বালিয়াডাঙ্গী (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনের ২ নং ওয়ার্ড তথা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে আজ সোমবার দুপুর ২টায়। এরই মধ্যে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছেন ২ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র রায়।
ফলাফলে সাধারণ সদস্য পদে ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে সফিকুল ইসলাম তালা প্রতীকে ৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হবিবুর রহমান টিউবওয়েল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৯টি।
এদিকে অপর দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আলী আফসার অটোরিকশা প্রতীকে এবং বাবুল আকতার হাতি প্রতীকে ১টি করে ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র রায় আজকের পত্রিকাকে জানান, আজ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভাবে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন ১০৬ জন ভোটার। একজন ভোটার অনুপস্থিত ছিলেন। বেসরকারিভাবে জেলা পরিষদের ২ নং ওয়ার্ড তথা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা থেকে সফিকুল ইসলামকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দলিল উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাপ্ত বৈধ মোট ভোটারের মধ্যে ৮ ভাগের ১ ভাগের কম ভোট পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনের ২ নং ওয়ার্ড তথা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় দুই জন সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থী ১টি করে ভোট পেয়েছেন। সুতরাং তাঁরা নিজেদের জামানত হারালেন।’
অপর দিকে সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য পদে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ৭ প্রার্থীর মধ্যে আফসানা আখতার ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ ভোট, দ্রৌপদী দেবী আগারওয়ালা টেবিলঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ ভোট, মহসেনা বেগম হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ২ ভোট, সুরাইয়া জেসমিন বিউটি কম্পিউটার প্রতীকে ২৩টি ভোট, হুসনেয়ারা হক বই প্রতীকে ১টি ভোট, কানন রায় দোয়াত কলম প্রতীকে এবং হালিমা খাতুন মাইক প্রতীকে কোনো ভোট পাননি।

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনের ২ নং ওয়ার্ড তথা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে আজ সোমবার দুপুর ২টায়। এরই মধ্যে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছেন ২ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র রায়।
ফলাফলে সাধারণ সদস্য পদে ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে সফিকুল ইসলাম তালা প্রতীকে ৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হবিবুর রহমান টিউবওয়েল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১৯টি।
এদিকে অপর দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আলী আফসার অটোরিকশা প্রতীকে এবং বাবুল আকতার হাতি প্রতীকে ১টি করে ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।
প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র রায় আজকের পত্রিকাকে জানান, আজ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভাবে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন ১০৬ জন ভোটার। একজন ভোটার অনুপস্থিত ছিলেন। বেসরকারিভাবে জেলা পরিষদের ২ নং ওয়ার্ড তথা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা থেকে সফিকুল ইসলামকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দলিল উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাপ্ত বৈধ মোট ভোটারের মধ্যে ৮ ভাগের ১ ভাগের কম ভোট পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়। ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনের ২ নং ওয়ার্ড তথা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় দুই জন সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থী ১টি করে ভোট পেয়েছেন। সুতরাং তাঁরা নিজেদের জামানত হারালেন।’
অপর দিকে সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য পদে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ৭ প্রার্থীর মধ্যে আফসানা আখতার ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ ভোট, দ্রৌপদী দেবী আগারওয়ালা টেবিলঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭ ভোট, মহসেনা বেগম হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ২ ভোট, সুরাইয়া জেসমিন বিউটি কম্পিউটার প্রতীকে ২৩টি ভোট, হুসনেয়ারা হক বই প্রতীকে ১টি ভোট, কানন রায় দোয়াত কলম প্রতীকে এবং হালিমা খাতুন মাইক প্রতীকে কোনো ভোট পাননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে