ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানির নালা থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের দুধিপুর এলাকা থেকে ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সঞ্জিত রায় (৩২) ওই এলাকার খগেশ্বর রায়ের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ছিলেন। তাঁর এক সন্তান রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর ওয়াপদায় কাজ করতেন সঞ্জিত রায়। কাজ না থাকায় কিছুদিন যাবৎ তিনি বাড়িতেই ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ঈদের দিন বিকেলে বাড়ি থেকে বের হন সঞ্জিত। এরপর সন্ধ্যায় উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের দুধিপুর এলাকায় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নালায় সঞ্জিত রায়কে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা তাঁর বড় বোনজামাই তপন রায়কে খবর দেয়। তিনি এসে তাঁকে উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সঞ্জিত রায়ের ভগ্নিপতি তপন রায় জানান, তিনি স্থানীয় ধাপের বাজার নামক স্থানে অবস্থানকালে সন্ধ্যায় খবর পান তাঁর বড় শ্যালক তাপবিদ্যুতের ক্যানেলে পড়ে আছে। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
তিনি বলেন, ক্যানেলের পাশে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পড়ে ছিল। তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সারোয়ার হোসেন (ভারপ্রাপ্ত) জানান, সঞ্জিত রায়কে মৃত অবস্থায় রাত ৮টা ১০ মিনিটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক সুরতহালে তাঁর মাথার পেছনে এবং দুই পায়ের হাঁটুতে ও বাঁ পায়ের বুড়ো আঙুলে ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানির নালা থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের দুধিপুর এলাকা থেকে ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সঞ্জিত রায় (৩২) ওই এলাকার খগেশ্বর রায়ের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি ছিলেন। তাঁর এক সন্তান রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সৈয়দপুর ওয়াপদায় কাজ করতেন সঞ্জিত রায়। কাজ না থাকায় কিছুদিন যাবৎ তিনি বাড়িতেই ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার ঈদের দিন বিকেলে বাড়ি থেকে বের হন সঞ্জিত। এরপর সন্ধ্যায় উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের দুধিপুর এলাকায় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নালায় সঞ্জিত রায়কে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা তাঁর বড় বোনজামাই তপন রায়কে খবর দেয়। তিনি এসে তাঁকে উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সঞ্জিত রায়ের ভগ্নিপতি তপন রায় জানান, তিনি স্থানীয় ধাপের বাজার নামক স্থানে অবস্থানকালে সন্ধ্যায় খবর পান তাঁর বড় শ্যালক তাপবিদ্যুতের ক্যানেলে পড়ে আছে। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।
তিনি বলেন, ক্যানেলের পাশে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পড়ে ছিল। তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সারোয়ার হোসেন (ভারপ্রাপ্ত) জানান, সঞ্জিত রায়কে মৃত অবস্থায় রাত ৮টা ১০ মিনিটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক সুরতহালে তাঁর মাথার পেছনে এবং দুই পায়ের হাঁটুতে ও বাঁ পায়ের বুড়ো আঙুলে ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে।
ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে