নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্য পরিচয়ে রাজশাহীতে যুব অধিকার পরিষদের এক নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্কুলে ঝামেলা হয়েছে জানিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বাসা থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ শুক্রবার পর্যন্ত পরিবারের সদস্যরা তাঁর কোনো খোঁজ পাননি।
যুব পরিষদের এই নেতার নাম আবদুল ওয়াকিল ওরফে রাসেল। তিনি সংগঠনটির রাজশাহী জেলা কমিটির সভাপতি।
আবদুল ওয়াকিলের বাড়ি রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানার ডাঁশমারী মহল্লায়। তাঁর বাবার নাম আবদুল হামিদ। ওয়াকিল স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন (কেজি) স্কুলের শিক্ষক।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সিআইডির রাজশাহী জেলা ও মহানগরের বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল জলিল বলেন, ‘গত এক সপ্তাহে আমরা কাউকে গ্রেপ্তার করিনি। আবদুল ওয়াকিলকেও আমরা তুলে আনিনি। অন্য কেউ তুলে নেওয়ার সময় সিআইডির নাম বলতে পারে।’
ওয়াকিলের স্ত্রী শ্যামলী খাতুন আজকের পত্রিকাকে জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে সাদাপোশাকে সাত-আটজন ব্যক্তি তাঁদের বাসায় যান। তাঁরা অটোরিকশায় এসেছিলেন। ওয়াকিলকে নিয়ে তাঁরা অটোরিকশাতে করেই ফিরেছেন। যাঁরা বাসায় এসেছিলেন, তাঁরা নিজেদের সিআইডি সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। স্কুলে ঝামেলার কথা জানিয়ে তুলে নেওয়া হলেও সেখানে কোনো ঝামেলা হয়নি।
পরিবারের সদস্যরা গতকাল সারা দিন সিআইডি কার্যালয় ও থানাসহ অন্যান্য স্থানে খোঁজ নিয়েও ওয়াকিলের কোনো সন্ধান পাননি।
আজ শুক্রবার বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তিনি জানান, আবদুল ওয়াকিল সাম্প্রতিক সময়ে একটি দেশের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক কারণে হয়রানি করতে তাঁকে তুলে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ওয়াকিল নিখোঁজ থাকলেও আজ বিকেল পর্যন্ত এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি। প্রয়োজন হলে জিডি করবেন বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী শ্যামলী খাতুন।
নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. মোবারক পারভেজ বলেন, ‘ওয়াকিল আমাদের কাছে নেই। আমরা তাঁর বিষয়ে কিছু জানি না। নিখোঁজের বিষয়ে কোনো জিডিও হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি হলে আমরা তাঁর সন্ধান পেতে কাজ করতে পারি।’

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্য পরিচয়ে রাজশাহীতে যুব অধিকার পরিষদের এক নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্কুলে ঝামেলা হয়েছে জানিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বাসা থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ শুক্রবার পর্যন্ত পরিবারের সদস্যরা তাঁর কোনো খোঁজ পাননি।
যুব পরিষদের এই নেতার নাম আবদুল ওয়াকিল ওরফে রাসেল। তিনি সংগঠনটির রাজশাহী জেলা কমিটির সভাপতি।
আবদুল ওয়াকিলের বাড়ি রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানার ডাঁশমারী মহল্লায়। তাঁর বাবার নাম আবদুল হামিদ। ওয়াকিল স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন (কেজি) স্কুলের শিক্ষক।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সিআইডির রাজশাহী জেলা ও মহানগরের বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুল জলিল বলেন, ‘গত এক সপ্তাহে আমরা কাউকে গ্রেপ্তার করিনি। আবদুল ওয়াকিলকেও আমরা তুলে আনিনি। অন্য কেউ তুলে নেওয়ার সময় সিআইডির নাম বলতে পারে।’
ওয়াকিলের স্ত্রী শ্যামলী খাতুন আজকের পত্রিকাকে জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে সাদাপোশাকে সাত-আটজন ব্যক্তি তাঁদের বাসায় যান। তাঁরা অটোরিকশায় এসেছিলেন। ওয়াকিলকে নিয়ে তাঁরা অটোরিকশাতে করেই ফিরেছেন। যাঁরা বাসায় এসেছিলেন, তাঁরা নিজেদের সিআইডি সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। স্কুলে ঝামেলার কথা জানিয়ে তুলে নেওয়া হলেও সেখানে কোনো ঝামেলা হয়নি।
পরিবারের সদস্যরা গতকাল সারা দিন সিআইডি কার্যালয় ও থানাসহ অন্যান্য স্থানে খোঁজ নিয়েও ওয়াকিলের কোনো সন্ধান পাননি।
আজ শুক্রবার বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও গণমাধ্যম সমন্বয়ক আবু হানিফ। তিনি জানান, আবদুল ওয়াকিল সাম্প্রতিক সময়ে একটি দেশের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক কারণে হয়রানি করতে তাঁকে তুলে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ওয়াকিল নিখোঁজ থাকলেও আজ বিকেল পর্যন্ত এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি। প্রয়োজন হলে জিডি করবেন বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী শ্যামলী খাতুন।
নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. মোবারক পারভেজ বলেন, ‘ওয়াকিল আমাদের কাছে নেই। আমরা তাঁর বিষয়ে কিছু জানি না। নিখোঁজের বিষয়ে কোনো জিডিও হয়নি। পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি হলে আমরা তাঁর সন্ধান পেতে কাজ করতে পারি।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৮ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১১ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে