পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি

অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন ধর্ষণ মামলার আসামি রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন খান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুঠিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে বুধবার ভোররাতে বরগুনা জেলার একটি স্থান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারী বলেন, ‘থানায় এক নারী ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। আর এর পর থেকে অভিযুক্ত আল মামুন খান পলাতক ছিলেন। আমরা তাঁকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।’
ওসি আরও বলেন, ‘মেয়রকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন মাধ্যম ও বরগুনা থানার পুলিশ সহযোগিতা করেছে। গ্রেপ্তার আল মামুনকে বরগুনা থেকে পুঠিয়া থানায় আনা হচ্ছে। সন্ধ্যার পর অভিযুক্ত থানায় পৌঁছানোর পর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।’
উল্লেখ্য, পুঠিয়া সদর এলাকার এক নারীকে (২৪) প্রথমে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন। একপর্যায়ে তাঁর এই অনৈতিক কাজে রাজি না হওয়ায় মেয়রের লোকজন তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়, যার কারণে গত ৫ সেপ্টেম্বর মেয়রের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ওই ভুক্তভোগী। মামলা নম্বর-৬।
অন্যদিকে গত বছরের শুরুতে দুর্গাপুর উপজেলার এক হাসপাতালের সেবিকাকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করেন মামুন খান। এ ঘটায় ওই ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে ওই সেবিকা সন্তানের পিতৃপরিচয় দাবি করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত বছরের ১১ এপ্রিল মেয়রের লোকজন তাঁকে ব্যক্তিগত অফিসে তুলে এনে নির্যাতন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ওই সেবিকাকে মেয়রের চেম্বার থেকে উদ্ধার করে। পরে ওই রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মেয়রকে আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-১৩। তারিখ ১১-০৪-২০২১। এ ঘটনার কিছুদিন পর আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতার তদবিরে বিষয়টি রফাদফা করা হয়।

অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন ধর্ষণ মামলার আসামি রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভার মেয়র ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন খান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুঠিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে বুধবার ভোররাতে বরগুনা জেলার একটি স্থান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারী বলেন, ‘থানায় এক নারী ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। আর এর পর থেকে অভিযুক্ত আল মামুন খান পলাতক ছিলেন। আমরা তাঁকে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই।’
ওসি আরও বলেন, ‘মেয়রকে গ্রেপ্তারে বিভিন্ন মাধ্যম ও বরগুনা থানার পুলিশ সহযোগিতা করেছে। গ্রেপ্তার আল মামুনকে বরগুনা থেকে পুঠিয়া থানায় আনা হচ্ছে। সন্ধ্যার পর অভিযুক্ত থানায় পৌঁছানোর পর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।’
উল্লেখ্য, পুঠিয়া সদর এলাকার এক নারীকে (২৪) প্রথমে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন। একপর্যায়ে তাঁর এই অনৈতিক কাজে রাজি না হওয়ায় মেয়রের লোকজন তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়, যার কারণে গত ৫ সেপ্টেম্বর মেয়রের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ওই ভুক্তভোগী। মামলা নম্বর-৬।
অন্যদিকে গত বছরের শুরুতে দুর্গাপুর উপজেলার এক হাসপাতালের সেবিকাকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করেন মামুন খান। এ ঘটায় ওই ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে ওই সেবিকা সন্তানের পিতৃপরিচয় দাবি করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত বছরের ১১ এপ্রিল মেয়রের লোকজন তাঁকে ব্যক্তিগত অফিসে তুলে এনে নির্যাতন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ওই সেবিকাকে মেয়রের চেম্বার থেকে উদ্ধার করে। পরে ওই রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মেয়রকে আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-১৩। তারিখ ১১-০৪-২০২১। এ ঘটনার কিছুদিন পর আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতার তদবিরে বিষয়টি রফাদফা করা হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে