প্রদীপ কুমার গোস্বামী, মিঠাপুকুর

করোনা মহামারির এই সংকটময় সময়ে মিঠাপুকুর উপজেলায় অনন্য সহায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে ‘চলো করোনা জয় করি’ তহবিল। এই তহবিলের অর্থায়নে হতদরিদ্র পরিবারের শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের খাবার দেওয়া হচ্ছে। বাড়িসংলগ্ন পতিত জমিতে গড়ে দেওয়া হয়েছে সবজির খেত। আর করোনা রোগীদের চিকিৎসায় বিতরণ করা হচ্ছে নানা সহায়তা।
স্থানীয় সাংসদ এইচ এন আশিকুর রহমানের উদ্যোগে গঠিত চলো করোনা জয় করি তহবিলের অর্থায়নে এসব নাগরিকবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে উপজেলা প্রশাসন।
খাদ্যসহায়তা দিতে শিশুদের তালিকা করছে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। এই দপ্তরের পরিদর্শক মমিনুল হক জানান, অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের বয়স ছয় মাস হলেই তাকে খাবার দেওয়া হয় এবং ১২ মাস বয়স পর্যন্ত এই সুবিধা বহাল থাকছে।
প্রকল্পের সুবিধাভোগী শাবানা বেগম জানান, তাঁর স্বামী অটোচালক। লকডাউনের সময় রোজগার ছিল না বললেই চলে। তখন নয় মাস বয়সী মেয়ে ছোঁয়া মণির জন্য বিনা মূল্যে দুধ, চিনি ও সুজি পাওয়ায় খুব উপকার হয়েছে।
আরেক মা তানজিনা জানান, তিনি মেয়ে মালিহার জন্য পাওয়া খাবার তিন বছর বয়সী ছেলেকেও খাওয়াচ্ছেন।
এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, চলো করোনা জয় করি তহবিলের টাকায় ১৭ ইউনিয়নে ৩৪ হাজার পরিবারের বসতবাড়িতে গড়ে তোলা হয়েছে সবজির খেত। সাংসদ আশিকুর রহমান এসব খেতের নাম রেখেছেন ‘কিচেন গার্ডেন’। এই খেতে পেঁপেসহ সাত ধরনের সবজি চাষ করা হচ্ছে।
তহবিলের অর্থায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ছয়টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোশফিকুর রহমান। এর আগে করোনা থেকে সুরক্ষার জন্য বিতরণ করা হয় পিপিই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমাতুজ জোহরা বলেন, চলো করোনা জয় করি তহবিলের অর্থায়নে করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া অসচ্ছল পরিবারের ছয় থেকে ১২ মাস বয়সী শিশুদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে। ১৭ ইউনিয়নে এই কর্মসূচি চালু রয়েছে। হতদরিদ্র পরিবারের গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদেরও খাবার দেওয়া হয়েছে।
সব কমিউনিটি ক্লিনিকে পালস অক্সিমিটার এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীদের জন্য ওষুধ সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে ইউএনও জানান।
তহবিলের উদ্যোক্তা সাংসদ আশিকুর বলেন, ‘শিশুরা পরিবারের স্বপ্ন, জাতির ভবিষ্যৎ। তারা যদি পুষ্টিহীন হয়ে বেড়ে ওঠে তাহলে তো পরিবার ও জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হবে। এ কারণে প্রতি মাসে শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার যেমন দুধ, চিনি ও সুজি সরবরাহের ব্যবস্থা করেছি। আর পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রতিটি ইউনিয়নে দুই হাজার পরিবারের বাড়িসংলগ্ন পতিত জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে কিচেন গার্ডেন। পরিবারগুলো এসব বাগানের সবজি নিজেরা খাবে এবং বেশি হলে বাজারে বিক্রি করে কিছুটা হলেও বাড়তি আয় করতে পারবে।’

করোনা মহামারির এই সংকটময় সময়ে মিঠাপুকুর উপজেলায় অনন্য সহায় হিসেবে দাঁড়িয়েছে ‘চলো করোনা জয় করি’ তহবিল। এই তহবিলের অর্থায়নে হতদরিদ্র পরিবারের শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের খাবার দেওয়া হচ্ছে। বাড়িসংলগ্ন পতিত জমিতে গড়ে দেওয়া হয়েছে সবজির খেত। আর করোনা রোগীদের চিকিৎসায় বিতরণ করা হচ্ছে নানা সহায়তা।
স্থানীয় সাংসদ এইচ এন আশিকুর রহমানের উদ্যোগে গঠিত চলো করোনা জয় করি তহবিলের অর্থায়নে এসব নাগরিকবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে উপজেলা প্রশাসন।
খাদ্যসহায়তা দিতে শিশুদের তালিকা করছে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ। এই দপ্তরের পরিদর্শক মমিনুল হক জানান, অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের বয়স ছয় মাস হলেই তাকে খাবার দেওয়া হয় এবং ১২ মাস বয়স পর্যন্ত এই সুবিধা বহাল থাকছে।
প্রকল্পের সুবিধাভোগী শাবানা বেগম জানান, তাঁর স্বামী অটোচালক। লকডাউনের সময় রোজগার ছিল না বললেই চলে। তখন নয় মাস বয়সী মেয়ে ছোঁয়া মণির জন্য বিনা মূল্যে দুধ, চিনি ও সুজি পাওয়ায় খুব উপকার হয়েছে।
আরেক মা তানজিনা জানান, তিনি মেয়ে মালিহার জন্য পাওয়া খাবার তিন বছর বয়সী ছেলেকেও খাওয়াচ্ছেন।
এদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, চলো করোনা জয় করি তহবিলের টাকায় ১৭ ইউনিয়নে ৩৪ হাজার পরিবারের বসতবাড়িতে গড়ে তোলা হয়েছে সবজির খেত। সাংসদ আশিকুর রহমান এসব খেতের নাম রেখেছেন ‘কিচেন গার্ডেন’। এই খেতে পেঁপেসহ সাত ধরনের সবজি চাষ করা হচ্ছে।
তহবিলের অর্থায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ছয়টি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোশফিকুর রহমান। এর আগে করোনা থেকে সুরক্ষার জন্য বিতরণ করা হয় পিপিই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমাতুজ জোহরা বলেন, চলো করোনা জয় করি তহবিলের অর্থায়নে করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া অসচ্ছল পরিবারের ছয় থেকে ১২ মাস বয়সী শিশুদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে। ১৭ ইউনিয়নে এই কর্মসূচি চালু রয়েছে। হতদরিদ্র পরিবারের গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদেরও খাবার দেওয়া হয়েছে।
সব কমিউনিটি ক্লিনিকে পালস অক্সিমিটার এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীদের জন্য ওষুধ সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে ইউএনও জানান।
তহবিলের উদ্যোক্তা সাংসদ আশিকুর বলেন, ‘শিশুরা পরিবারের স্বপ্ন, জাতির ভবিষ্যৎ। তারা যদি পুষ্টিহীন হয়ে বেড়ে ওঠে তাহলে তো পরিবার ও জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হবে। এ কারণে প্রতি মাসে শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার যেমন দুধ, চিনি ও সুজি সরবরাহের ব্যবস্থা করেছি। আর পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রতিটি ইউনিয়নে দুই হাজার পরিবারের বাড়িসংলগ্ন পতিত জমিতে গড়ে তোলা হয়েছে কিচেন গার্ডেন। পরিবারগুলো এসব বাগানের সবজি নিজেরা খাবে এবং বেশি হলে বাজারে বিক্রি করে কিছুটা হলেও বাড়তি আয় করতে পারবে।’

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
১ ঘণ্টা আগে
অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
১ ঘণ্টা আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
২ ঘণ্টা আগে