গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুরে হাজি ওসমান গণি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে কলেজের ১৫ টির বেশি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে কলেজে অন্তত ১০টি পদে নিয়োগ-বাণিজ্য, স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর দুর্নীতির বিষয়ে পরিবেশ আন্দোলন, অভিভাবকসহ চারজন গত বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। গত সোমবার এ কমিটি গঠন করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জেলা পরিবেশ দপ্তরের অনুমতি ছাড়াই ওই অধ্যক্ষ কলেজ ক্যাম্পাসের ১৫ টির বেশি গাছ কেটেছেন; যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। গাছ কাটার ফলে কলেজ ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অধ্যক্ষ আব্দুল কাদেরের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের তাঁর নিয়মিত চাকরির মেয়াদ শেষ হয়েছিল। কিন্তু তিনি প্রভাব খাটিয়ে চাকরির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়িয়ে নিয়ে শুরু করেন কলেজে নিয়োগ-বাণিজ্য। চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর পর ওই অধ্যক্ষ নিয়মবহির্ভূত কলেজে অন্তত ১০টি শূন্য পদ এবং সৃষ্ট পদে গোপনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। এসব পদে নিয়োগে তিনি প্রায় কোটি টাকার নিয়োগ-বাণিজ্য করেছেন।
অভিযোগকারীদের মধ্যে একজন পরিবেশ আন্দোলনের সদস্য গোলাম রব্বানী মুসা বলেন, ‘আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) তদন্ত হবে। অভিযোগকারী হিসেবে আমাকে চিঠি দিয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে আমি আমার বক্তব্য পেশ করব।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘কিছু দিন হলো কলেজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি হচ্ছে। ১৫-১৬ বছর পর কলেজে অনেক নতুন মুখ দেখছি। প্রাচীরের নাম করে গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। এসবের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’
জানতে চাইলে গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করে অধ্যক্ষ আব্দুল কাদের বলেন, কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নিয়ে প্রাচীর নির্মাণের জন্য গাছ কাটা হয়েছে। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে কথা বলতে কলেজের ব্যবস্থাপনা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি কামরুল হাসান সেলিমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুরে হাজি ওসমান গণি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে কলেজের ১৫ টির বেশি গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে কলেজে অন্তত ১০টি পদে নিয়োগ-বাণিজ্য, স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর দুর্নীতির বিষয়ে পরিবেশ আন্দোলন, অভিভাবকসহ চারজন গত বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। গত সোমবার এ কমিটি গঠন করা হয়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, জেলা পরিবেশ দপ্তরের অনুমতি ছাড়াই ওই অধ্যক্ষ কলেজ ক্যাম্পাসের ১৫ টির বেশি গাছ কেটেছেন; যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪ লক্ষ টাকা। গাছ কাটার ফলে কলেজ ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অধ্যক্ষ আব্দুল কাদেরের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের তাঁর নিয়মিত চাকরির মেয়াদ শেষ হয়েছিল। কিন্তু তিনি প্রভাব খাটিয়ে চাকরির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়িয়ে নিয়ে শুরু করেন কলেজে নিয়োগ-বাণিজ্য। চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর পর ওই অধ্যক্ষ নিয়মবহির্ভূত কলেজে অন্তত ১০টি শূন্য পদ এবং সৃষ্ট পদে গোপনে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। এসব পদে নিয়োগে তিনি প্রায় কোটি টাকার নিয়োগ-বাণিজ্য করেছেন।
অভিযোগকারীদের মধ্যে একজন পরিবেশ আন্দোলনের সদস্য গোলাম রব্বানী মুসা বলেন, ‘আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) তদন্ত হবে। অভিযোগকারী হিসেবে আমাকে চিঠি দিয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে আমি আমার বক্তব্য পেশ করব।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘কিছু দিন হলো কলেজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি হচ্ছে। ১৫-১৬ বছর পর কলেজে অনেক নতুন মুখ দেখছি। প্রাচীরের নাম করে গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। এসবের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।’
জানতে চাইলে গাছ কাটার বিষয়টি স্বীকার করে অধ্যক্ষ আব্দুল কাদের বলেন, কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নিয়ে প্রাচীর নির্মাণের জন্য গাছ কাটা হয়েছে। তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে কথা বলতে কলেজের ব্যবস্থাপনা অ্যাডহক কমিটির সভাপতি কামরুল হাসান সেলিমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে