কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত ‘কৃষক সমাবেশে’ হামলার অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে এ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গতকাল রোববার রাতে সংগঠনের জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা নিজাম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদ বার্তায় জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘‘‘জামায়াত-শিবিরের হামলায় কৃষক সমাবেশ পণ্ড” শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচরে আসার পর থেকে আমরা মর্মাহত হয়ে উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে জামায়াত-শিবিরকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন যে সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে জনপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবিরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার যে অপচেষ্টা করা হয়েছে, আমি তাঁর নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এমন মিথ্যা, ভিত্তিহীন অপপ্রচারমূলক সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে সকলের প্রতি আহ্বান করছি।’
হামলার ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবাদ বার্তায় জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি দাবি করেছেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের ব্যানারে কৃষক সমাবেশে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের দূরতম কোনো সম্পর্ক বা সম্পৃক্ততা নেই।’
প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে দায় চাপানো হচ্ছে বলে দাবি জামায়াতের
এদিকে জামায়াতে ইসলামী রৌমারী উপজেলার নেতৃবৃন্দ দাবি করেছেন, কৃষক সমাবেশের নামে যে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল তাতে উপজেলার আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট চিহ্নিত লোকজন সংগঠিত হয়েছিল। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ‘কৃষক সমাবেশের’ নামে সেখানে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ লোকজনকে পুনর্বাসনের আয়োজন করেছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে বাধা দিয়েছে স্থানীয় জনতা। সেখানে জামায়াত বা শিবিরের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
জামায়াত বলছে, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন নামের সংগঠনটি কৃষক সমাবেশের নামে যে কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ তুলছে তার কোনো প্রশাসনিক অনুমতি তারা পায়নি। সংগঠনটি রৌমারী ও রাজিবপুরে মূলত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের চিহ্নিত লোকজনকে দলে ভিড়িয়ে তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে। ফ্যাসিস্ট পতিত সরকারের সমর্থকদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার মতো নিজেদের এমন কর্মকাণ্ড আড়াল করতেই তারা জামায়াত-শিবিরের ওপর হামলার দায় চাপানোর অপচেষ্টা করছে। জামায়াত এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
এ বিষয়ে জামায়াতের রৌমারী উপজেলা শাখার আমির হায়দার আলী বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন যে কৃষক সমাবেশের আয়োজন করেছিল, তার কোনো প্রশাসনিক কিংবা পুলিশি অনুমতি ছিল না। বাস্তবতা হলো কৃষক সমাবেশের আড়ালে সেখানে আওয়ামী লীগের চিহ্নিত লোকজন সংগঠিত হয়েছিল। স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা সেখানে বাধা দিয়েছে। জামায়াত বা শিবির সে ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবে জড়িত নয়।’
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের কাছে প্রশ্ন রেখে এই জামায়াত নেতা বলেন, ‘তাঁরা দাবি করেছেন হামলায় চার থেকে পাঁচজন আহত হয়েছেন। হামলা কিংবা হামলায় আহত হয়ে থাকলে আয়োজক ও নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলন করলেন কীভাবে? আহত হয়ে থাকলে তাঁদের তো চিকিৎসা নেওয়ার কথা। মূলত তাঁরা নিজেদের আওয়ামী সংশ্লিষ্টতা ঢাকতেই জামায়াতের ওপর ঢালাও অভিযোগ তুলছেন।’

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন কর্তৃক আয়োজিত ‘কৃষক সমাবেশে’ হামলার অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে এ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। গতকাল রোববার রাতে সংগঠনের জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা নিজাম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদ বার্তায় জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘‘‘জামায়াত-শিবিরের হামলায় কৃষক সমাবেশ পণ্ড” শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচরে আসার পর থেকে আমরা মর্মাহত হয়ে উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে জামায়াত-শিবিরকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন যে সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে জনপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্রশিবিরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার যে অপচেষ্টা করা হয়েছে, আমি তাঁর নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে এমন মিথ্যা, ভিত্তিহীন অপপ্রচারমূলক সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে সকলের প্রতি আহ্বান করছি।’
হামলার ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে প্রতিবাদ বার্তায় জামায়াতের জেলা সেক্রেটারি দাবি করেছেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের ব্যানারে কৃষক সমাবেশে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের দূরতম কোনো সম্পর্ক বা সম্পৃক্ততা নেই।’
প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে দায় চাপানো হচ্ছে বলে দাবি জামায়াতের
এদিকে জামায়াতে ইসলামী রৌমারী উপজেলার নেতৃবৃন্দ দাবি করেছেন, কৃষক সমাবেশের নামে যে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল তাতে উপজেলার আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট চিহ্নিত লোকজন সংগঠিত হয়েছিল। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ‘কৃষক সমাবেশের’ নামে সেখানে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ লোকজনকে পুনর্বাসনের আয়োজন করেছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে বাধা দিয়েছে স্থানীয় জনতা। সেখানে জামায়াত বা শিবিরের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
জামায়াত বলছে, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন নামের সংগঠনটি কৃষক সমাবেশের নামে যে কর্মসূচিতে হামলার অভিযোগ তুলছে তার কোনো প্রশাসনিক অনুমতি তারা পায়নি। সংগঠনটি রৌমারী ও রাজিবপুরে মূলত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের চিহ্নিত লোকজনকে দলে ভিড়িয়ে তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিয়েছে। ফ্যাসিস্ট পতিত সরকারের সমর্থকদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার মতো নিজেদের এমন কর্মকাণ্ড আড়াল করতেই তারা জামায়াত-শিবিরের ওপর হামলার দায় চাপানোর অপচেষ্টা করছে। জামায়াত এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
এ বিষয়ে জামায়াতের রৌমারী উপজেলা শাখার আমির হায়দার আলী বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন যে কৃষক সমাবেশের আয়োজন করেছিল, তার কোনো প্রশাসনিক কিংবা পুলিশি অনুমতি ছিল না। বাস্তবতা হলো কৃষক সমাবেশের আড়ালে সেখানে আওয়ামী লীগের চিহ্নিত লোকজন সংগঠিত হয়েছিল। স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা সেখানে বাধা দিয়েছে। জামায়াত বা শিবির সে ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবে জড়িত নয়।’
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের কাছে প্রশ্ন রেখে এই জামায়াত নেতা বলেন, ‘তাঁরা দাবি করেছেন হামলায় চার থেকে পাঁচজন আহত হয়েছেন। হামলা কিংবা হামলায় আহত হয়ে থাকলে আয়োজক ও নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলন করলেন কীভাবে? আহত হয়ে থাকলে তাঁদের তো চিকিৎসা নেওয়ার কথা। মূলত তাঁরা নিজেদের আওয়ামী সংশ্লিষ্টতা ঢাকতেই জামায়াতের ওপর ঢালাও অভিযোগ তুলছেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে