মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

আসন্ন ঈদুল আযহাকে ঘিরে নওগাঁর মান্দা উপজেলায় দুটি খামারে প্রস্তুত করা হয়েছে বিশালাকৃতির দুটি ষাঁড়। ষাঁড় দুটির নাম রাখা হয়েছে টাইগার বিষু ও নবাব। এদের ঘিরে খামার দুটিতে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। এরই মধ্যে টাইগার বিষুকে বিক্রি করা হয়েছে ৭ লাখ টাকায়।
ক্রস ফ্রিজিয়ান জাতের ৩০ মণ ওজনের টাইগার বিষুকে লালন পালন করছেন ছোটবেলালদহ গ্রামের আবু ইউসুফ হেলাল, আর ৩৫ মণ ওজনের নবাবের দেখাশোনা করছেন এনায়েতপুর মঞ্জিলতলা গ্রামের আফজাল হোসেন।
ষাঁড় দুটি শুধু গ্রামের নয়, আশপাশের অনেক এলাকার মানুষের কৌতুহলের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়সেই এদের এমন ওজন হয়েছে। খামার মালিকেরা বলছেন, আদর-যত্ন আর সুষম খাদ্যেই ষাঁড় দুটির এই আকৃতি পাওয়ার মূল্য রহস্য।
খামারি আফজাল হোসেন জানালেন, নবাবকে প্রতিদিন তিনবার গোসল করানো হয় এবং তার খাবারে থাকে ময়দা, ভুসি, দানাগুড়, গম, কালাইসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান। তার খামারে আরও রয়েছে তিনটি বিশাল ষাঁড়—সাদা মানিক, কালো মানিক ও বাদশা, যাদের সবাইকে একই রকম যত্নে রাখা হয়।
আরেক খামারি আবু ইউসুফ হেলাল বললেন, “সখের বশে ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি লালন করেছি। মাত্র তিন বছরেই এর ওজন ৩০ মণ হয়েছে, প্রতিদিন অন্তত ৩০ কেজি সুষম খাবার খাওয়ানো হয়।

ঈদ সামনে রেখে খামার দুটিতে প্রতিদিন হাজারো মানুষ এসে এই বিশাল ষাঁড়গুলো দেখতে ভিড় করছেন। অনেকেই ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করছেন, যা ষাঁড়দের জনপ্রিয়তা আরও বাড়াচ্ছে।
খামারি ও সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ঈদে এসব বড় ষাঁড় ভাল দামে বিক্রি হবে। তবে তারা বলছেন, লাভের চেয়ে পশুদের প্রতি ভালোবাসা ও যত্নই তাদের কাজের মূল অনুপ্রেরণা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান শিপন জানান, ঈদকে সামনে রেখে খামার দুটিতে পশুগুলোকে বিশেষ তদারকি ও পরিচর্যা করা হয়েছে। এখন খামার দুটো শুধু পশু পালন কেন্দ্র নয়, এটি পশুপ্রেম, পরিশ্রম ও সফলতার প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠেছে।

আসন্ন ঈদুল আযহাকে ঘিরে নওগাঁর মান্দা উপজেলায় দুটি খামারে প্রস্তুত করা হয়েছে বিশালাকৃতির দুটি ষাঁড়। ষাঁড় দুটির নাম রাখা হয়েছে টাইগার বিষু ও নবাব। এদের ঘিরে খামার দুটিতে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। এরই মধ্যে টাইগার বিষুকে বিক্রি করা হয়েছে ৭ লাখ টাকায়।
ক্রস ফ্রিজিয়ান জাতের ৩০ মণ ওজনের টাইগার বিষুকে লালন পালন করছেন ছোটবেলালদহ গ্রামের আবু ইউসুফ হেলাল, আর ৩৫ মণ ওজনের নবাবের দেখাশোনা করছেন এনায়েতপুর মঞ্জিলতলা গ্রামের আফজাল হোসেন।
ষাঁড় দুটি শুধু গ্রামের নয়, আশপাশের অনেক এলাকার মানুষের কৌতুহলের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়সেই এদের এমন ওজন হয়েছে। খামার মালিকেরা বলছেন, আদর-যত্ন আর সুষম খাদ্যেই ষাঁড় দুটির এই আকৃতি পাওয়ার মূল্য রহস্য।
খামারি আফজাল হোসেন জানালেন, নবাবকে প্রতিদিন তিনবার গোসল করানো হয় এবং তার খাবারে থাকে ময়দা, ভুসি, দানাগুড়, গম, কালাইসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান। তার খামারে আরও রয়েছে তিনটি বিশাল ষাঁড়—সাদা মানিক, কালো মানিক ও বাদশা, যাদের সবাইকে একই রকম যত্নে রাখা হয়।
আরেক খামারি আবু ইউসুফ হেলাল বললেন, “সখের বশে ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি লালন করেছি। মাত্র তিন বছরেই এর ওজন ৩০ মণ হয়েছে, প্রতিদিন অন্তত ৩০ কেজি সুষম খাবার খাওয়ানো হয়।

ঈদ সামনে রেখে খামার দুটিতে প্রতিদিন হাজারো মানুষ এসে এই বিশাল ষাঁড়গুলো দেখতে ভিড় করছেন। অনেকেই ছবি তুলে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করছেন, যা ষাঁড়দের জনপ্রিয়তা আরও বাড়াচ্ছে।
খামারি ও সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ঈদে এসব বড় ষাঁড় ভাল দামে বিক্রি হবে। তবে তারা বলছেন, লাভের চেয়ে পশুদের প্রতি ভালোবাসা ও যত্নই তাদের কাজের মূল অনুপ্রেরণা।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান শিপন জানান, ঈদকে সামনে রেখে খামার দুটিতে পশুগুলোকে বিশেষ তদারকি ও পরিচর্যা করা হয়েছে। এখন খামার দুটো শুধু পশু পালন কেন্দ্র নয়, এটি পশুপ্রেম, পরিশ্রম ও সফলতার প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে