রেজা মাহমুদ, সৈয়দপুর (নীলফামারী)

নীলফামারীর চিলাহাটি থেকে সৈয়দপুর হয়ে রাজশাহী রুটে বরেন্দ্র ও তিতুমীর এক্সপ্রেস নামের দুটি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন এ দুই ট্রেনে ১০ থেকে ১২ হাজার যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। অথচ মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন কোচ দিয়ে চলছে ট্রেন দুটি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে ইন্দোনেশিয়া থেকে বেশ কয়েকটি কোচ আমদানি করা হয়। প্রথমে সেগুলো ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-চিলাহাটি ও চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটের বিভিন্ন ট্রেনে যুক্ত করা হয়। একপর্যায়ে সেগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়লে ২০১৭ সালে এসব বগি দিয়ে রূপসা ও সীমান্ত আন্তনগর ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়। এ নিয়ে আজকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর সেই রুট থেকে সরিয়ে ২০২৩ সালে রাজশাহী- চিলাহাটি রুটে বরেন্দ্র ও তিতুমীর ট্রেনে বগিগুলো যুক্ত করা হয়।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা বরেন্দ্র ট্রেনটি ৯টি কোচের পরিবর্তে মাত্র ৬টি কোচ নিয়ে চলাচল করছে। প্রতিটি কোচ জরাজীর্ণ। কোনো কোনো বগির চেয়ার ভাঙা, বেশির ভাগ জানালাও ভাঙা। ট্রেন দুটির বড় সমস্যা, অর্ধেক জানালা খোলা যায় না। ফ্যান থাকলেও সেগুলো নষ্ট। ফলে এই তীব্র গরমে কষ্ট করে যাত্রীদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। একই চিত্র তিতুমীর ট্রেনেরও।
বরেন্দ্র ও তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিয়মিত যাত্রী শাওন জামান। তিনি বলেন, টয়লেটে পানি থাকে না। ট্রেনের চেয়ার ভাঙা। জানালা খোলা যায় না, ঘোরে না ফ্যানের পাখা। এ অবস্থায় গরমে এই ট্রেনে ভ্রমণ করাই দুরূহ। তারপরও বাধ্য হয়ে চলাচল করতে হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ট্রেন পরীক্ষক বলেন, ট্রেনের বগিগুলো স্থাপন করা থাকে ট্রলির ওপর। এই ট্রলি স্থাপন করা হয় চাকার ফ্রেমে। এর মাঝে থাকে স্প্রিং এবং সূক্ষ্ম কিছু যন্ত্রাংশ। চারটি স্প্রিং পুরো কোচের ওজন বহন করে। চলাচল করলে বল বিয়ারিং, স্প্রিং ও চাকা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। এগুলো নিয়মিত সার্ভিসিং করতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৫ বছর পরপর স্প্রিং পরিবর্তন করতে হয়। কিন্তু ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা বরেন্দ্র ও তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের কোচগুলোর স্প্রিং পরিবর্তন করা হয়নি। উল্টো জনবল না থাকায় ঠিকঠাক সার্ভিসিংও করা হচ্ছে না। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঝুঁকি বাড়ছে।
ওই পরীক্ষক আরও বলেন, বগির স্প্রিং পরিবর্তন না করে স্প্রিংয়ের নিচে প্লেট ঢুকিয়ে প্যাকিং দিয়ে উচ্চতা বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই প্যাকিং খুলে যাচ্ছে। কোচগুলো ভার বহন করতে পারছে না। ট্রেনে অতিরিক্ত ঝাঁকুনি হচ্ছে।
সৈয়দপুর রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার ওবাইদুল ইসলাম বলেন, ‘কোচগুলোতে প্রায়ই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। যান্ত্রিক ত্রুটি হতে হতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের ৩টি কোচ খুলে রাখা হয়েছে প্রায় এক মাস ধরে। এতে আমরা স্বল্প দূরত্বের কোনো স্টেশনের টিকিটই দিতে পারছি না। টিকিট না পেয়ে বাধ্য হয়ে যাত্রীরা দাঁড়িয়েই যাচ্ছে। এর ফলে অনেকেই টিকিট কাটছে না। এতে রেলওয়ে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ ছাড়া ট্রেন দুটির যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায়ই শিডিউল বিপর্যয় হয়।’

নীলফামারীর চিলাহাটি থেকে সৈয়দপুর হয়ে রাজশাহী রুটে বরেন্দ্র ও তিতুমীর এক্সপ্রেস নামের দুটি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন এ দুই ট্রেনে ১০ থেকে ১২ হাজার যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। অথচ মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন কোচ দিয়ে চলছে ট্রেন দুটি।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে ইন্দোনেশিয়া থেকে বেশ কয়েকটি কোচ আমদানি করা হয়। প্রথমে সেগুলো ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-চিলাহাটি ও চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটের বিভিন্ন ট্রেনে যুক্ত করা হয়। একপর্যায়ে সেগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়লে ২০১৭ সালে এসব বগি দিয়ে রূপসা ও সীমান্ত আন্তনগর ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়। এ নিয়ে আজকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর সেই রুট থেকে সরিয়ে ২০২৩ সালে রাজশাহী- চিলাহাটি রুটে বরেন্দ্র ও তিতুমীর ট্রেনে বগিগুলো যুক্ত করা হয়।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা বরেন্দ্র ট্রেনটি ৯টি কোচের পরিবর্তে মাত্র ৬টি কোচ নিয়ে চলাচল করছে। প্রতিটি কোচ জরাজীর্ণ। কোনো কোনো বগির চেয়ার ভাঙা, বেশির ভাগ জানালাও ভাঙা। ট্রেন দুটির বড় সমস্যা, অর্ধেক জানালা খোলা যায় না। ফ্যান থাকলেও সেগুলো নষ্ট। ফলে এই তীব্র গরমে কষ্ট করে যাত্রীদের যাতায়াত করতে হচ্ছে। একই চিত্র তিতুমীর ট্রেনেরও।
বরেন্দ্র ও তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের নিয়মিত যাত্রী শাওন জামান। তিনি বলেন, টয়লেটে পানি থাকে না। ট্রেনের চেয়ার ভাঙা। জানালা খোলা যায় না, ঘোরে না ফ্যানের পাখা। এ অবস্থায় গরমে এই ট্রেনে ভ্রমণ করাই দুরূহ। তারপরও বাধ্য হয়ে চলাচল করতে হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ট্রেন পরীক্ষক বলেন, ট্রেনের বগিগুলো স্থাপন করা থাকে ট্রলির ওপর। এই ট্রলি স্থাপন করা হয় চাকার ফ্রেমে। এর মাঝে থাকে স্প্রিং এবং সূক্ষ্ম কিছু যন্ত্রাংশ। চারটি স্প্রিং পুরো কোচের ওজন বহন করে। চলাচল করলে বল বিয়ারিং, স্প্রিং ও চাকা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। এগুলো নিয়মিত সার্ভিসিং করতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৫ বছর পরপর স্প্রিং পরিবর্তন করতে হয়। কিন্তু ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা বরেন্দ্র ও তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেনের কোচগুলোর স্প্রিং পরিবর্তন করা হয়নি। উল্টো জনবল না থাকায় ঠিকঠাক সার্ভিসিংও করা হচ্ছে না। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঝুঁকি বাড়ছে।
ওই পরীক্ষক আরও বলেন, বগির স্প্রিং পরিবর্তন না করে স্প্রিংয়ের নিচে প্লেট ঢুকিয়ে প্যাকিং দিয়ে উচ্চতা বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু অল্প দিনের মধ্যেই প্যাকিং খুলে যাচ্ছে। কোচগুলো ভার বহন করতে পারছে না। ট্রেনে অতিরিক্ত ঝাঁকুনি হচ্ছে।
সৈয়দপুর রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার ওবাইদুল ইসলাম বলেন, ‘কোচগুলোতে প্রায়ই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। যান্ত্রিক ত্রুটি হতে হতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের ৩টি কোচ খুলে রাখা হয়েছে প্রায় এক মাস ধরে। এতে আমরা স্বল্প দূরত্বের কোনো স্টেশনের টিকিটই দিতে পারছি না। টিকিট না পেয়ে বাধ্য হয়ে যাত্রীরা দাঁড়িয়েই যাচ্ছে। এর ফলে অনেকেই টিকিট কাটছে না। এতে রেলওয়ে রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ ছাড়া ট্রেন দুটির যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায়ই শিডিউল বিপর্যয় হয়।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে বিএনপি প্রার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন প্রচারে অংশ নেওয়ার অভিযোগ তুলে তাঁর পদত্যাগের দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। একই সঙ্গে সম্প্রতি তিন শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম...
৩ মিনিট আগে
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি শুধু ঝালকাঠির নন, তিনি পুরো বাংলাদেশের সম্পদ। হাদি হত্যার বিচার অবশ্যই হবে—এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশুপার্ক...
৩২ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় এনসিপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
৪৪ মিনিট আগে
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) হওয়ার নিশ্চয়তা দিতে না পারলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার রাত ৯টার পর এই ঘোষণা না দিতে পারলে প্রশাসনকে পদত্যাগ করতে হবে বলে সাবধান করেন তারা।
১ ঘণ্টা আগে