রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর দুটি অডিও রেকর্ড নিয়ে চলছে আলোচনার ঝড়। বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল করলে ‘পাপ হবে’—এমন কথা বলতে শোনা গেছে ওই অডিওতে।
জানা গেছে গতকাল সোমবার রাতে আব্বাস আলীর কোনো এক বৈঠকের কথোপকথন এটি। দুটি অডিও ক্লিপের একটি ১ মিনিট ৫১ সেকেন্ড এবং অন্যটি ১২ মিনিট ৩ সেকেন্ডের।
বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য আজ মঙ্গলবার মেয়র আব্বাস আলীকে কয়েকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে একটি সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি দাবি করেছেন, ওই অডিও ক্লিপ তাঁর নয়। বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল করতে দেওয়া হবে না বা করলে ‘পাপ হবে’—এ ধরনের কথা তিনি কাউকে বলেননি।
১ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের অডিও ক্লিপটিতে শোনা যায়, আব্বাস আলী বলছেন, ‘হাইওয়েটাকে আমরা ডিজাইন করতে দিয়েছি। আমাদের যে অংশটা হাইওয়ে। সিটিগেট থেকে আমার অংশ। টোটালই একটা ফার্মকে দিয়েছি যে, তারা একদম বিদেশি স্টাইলে সাজায়ে দিবে ফুটপাত, সাইকেল লেন—টোটাল আমার অংশটা।’ কথার এই পর্যায়ে পাশে থেকে কেউ একজন যোগ করেন, ‘দুই পারে দুইটা গেট করার কথা আছে।’
তখন মেয়র বলেন, ‘একটু থাইমি গেছি গেটটা নিয়ে, একটু চেঞ্জ করতে হচ্ছে। যে ম্যুরালটা দিছে বঙ্গবন্ধুর, এটা ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক সঠিক না। এ জন্য আমি ওকে থুব না। সব করবো, যা কিছু আছে, খালি শেষ মাথাতে যেটা মাইন্ড করবে না ওড্যাই। আমি দেখতে পাছি, আমাকে যেভাবে বুঝ্যালো আমি দেখতে পাছি যে, ম্যুরালটি ঠিক হবে না দিলে। আমার পাপ হবে। তো কেন দিব? দিব না, আমি তো কানা লোক না আমাক বুঝাই দিছে।’
আব্বাস আলী বলেন, ‘যেভাবে বুঝাইছে তাতে আমার মুনে হইছে যে, ম্যুরালটা হইলে আমার ভুল হয়্যা যাবে। এ জন্য চেঞ্জ করছি। এই খবরটাও যদি আবার যায় তো আবার রাজনীতি শুরু হয়ে যাবে। ওই বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল দিত চাইয়া দিচ্ছে না! বঙ্গবন্ধুক খুশি করতে যাইয়া জায়গা নারাজ করব নাকি? এইডা লিয়েও রাজনীতি করবে কিন্তু আমি সিওর। তবে করলে কিছু করার নাই। মানুষেক সন্তুষ্ট করতে যাইয়া আল্লাক অসন্তুষ্ট করা যাবে না তো।’
১২ মিনিট ৩ সেকেন্ডের আরেকটি অডিও ক্লিপে স্থানীয় রাজনীতির নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন মেয়র আব্বাস। একপর্যায়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর পদ পাওয়া এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকেও কটূক্তি করতে শোনা গেছে। আছে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজও। কথার একপর্যায়ে আব্বাস আলী বলেন, তিনি কারও রাজনীতি করেন না। রাজনীতি করেন বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রীর।
আব্বাস আলী কাটাখালী পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক। ২০১৫ সালে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে প্রথমবার মেয়র নির্বাচিত হন। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।
তাঁর এ ধরনের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য করতে চাননি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন।

রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর দুটি অডিও রেকর্ড নিয়ে চলছে আলোচনার ঝড়। বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল করলে ‘পাপ হবে’—এমন কথা বলতে শোনা গেছে ওই অডিওতে।
জানা গেছে গতকাল সোমবার রাতে আব্বাস আলীর কোনো এক বৈঠকের কথোপকথন এটি। দুটি অডিও ক্লিপের একটি ১ মিনিট ৫১ সেকেন্ড এবং অন্যটি ১২ মিনিট ৩ সেকেন্ডের।
বিষয়টি নিয়ে জানার জন্য আজ মঙ্গলবার মেয়র আব্বাস আলীকে কয়েকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে একটি সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি দাবি করেছেন, ওই অডিও ক্লিপ তাঁর নয়। বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল করতে দেওয়া হবে না বা করলে ‘পাপ হবে’—এ ধরনের কথা তিনি কাউকে বলেননি।
১ মিনিট ৫১ সেকেন্ডের অডিও ক্লিপটিতে শোনা যায়, আব্বাস আলী বলছেন, ‘হাইওয়েটাকে আমরা ডিজাইন করতে দিয়েছি। আমাদের যে অংশটা হাইওয়ে। সিটিগেট থেকে আমার অংশ। টোটালই একটা ফার্মকে দিয়েছি যে, তারা একদম বিদেশি স্টাইলে সাজায়ে দিবে ফুটপাত, সাইকেল লেন—টোটাল আমার অংশটা।’ কথার এই পর্যায়ে পাশে থেকে কেউ একজন যোগ করেন, ‘দুই পারে দুইটা গেট করার কথা আছে।’
তখন মেয়র বলেন, ‘একটু থাইমি গেছি গেটটা নিয়ে, একটু চেঞ্জ করতে হচ্ছে। যে ম্যুরালটা দিছে বঙ্গবন্ধুর, এটা ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক সঠিক না। এ জন্য আমি ওকে থুব না। সব করবো, যা কিছু আছে, খালি শেষ মাথাতে যেটা মাইন্ড করবে না ওড্যাই। আমি দেখতে পাছি, আমাকে যেভাবে বুঝ্যালো আমি দেখতে পাছি যে, ম্যুরালটি ঠিক হবে না দিলে। আমার পাপ হবে। তো কেন দিব? দিব না, আমি তো কানা লোক না আমাক বুঝাই দিছে।’
আব্বাস আলী বলেন, ‘যেভাবে বুঝাইছে তাতে আমার মুনে হইছে যে, ম্যুরালটা হইলে আমার ভুল হয়্যা যাবে। এ জন্য চেঞ্জ করছি। এই খবরটাও যদি আবার যায় তো আবার রাজনীতি শুরু হয়ে যাবে। ওই বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল দিত চাইয়া দিচ্ছে না! বঙ্গবন্ধুক খুশি করতে যাইয়া জায়গা নারাজ করব নাকি? এইডা লিয়েও রাজনীতি করবে কিন্তু আমি সিওর। তবে করলে কিছু করার নাই। মানুষেক সন্তুষ্ট করতে যাইয়া আল্লাক অসন্তুষ্ট করা যাবে না তো।’
১২ মিনিট ৩ সেকেন্ডের আরেকটি অডিও ক্লিপে স্থানীয় রাজনীতির নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন মেয়র আব্বাস। একপর্যায়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর পদ পাওয়া এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকেও কটূক্তি করতে শোনা গেছে। আছে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজও। কথার একপর্যায়ে আব্বাস আলী বলেন, তিনি কারও রাজনীতি করেন না। রাজনীতি করেন বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রীর।
আব্বাস আলী কাটাখালী পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক। ২০১৫ সালে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে প্রথমবার মেয়র নির্বাচিত হন। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।
তাঁর এ ধরনের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য করতে চাননি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
২ ঘণ্টা আগে