবাড়ী সড়ক থেকে ট্যাংক রোড দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত 'নুরুল হক সড়ক (চেয়ারম্যান) ', বিশ্বরোড থেকে শাহাপাড়া হাজীপুরগামী ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত 'সেকেন্দার আলী সড়ক', বড়দরগাহ-শানেরহাটগামী দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত 'আনছার আলী সড়ক' এবং বিশমাইল থেকে গুর্জিপাড়াগামী ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত 'নুরুল ইসলাম সড়ক'।
এ বিষয়ে গুর্জিপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের সহযোদ্ধা চেয়ারম্যান নুরুল হকের চিন্তা চেতনা থেকে পীরগঞ্জের মধ্যে আমরাই একমাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়কের নামকরণ করেছি। এ জন্য চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানাই।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান বলেন, উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের নামে তৈরিকৃত সড়কগুলো পাকা ও সংস্কারের জন্য স্থানীয় এমপি স্পিকার ডক্টর শিরিন শারমিন চৌধুরীর কাছে অনুরোধ করছি।
মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়কের নামকরণের উদ্যোক্তা চেয়ারম্যান নুরুল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করে রাখতে এবং আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতেই আমি নিজস্ব অর্থায়নে আমার ইউনিয়নে ও গ্রামে সাত বীর মুক্তিযোদ্ধার নামে ৭টি সড়কের নামকরণ করেছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলেও সড়কগুলো উদ্বোধন করা হবে।
চেয়ারম্যান নুরুল হক আরও বলেন, দেশের সব মুক্তিযোদ্ধার কবরের ডিজাইন একই করার পরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুস সাত্তার মণ্ডল বলেন, উপজেলায় প্রথম বড়দরগাহ ইউনিয়নে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়কের নামকরণ হওয়ায় আমরা আনন্দিত। জীবনের শেষ বয়সে মুক্তিযোদ্ধাদের এমন সম্মানে আমরা অভিভূত। আগামী প্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করলে পরপারে আমাদের আত্মা সন্তুষ্টি পাবে।

পীরগঞ্জে ৭ বীর মুক্তিযোদ্ধার নামে তৈরি করা সড়কগুলো উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সরাসরি অথবা ভার্চ্যুয়ালি সড়কগুলো উদ্বোধন করবেন স্পিকার ডক্টর শিরিন শারমিন চৌধুরী এমপি।
৭ বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম হল-প্রফেসর ড. নুরুল ইসলাম (মরহুম), চেয়ারম্যান নুরুল হক, জিল্লুর রহমান সরকার, আনছার আলী, মশিউর রহমান, সেকেন্দার আলী (মরহুম) ও নুরুল ইসলাম।
ইউনিয়নটির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক বলেন, পীরগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার উত্তরে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে (বিশ্বরোড) বড়দরগা বাসস্ট্যান্ড। ওই বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিমেই উপজেলার যুদ্ধবিধ্বস্ত গ্রাম ছোট মির্জাপুর। ১৯৭১ এ পাকিস্তানি বাহিনী প্রায় গোটা গ্রাম পুড়ে দেয়। ছোট মির্জাপুর গ্রামেই ৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। তাঁরা ভারতে প্রশিক্ষণ শেষে দেশে এসে ৬ নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন। চলতি বছরের ১৭ জুলাই সড়কগুলোর নামকরণের পর মুক্তিযোদ্ধা এবং এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নামফলকগুলো সড়কে স্থাপন করা হয়েছে।
৭ বীরের নামে নামকরণকৃত সড়কগুলো হল-বিশ্বরোড থেকে পাতারিটারী ভায়া ছোট মির্জাপুরগামী ১ কিলোমিটার পর্যন্ত 'মশিউর রহমান সড়ক', বিশ্বরোড থেকে ছোট মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভায়া ছোট মির্জাপুরগামী ১ কিলোমিটার পর্যন্ত 'নুরুল ইসলাম সড়ক', বড়দরগাহ থেকে মথুরাপুরগামী ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত 'জিল্লুর রহমান সড়ক', বড়দরগাহ-ভেন্ডাবাড়ী সড়ক থেকে ট্যাংক রোড দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত 'নুরুল হক সড়ক (চেয়ারম্যান) ', বিশ্বরোড থেকে শাহাপাড়া হাজীপুরগামী ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত 'সেকেন্দার আলী সড়ক', বড়দরগাহ-শানেরহাটগামী দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত 'আনছার আলী সড়ক' এবং বিশমাইল থেকে গুর্জিপাড়াগামী ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত 'নুরুল ইসলাম সড়ক'।
এ বিষয়ে গুর্জিপাড়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের সহযোদ্ধা চেয়ারম্যান নুরুল হকের চিন্তা চেতনা থেকে পীরগঞ্জের মধ্যে আমরাই একমাত্র বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়কের নামকরণ করেছি। এ জন্য চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানাই।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান বলেন, উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের নামে তৈরিকৃত সড়কগুলো পাকা ও সংস্কারের জন্য স্থানীয় এমপি স্পিকার ডক্টর শিরিন শারমিন চৌধুরীর কাছে অনুরোধ করছি।
মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়কের নামকরণের উদ্যোক্তা চেয়ারম্যান নুরুল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করে রাখতে এবং আগামী প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতেই আমি নিজস্ব অর্থায়নে আমার ইউনিয়নে ও গ্রামে সাত বীর মুক্তিযোদ্ধার নামে ৭টি সড়কের নামকরণ করেছি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলেও সড়কগুলো উদ্বোধন করা হবে।
চেয়ারম্যান নুরুল হক আরও বলেন, দেশের সব মুক্তিযোদ্ধার কবরের ডিজাইন একই করার পরিকল্পনা সরকার গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুস সাত্তার মণ্ডল বলেন, উপজেলায় প্রথম বড়দরগাহ ইউনিয়নে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়কের নামকরণ হওয়ায় আমরা আনন্দিত। জীবনের শেষ বয়সে মুক্তিযোদ্ধাদের এমন সম্মানে আমরা অভিভূত। আগামী প্রজন্ম মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করলে পরপারে আমাদের আত্মা সন্তুষ্টি পাবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে