প্রতিনিধি, রংপুর

রংপুর বিভাগের আট জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ও শনাক্তের হার কমেছে। এ সময়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৫ জন। তবে নমুনা পরীক্ষা বেশি হওয়ায় শনাক্তের হার অনুযায়ী এই সংখ্যা গত কয়েক দিনের তুলনায় কম। আজ শুক্রবার দুপুরে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবু মো. জাকিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৮০৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আক্রান্তের হার ১৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গত কয়েক দিনে শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের ঘরে ছিল। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে দিনাজপুরের ২৬৪ জন, রংপুরের ১১৬ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ৮৬ জন, নীলফামারীর ৮০ জন, কুড়িগ্রামের ৬৫ জন, পঞ্চগড়ের ৬৩ জন, গাইবান্ধার ৫১ ও লালমনিরহাটের ২০ জন রয়েছে।
মৃতদের মধ্যে রংপুর জেলার দুজনসহ দিনাজপুর, নীলফামারী ও পঞ্চগড়ের একজন করে রয়েছেন। নতুন করে মারা যাওয়া পাঁচজনসহ বিভাগে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭১৬ জনে। এর মধ্যে দিনাজপুরে ২৩৭ জন, রংপুরে ১৪৪, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩৪, নীলফামারীতে ৫১, লালমনিরহাটে ৪৩, কুড়িগ্রামে ৩৮, পঞ্চগড়ে ৩৫ ও গাইবান্ধার ৩৪ জন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৯৬ জন।
রংপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায় বলেন, লকডাউনের কারণে রাস্তায় মানুষ চলাচল সীমিত হয়েছিল। এর প্রভাবে হয়তো করোনা শনাক্তের হার কমেছে। তবে লকডাউন শিথিলের এক সপ্তাহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় এ সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে।

রংপুর বিভাগের আট জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ও শনাক্তের হার কমেছে। এ সময়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৫ জন। তবে নমুনা পরীক্ষা বেশি হওয়ায় শনাক্তের হার অনুযায়ী এই সংখ্যা গত কয়েক দিনের তুলনায় কম। আজ শুক্রবার দুপুরে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবু মো. জাকিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৮০৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আক্রান্তের হার ১৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। গত কয়েক দিনে শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের ঘরে ছিল। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে দিনাজপুরের ২৬৪ জন, রংপুরের ১১৬ জন, ঠাকুরগাঁওয়ের ৮৬ জন, নীলফামারীর ৮০ জন, কুড়িগ্রামের ৬৫ জন, পঞ্চগড়ের ৬৩ জন, গাইবান্ধার ৫১ ও লালমনিরহাটের ২০ জন রয়েছে।
মৃতদের মধ্যে রংপুর জেলার দুজনসহ দিনাজপুর, নীলফামারী ও পঞ্চগড়ের একজন করে রয়েছেন। নতুন করে মারা যাওয়া পাঁচজনসহ বিভাগে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭১৬ জনে। এর মধ্যে দিনাজপুরে ২৩৭ জন, রংপুরে ১৪৪, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৩৪, নীলফামারীতে ৫১, লালমনিরহাটে ৪৩, কুড়িগ্রামে ৩৮, পঞ্চগড়ে ৩৫ ও গাইবান্ধার ৩৪ জন রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩৯৬ জন।
রংপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. হিরম্ব কুমার রায় বলেন, লকডাউনের কারণে রাস্তায় মানুষ চলাচল সীমিত হয়েছিল। এর প্রভাবে হয়তো করোনা শনাক্তের হার কমেছে। তবে লকডাউন শিথিলের এক সপ্তাহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যথায় এ সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে