দিনাজপুর প্রতিনিধি

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছি। আমাদের সন্তানেরা রক্ত দিয়ে এই সত্য প্রমাণ করেছে। আগামীর নির্বাচন আমাদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের সুযোগ।’
আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম-২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে একটা ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছি। আমার এই কথা যে সঠিক আমাদের সন্তানেরা তা রক্ত দিয়ে বলে গেছে। তাহলে এই নির্বাচনের সঙ্গে সকলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। আগামীর নির্বাচন হলো আমাদের সকলের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের নির্বাচন।’
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা একতাবদ্ধভাবে, নিরপেক্ষভাবে একটি সুষ্ঠু, উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে চাই, যেখানে পরাজিত প্রার্থী বিজয়ী প্রার্থীকে হাসিমুখে অভিনন্দন জানাবে। এটাই হবে জনগণের সিদ্ধান্ত। সামনের নির্বাচন আমাদের জন্য একটি রিফাইনিং নির্বাচন। এখানে সবাইকে সমভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচন কমিশন রংবিহীন, চেহারাবিহীন একটি প্রতিষ্ঠান। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা যা দরকার আমরা তাই তাই করব। আমরা আমাদের সন্তানদের প্রতি ফোঁটা রক্তের ঋণ পরিশোধ করব ইনশা আল্লাহ।’
এ সময় আরও বক্তব্য দেন দিনাজপুর জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম, রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম ও জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম।
সভায় দিনাজপুর সদর উপজেলার ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম-২০২৫-এর তথ্যসংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছি। আমাদের সন্তানেরা রক্ত দিয়ে এই সত্য প্রমাণ করেছে। আগামীর নির্বাচন আমাদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের সুযোগ।’
আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম-২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে একটা ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছি। আমার এই কথা যে সঠিক আমাদের সন্তানেরা তা রক্ত দিয়ে বলে গেছে। তাহলে এই নির্বাচনের সঙ্গে সকলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। আগামীর নির্বাচন হলো আমাদের সকলের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের নির্বাচন।’
নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা একতাবদ্ধভাবে, নিরপেক্ষভাবে একটি সুষ্ঠু, উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দিতে চাই, যেখানে পরাজিত প্রার্থী বিজয়ী প্রার্থীকে হাসিমুখে অভিনন্দন জানাবে। এটাই হবে জনগণের সিদ্ধান্ত। সামনের নির্বাচন আমাদের জন্য একটি রিফাইনিং নির্বাচন। এখানে সবাইকে সমভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচন কমিশন রংবিহীন, চেহারাবিহীন একটি প্রতিষ্ঠান। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা যা দরকার আমরা তাই তাই করব। আমরা আমাদের সন্তানদের প্রতি ফোঁটা রক্তের ঋণ পরিশোধ করব ইনশা আল্লাহ।’
এ সময় আরও বক্তব্য দেন দিনাজপুর জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম, রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম ও জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম।
সভায় দিনাজপুর সদর উপজেলার ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম-২০২৫-এর তথ্যসংগ্রহকারী, সুপারভাইজার ও রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে