গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মাহমুদুল হক মামুনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে যুবদল নেতা পাপুল সরকারকে (৩৫) মারপিটের অভিযোগ উঠছে। আহত পাপুল সরকার গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি ওই ইউনিয়নের সাতানি সাদেকপুর গ্রামের মো. ডাবলু সরকারের ছেলে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শহর থেকে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে পাপুল সরকারের ওপর হামলা করে মারপিট করেন। প্রাণ বাঁচাতে ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী জাকির মিয়ার বাড়িতে গিয়ে পাপুল আশ্রয় নেন। সেখানেও তার ওপর হামলা করা হয়। জাকির মিয়ার বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। পরে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে আহত পাপুল সরকারকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল, জেলা যুবদলের সভাপতি রাগীব হাসান চৌধুরী, সিনিয়র সভাপতি শফিকুল ইসলাম লিপন, সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক ইউনুস আলী দুখু, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট খন্দকার আল আমিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহজালাল সরকার খোকনসহ অনেকেই হাসপাতালে ছুটে যান।
আহত পাপুল সরকার বলেন, ‘তুলসীঘাট বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিই। খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা সদস্যসচিব মাহমুদুল হক মামুন ও যুবলীগ নেতা রাজীবসহ বেশ কয়েকজন আমার পথ রোধ করে হঠাৎ মারপিট শুরু করে। আমাকে তাদের গাড়িতে জোরপূর্বক ওঠানোর চেষ্টা করে। এ সময় আমি দৌড়ে পার্শ্ববতী এক বাড়িতে আশ্রয় নিই। সেখানেও তারা হামলা করে।’
তিনি বলেন, ‘আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি।’
সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক ইউনুস আলী দুখু বলেন, ‘এভাবে জাতীয়তাবাদী একজন পরীক্ষিত সৈনিকের ওপর হামলা মেনে নেওয়া যায় না, যাবে না। যে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন লড়াই-সংগ্রাম করেছি, সেই দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে যুবদল নেতার ওপর হামলা করা ঠিক হয়নি। আমরা হামলার দ্রুত বিচার দাবি করছি।’
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহজালাল সরকার খোকন বলেন, ‘যুবদলের নেতার ওপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ করছি। যার আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, জাতীয়তাবাদী ছাতার নিচে সেই নেতার আশ্রয় হবে না। আমি বিষয়টি কেন্দ্রকে অবগত করব। তারা এ বিষয়ে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেবে।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হক মামুন বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম। তবে আমি এই হামলার সঙ্গে জড়িত নই।’

গাইবান্ধা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মাহমুদুল হক মামুনের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে যুবদল নেতা পাপুল সরকারকে (৩৫) মারপিটের অভিযোগ উঠছে। আহত পাপুল সরকার গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি ওই ইউনিয়নের সাতানি সাদেকপুর গ্রামের মো. ডাবলু সরকারের ছেলে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার রাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব শহর থেকে আওয়ামী লীগ-যুবলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে পাপুল সরকারের ওপর হামলা করে মারপিট করেন। প্রাণ বাঁচাতে ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী জাকির মিয়ার বাড়িতে গিয়ে পাপুল আশ্রয় নেন। সেখানেও তার ওপর হামলা করা হয়। জাকির মিয়ার বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। পরে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে আহত পাপুল সরকারকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খবর পেয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন্নবী টিটুল, জেলা যুবদলের সভাপতি রাগীব হাসান চৌধুরী, সিনিয়র সভাপতি শফিকুল ইসলাম লিপন, সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক ইউনুস আলী দুখু, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট খন্দকার আল আমিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহজালাল সরকার খোকনসহ অনেকেই হাসপাতালে ছুটে যান।
আহত পাপুল সরকার বলেন, ‘তুলসীঘাট বাজার থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিই। খামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা সদস্যসচিব মাহমুদুল হক মামুন ও যুবলীগ নেতা রাজীবসহ বেশ কয়েকজন আমার পথ রোধ করে হঠাৎ মারপিট শুরু করে। আমাকে তাদের গাড়িতে জোরপূর্বক ওঠানোর চেষ্টা করে। এ সময় আমি দৌড়ে পার্শ্ববতী এক বাড়িতে আশ্রয় নিই। সেখানেও তারা হামলা করে।’
তিনি বলেন, ‘আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি।’
সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক ইউনুস আলী দুখু বলেন, ‘এভাবে জাতীয়তাবাদী একজন পরীক্ষিত সৈনিকের ওপর হামলা মেনে নেওয়া যায় না, যাবে না। যে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন লড়াই-সংগ্রাম করেছি, সেই দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে যুবদল নেতার ওপর হামলা করা ঠিক হয়নি। আমরা হামলার দ্রুত বিচার দাবি করছি।’
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহজালাল সরকার খোকন বলেন, ‘যুবদলের নেতার ওপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ করছি। যার আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, জাতীয়তাবাদী ছাতার নিচে সেই নেতার আশ্রয় হবে না। আমি বিষয়টি কেন্দ্রকে অবগত করব। তারা এ বিষয়ে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেবে।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হক মামুন বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম। তবে আমি এই হামলার সঙ্গে জড়িত নই।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে