নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারীর ডালিয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ডিমলা, জলঢাকা; লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধার তিস্তা নদী অববাহিকার চরাঞ্চল, গ্রামসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া ডিমলা উপজেলার কিছামত ছাতনাই, ঝাড় শিঙ্গেশ্বর, চর খড়িবাড়ি, পূর্ব খড়িবাড়ি, পশ্চিম খড়িবাড়ি, তিস্তা বাজার, তেলির বাজার, বাইশপুকুর, ঝুনাগাছ চাঁপানীর ছাতুনামা, কেল্লাপাড়া ও ভেন্ডাবাড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ডিমলা উপজেলার নদীর তীরবর্তী ছয়টি ইউনিয়নের ১৫টি চরের প্রায় ১০ হাজার পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।
ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল হক বলেন, উজানের ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। মাইকিং করে চরাঞ্চলের মানুষকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছে।
পাউবোর তিস্তা ব্যারাজের গেজ পাঠক (পানি পরিমাপক) মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আজ সকাল ৬টার দিকে ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ও ৯টার দিকে ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। দুপুর ১২টায় পানি বেড়ে বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার ও দুপুর ২টায় ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ওই পয়েন্টে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদৌলা বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি দরজা খুলে বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। তবে পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। একই সঙ্গে সন্ধ্যার পর থেকে পানি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারীর ডালিয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ডিমলা, জলঢাকা; লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধার তিস্তা নদী অববাহিকার চরাঞ্চল, গ্রামসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া ডিমলা উপজেলার কিছামত ছাতনাই, ঝাড় শিঙ্গেশ্বর, চর খড়িবাড়ি, পূর্ব খড়িবাড়ি, পশ্চিম খড়িবাড়ি, তিস্তা বাজার, তেলির বাজার, বাইশপুকুর, ঝুনাগাছ চাঁপানীর ছাতুনামা, কেল্লাপাড়া ও ভেন্ডাবাড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে ডিমলা উপজেলার নদীর তীরবর্তী ছয়টি ইউনিয়নের ১৫টি চরের প্রায় ১০ হাজার পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।
ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ময়নুল হক বলেন, উজানের ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। মাইকিং করে চরাঞ্চলের মানুষকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছে।
পাউবোর তিস্তা ব্যারাজের গেজ পাঠক (পানি পরিমাপক) মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আজ সকাল ৬টার দিকে ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ও ৯টার দিকে ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। দুপুর ১২টায় পানি বেড়ে বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার ও দুপুর ২টায় ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ওই পয়েন্টে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদৌলা বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি দরজা খুলে বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। তবে পানি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। একই সঙ্গে সন্ধ্যার পর থেকে পানি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে