রাবি সংবাদদাতা

রাজধানীতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদ। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বর থেকে মিছিল শুরু হয়।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জোহা চত্বরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
এ সময় নেতাকর্মীরা ‘আপা গেছে যে পথে, জাপা যাবে সেই পথে’, ‘যে নুর জনতার, রুখবে তাকে সাধ্য কার’, ‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘নো মোর মিলিটারি, ব্যারাকে যা তাড়াতাড়ি’, ‘ইন্টেরিম কোন চ্যাটের বাল, আমার ভাইয়ের রক্তে লাল’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সমাবেশে শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা মেহেদী হাসান মারুফ বলেন, ‘নুরুল হক নুর কোনো দল বা মতের নন, তিনি ফ্যাসিবাদমুক্ত আন্দোলনের মহানায়ক। তার ওপর চোখ দিলে সেই চোখ উপড়ে ফেলা হবে। সেনাবাহিনী ও পুলিশকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নারকীয়ভাবে ব্যবহার করছে। আজকের ন্যক্কারজনক হামলার বিচার অবশ্যই করতে হবে। প্রতিটি রক্তবিন্দুর জবাব এই সরকারকে দিতে হবে।’
ছাত্র গণমঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম সরকার বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের যে ধারাবাহিকতা দেখছি, তা ফ্যাসিবাদ আমলের পুনরাবৃত্তি। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের যোদ্ধা নুরের ওপর সেনাবাহিনী যে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য। এর দায় সেনাপ্রধান ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই নিতে হবে। এই সরকারের আড়ালে সেনাবাহিনীর বড় ধরনের হস্তক্ষেপ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবর্তে সরকার বিরোধীদল ও আদিবাসী নেতাদের ওপর হামলা চালিয়ে ফ্যাসিবাদের রূপ নিয়েছে।’
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে সংঘর্ষের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গুরুতর আহত হন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি এখন ঢাকা মেডিক্যালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রাজধানীতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদ। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বর থেকে মিছিল শুরু হয়।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জোহা চত্বরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
এ সময় নেতাকর্মীরা ‘আপা গেছে যে পথে, জাপা যাবে সেই পথে’, ‘যে নুর জনতার, রুখবে তাকে সাধ্য কার’, ‘আওয়ামী লীগের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘নো মোর মিলিটারি, ব্যারাকে যা তাড়াতাড়ি’, ‘ইন্টেরিম কোন চ্যাটের বাল, আমার ভাইয়ের রক্তে লাল’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সমাবেশে শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা মেহেদী হাসান মারুফ বলেন, ‘নুরুল হক নুর কোনো দল বা মতের নন, তিনি ফ্যাসিবাদমুক্ত আন্দোলনের মহানায়ক। তার ওপর চোখ দিলে সেই চোখ উপড়ে ফেলা হবে। সেনাবাহিনী ও পুলিশকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নারকীয়ভাবে ব্যবহার করছে। আজকের ন্যক্কারজনক হামলার বিচার অবশ্যই করতে হবে। প্রতিটি রক্তবিন্দুর জবাব এই সরকারকে দিতে হবে।’
ছাত্র গণমঞ্চের আহ্বায়ক নাসিম সরকার বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের যে ধারাবাহিকতা দেখছি, তা ফ্যাসিবাদ আমলের পুনরাবৃত্তি। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের যোদ্ধা নুরের ওপর সেনাবাহিনী যে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য। এর দায় সেনাপ্রধান ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই নিতে হবে। এই সরকারের আড়ালে সেনাবাহিনীর বড় ধরনের হস্তক্ষেপ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবর্তে সরকার বিরোধীদল ও আদিবাসী নেতাদের ওপর হামলা চালিয়ে ফ্যাসিবাদের রূপ নিয়েছে।’
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে সংঘর্ষের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গুরুতর আহত হন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি এখন ঢাকা মেডিক্যালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে