শিপুল ইসলাম, রংপুর

রংপুর সদরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে নিম্নমানের ইট-বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এসব ব্যবহারের প্রতিবাদ করায় প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছনা ও এক অভিভাবক সদস্যকে মারধর করা হয়েছে। তবে, এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঠিকাদার।
সদর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জানা গেছে, রংপুর সদরের বুড়িরহাট বাহাদুরসিংহ উত্তরপাড়া এলাকার কোবারু গোয়ালঝাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবন নির্মাণের জন্য ১ কোটি ১৯ লাখ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়টি নির্মাণের কাজ পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ঠিকাদার হাফিজুর রহমান। বর্তমানে বিদ্যালয়টির দ্বিতীয় তলার কাজ চলছে। কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ৩১ জুলাইের মধ্যে।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ও বালু ব্যবহার করে কাজ করছেন ঠিকাদার। নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করছেন না। ঠিকাদার স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় কেউ কিছু বলতে পারছেন না। বললেও ঠিকাদার তা কানে নিচ্ছেন না। এভাবে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণকাজ চলতে থাকলে ভবনটি হুমকিতে পড়বে। ঝুঁকি নিয়ে শিশু-শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে হবে।
গতকাল বুধবার দুপুরে সরেজমিন জানা গেছে, ভবনের দোতলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছে। ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ইটের খোয়া ও বালু। নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কাজ করার আগে কাজের সাইনবোর্ড ঝুলাতে হবে। সেখানে কাজের পরিমাণ, অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ, ঠিকাদারের নাম ও মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়া থাকবে। কিন্তু সেখানে কাজের কোনো সাইনবোর্ড ঝোলানো হয়নি। এ কারণে সেখানে কত টাকার কাজ চলছে তা এলাকার মানুষ জানতে পারছেন না।
ঢালাই কাজের মিস্ত্রি বকুল মিয়া বলেন, ‘ইটের খোয়াগুলো অনেক বড় হওয়ায় তা ছাদে ঠিকভাবে বসছে না। খোয়ার হিসেবে বালুর পরিমাণটা দেওয়া হচ্ছে অনেক কম।’
নিম্নমানের বালু ও ইটের বড় বড় খোয়া ব্যবহার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মোসলেম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘সেখানে রডও কম ব্যবহার করা হয়েছে। সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে একবারেই কম। এভাবে কাজ চলতে থাকলে ভবনটি ভেঙে পড়ার হুমকিতে থাকবে।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোখলেছার রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপসহকারী প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে নিম্নমানের কাজ চলছে। নিয়ম অনুযায়ী কাজ করার কথা বলায় ঠিকাদার হাফিজুর আমাকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে মারতে আসেন। ঠিকাদার আমাকে বলেন, “বুঝতে হবে, এটা অনেক আগের কাজ। রড ও ইটের দাম কম করে ধরা আছে। কাজ করে দিচ্ছি এটাই বেশি।” এ কারণে কাজ নিয়ে আর কোনো কথা বলছি না।’
নিম্নমানের ইটের খোয়া বাইরে থেকে এনে ছাদ ঢালাই করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘রাতেও ঢালাইয়ের কাজ চলছে। প্রতিবাদ করায় আমার গলা চেপে ধরে মারধর করেন ঠিকাদার। বলেন, “তুই কেন সারা দিন বিদ্যালয়ে আসিস, তোর কারণে সাংবাদিক বিদ্যালয়ে আসার সাহস পায়ছে।”’
নিম্নমানের ইট-বালু ও রড কম ব্যবহারের বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে সদর উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, ছাদে বেশি করে রড ব্যবহার করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের জীবন বাঁচে না, আর কাজের সাইনবোর্ড ঝুলাই কখন?’ ঠিকাদারের পক্ষে সাফাই গেয়ে ওই উপসহকারী প্রকৌশলী বলেন, ‘বরাদ্দে ৭১ টাকা কেজি রড ধরা আছে, ইটও ধরা আছে কম দামে। এরপরও ঠিকাদার কাজ করছেন—এটাই অনেক বেশি।’
ঠিকাদার হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভাই, নিম্নমানের কাজ করলে বাধা দেবেন ইঞ্জিনিয়ার অফিসের লোকজন। কাজের সময় তাঁরা তো উপস্থিত থাকেন। তাঁরা কাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এলাকার কিছু মানুষ চাঁদা না পেয়ে কাজে বাধা সৃষ্টি করছেন।’ তিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও অভিভাবক সদস্য সাইফুলকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সদর উপজেলা প্রকৌশলী আহমেদ হায়দার বলেন, ‘আমাদের কাজে ১৯-২০ হতে পারে। কিন্তু এর বেশি নয়। ওই বিদ্যালয়ে আমার অফিসের ইঞ্জিনিয়ার আছেন। সেখানে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি দেখা হবে।’

রংপুর সদরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে নিম্নমানের ইট-বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এসব ব্যবহারের প্রতিবাদ করায় প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছনা ও এক অভিভাবক সদস্যকে মারধর করা হয়েছে। তবে, এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঠিকাদার।
সদর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে জানা গেছে, রংপুর সদরের বুড়িরহাট বাহাদুরসিংহ উত্তরপাড়া এলাকার কোবারু গোয়ালঝাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবন নির্মাণের জন্য ১ কোটি ১৯ লাখ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়টি নির্মাণের কাজ পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ঠিকাদার হাফিজুর রহমান। বর্তমানে বিদ্যালয়টির দ্বিতীয় তলার কাজ চলছে। কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ৩১ জুলাইের মধ্যে।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ও বালু ব্যবহার করে কাজ করছেন ঠিকাদার। নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করছেন না। ঠিকাদার স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় কেউ কিছু বলতে পারছেন না। বললেও ঠিকাদার তা কানে নিচ্ছেন না। এভাবে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণকাজ চলতে থাকলে ভবনটি হুমকিতে পড়বে। ঝুঁকি নিয়ে শিশু-শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে হবে।
গতকাল বুধবার দুপুরে সরেজমিন জানা গেছে, ভবনের দোতলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলছে। ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ইটের খোয়া ও বালু। নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কাজ করার আগে কাজের সাইনবোর্ড ঝুলাতে হবে। সেখানে কাজের পরিমাণ, অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ, ঠিকাদারের নাম ও মোবাইল ফোন নম্বর দেওয়া থাকবে। কিন্তু সেখানে কাজের কোনো সাইনবোর্ড ঝোলানো হয়নি। এ কারণে সেখানে কত টাকার কাজ চলছে তা এলাকার মানুষ জানতে পারছেন না।
ঢালাই কাজের মিস্ত্রি বকুল মিয়া বলেন, ‘ইটের খোয়াগুলো অনেক বড় হওয়ায় তা ছাদে ঠিকভাবে বসছে না। খোয়ার হিসেবে বালুর পরিমাণটা দেওয়া হচ্ছে অনেক কম।’
নিম্নমানের বালু ও ইটের বড় বড় খোয়া ব্যবহার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মোসলেম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘সেখানে রডও কম ব্যবহার করা হয়েছে। সিমেন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে একবারেই কম। এভাবে কাজ চলতে থাকলে ভবনটি ভেঙে পড়ার হুমকিতে থাকবে।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোখলেছার রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপসহকারী প্রকৌশলীর উপস্থিতিতে নিম্নমানের কাজ চলছে। নিয়ম অনুযায়ী কাজ করার কথা বলায় ঠিকাদার হাফিজুর আমাকে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে মারতে আসেন। ঠিকাদার আমাকে বলেন, “বুঝতে হবে, এটা অনেক আগের কাজ। রড ও ইটের দাম কম করে ধরা আছে। কাজ করে দিচ্ছি এটাই বেশি।” এ কারণে কাজ নিয়ে আর কোনো কথা বলছি না।’
নিম্নমানের ইটের খোয়া বাইরে থেকে এনে ছাদ ঢালাই করা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যালয়ের অভিভাবক সদস্য সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘রাতেও ঢালাইয়ের কাজ চলছে। প্রতিবাদ করায় আমার গলা চেপে ধরে মারধর করেন ঠিকাদার। বলেন, “তুই কেন সারা দিন বিদ্যালয়ে আসিস, তোর কারণে সাংবাদিক বিদ্যালয়ে আসার সাহস পায়ছে।”’
নিম্নমানের ইট-বালু ও রড কম ব্যবহারের বিষয়ে আজকের পত্রিকাকে সদর উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম বলেন, ছাদে বেশি করে রড ব্যবহার করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের জীবন বাঁচে না, আর কাজের সাইনবোর্ড ঝুলাই কখন?’ ঠিকাদারের পক্ষে সাফাই গেয়ে ওই উপসহকারী প্রকৌশলী বলেন, ‘বরাদ্দে ৭১ টাকা কেজি রড ধরা আছে, ইটও ধরা আছে কম দামে। এরপরও ঠিকাদার কাজ করছেন—এটাই অনেক বেশি।’
ঠিকাদার হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভাই, নিম্নমানের কাজ করলে বাধা দেবেন ইঞ্জিনিয়ার অফিসের লোকজন। কাজের সময় তাঁরা তো উপস্থিত থাকেন। তাঁরা কাজ দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু এলাকার কিছু মানুষ চাঁদা না পেয়ে কাজে বাধা সৃষ্টি করছেন।’ তিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও অভিভাবক সদস্য সাইফুলকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সদর উপজেলা প্রকৌশলী আহমেদ হায়দার বলেন, ‘আমাদের কাজে ১৯-২০ হতে পারে। কিন্তু এর বেশি নয়। ওই বিদ্যালয়ে আমার অফিসের ইঞ্জিনিয়ার আছেন। সেখানে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি দেখা হবে।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৬ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে