বগুড়া প্রতিনিধি

উত্তরবঙ্গের প্রাণকেন্দ্র বগুড়া। এ জেলার সঙ্গে দেশের প্রতিটি জেলার সড়ক ও রেলপথের যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলেও দীর্ঘ বছরেরও চালু হয়নি বগুড়া বিমানবন্দর। অবকাঠামো নির্মাণের প্রায় দুই যুগ পর পর এবার বগুড়া বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গঠন করা হয় পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি। বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এই কমিটি গঠন করে।
সোমবার সকালে বগুড়া বিমানবন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন কমিটির সদস্যরা। এর আগে রোববার তাঁরা বগুড়ায় আসেন। এই কমিটির সঙ্গে বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য (বগুড়া-৭) মো. রেজাউল করিম বাবলু।
বেবিচক প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন উপসচিব ইশরাত জাহান পান্না। কমিটির সদস্যরা হলেন, উপপরিচালক (এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট) মো. মাসুদ রনা, নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. আমিনুল হাসিব, সহকারী পরিচালক (সিএনএস) প্রশান্ত কুমার সাহা ও সিনিয়র ড্রাফটস-ম্যান কবির হোসেন।
এই কমিটি সরেজমিনে বগুড়া বিমানবন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেছেন। পরে তাঁরা প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন সাংসদ রেজাউল করিম বাবলু। এর আগে চলতি বছরের গত ১ মার্চ বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর কাছে বগুড়া বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালু করতে একটি লিখিত প্রস্তাবনা পাঠান সাংসদ বাবলু। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে এ কমিটি গঠন করে বেবিচক।
জানা গেছে, বগুড়ায় বিমানবন্দর স্থাপনের জন্য ১৯৮৭ সালে সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সে সময় তা নানা জটিলতায় আটকে যায়। পরে ১৯৯১-৯৬ সালে বিএনপি সরকারের শেষ দিকে বগুড়ায় বিমানবন্দর স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয় এবং ২২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনও হয়। ১৯৯৫ সালে এরুলিয়া এলাকায় বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের পাশে ১০৯ দশমিক ৮১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রকল্পের আওতায় রানওয়ে, কার্যালয় ভবন ও কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, রাস্তাঘাট নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়। ২০০০ সালের দিকে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে বিমান আর ওড়েনি। পরে সেখানে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করা হয়। বর্তমানে সেখানে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ করে।
জানতে চাইলে সংসদ সদস্য বাবলু বলেন, ‘বগুড়ার বিমানবন্দর চালু করতে কয়েকবার আমি সংসদের কথা বলেছি। পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে বিমানবন্দর চালু করার বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন করি। তিনি আমার কথায় বগুড়ায় বিমানবন্দর চালু করার গুরুত্ব বুঝতে পারেন। এবং পরবর্তীতে আমি বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর কাছে বগুড়া বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালু করতে একটি লিখিত প্রস্তাবনা পাঠাই।’
সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সাংসদ বাবলু বলেন, ‘পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল বগুড়া বিমানবন্দর পরিদর্শন করে ঢাকায় ফিরে গেছেন। আমিও তাদের সঙ্গে ঢাকাতে এসেছি। পরে তারা তাদের কাজে চলে গেছেন।’

উত্তরবঙ্গের প্রাণকেন্দ্র বগুড়া। এ জেলার সঙ্গে দেশের প্রতিটি জেলার সড়ক ও রেলপথের যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকলেও দীর্ঘ বছরেরও চালু হয়নি বগুড়া বিমানবন্দর। অবকাঠামো নির্মাণের প্রায় দুই যুগ পর পর এবার বগুড়া বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গঠন করা হয় পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি। বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এই কমিটি গঠন করে।
সোমবার সকালে বগুড়া বিমানবন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন কমিটির সদস্যরা। এর আগে রোববার তাঁরা বগুড়ায় আসেন। এই কমিটির সঙ্গে বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য (বগুড়া-৭) মো. রেজাউল করিম বাবলু।
বেবিচক প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন উপসচিব ইশরাত জাহান পান্না। কমিটির সদস্যরা হলেন, উপপরিচালক (এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট) মো. মাসুদ রনা, নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. আমিনুল হাসিব, সহকারী পরিচালক (সিএনএস) প্রশান্ত কুমার সাহা ও সিনিয়র ড্রাফটস-ম্যান কবির হোসেন।
এই কমিটি সরেজমিনে বগুড়া বিমানবন্দরের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেছেন। পরে তাঁরা প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে জানিয়েছেন সাংসদ রেজাউল করিম বাবলু। এর আগে চলতি বছরের গত ১ মার্চ বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর কাছে বগুড়া বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালু করতে একটি লিখিত প্রস্তাবনা পাঠান সাংসদ বাবলু। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে এ কমিটি গঠন করে বেবিচক।
জানা গেছে, বগুড়ায় বিমানবন্দর স্থাপনের জন্য ১৯৮৭ সালে সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সে সময় তা নানা জটিলতায় আটকে যায়। পরে ১৯৯১-৯৬ সালে বিএনপি সরকারের শেষ দিকে বগুড়ায় বিমানবন্দর স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয় এবং ২২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদনও হয়। ১৯৯৫ সালে এরুলিয়া এলাকায় বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের পাশে ১০৯ দশমিক ৮১ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রকল্পের আওতায় রানওয়ে, কার্যালয় ভবন ও কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ, রাস্তাঘাট নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় সব অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়। ২০০০ সালের দিকে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে বিমান আর ওড়েনি। পরে সেখানে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করা হয়। বর্তমানে সেখানে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ করে।
জানতে চাইলে সংসদ সদস্য বাবলু বলেন, ‘বগুড়ার বিমানবন্দর চালু করতে কয়েকবার আমি সংসদের কথা বলেছি। পরে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীকে বিমানবন্দর চালু করার বিষয়ে যুক্তি উপস্থাপন করি। তিনি আমার কথায় বগুড়ায় বিমানবন্দর চালু করার গুরুত্ব বুঝতে পারেন। এবং পরবর্তীতে আমি বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর কাছে বগুড়া বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালু করতে একটি লিখিত প্রস্তাবনা পাঠাই।’
সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে সাংসদ বাবলু বলেন, ‘পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল বগুড়া বিমানবন্দর পরিদর্শন করে ঢাকায় ফিরে গেছেন। আমিও তাদের সঙ্গে ঢাকাতে এসেছি। পরে তারা তাদের কাজে চলে গেছেন।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে