প্রতিনিধি, রাজশাহী

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালের দৈনিক প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত ২২ জনের মধ্যে পাঁচজন করোনা পজিটিভ ছিলেন। করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৬ জন। এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু।
এর আগে গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। করোনা ও উপসর্গ নিয়ে গত ৩১ মে সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত রামেক হাসপাতালে মোট ৩৭৪ জনের প্রাণহানি ঘটল।
নতুন করে মৃত ২২ জনের মধ্যে রাজশাহীর ১৪ জন, নওগাঁর পাঁচজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও ঝিনাইদহের একজন করে রোগী ছিলেন। এদের মধ্যে রাজশাহীর তিনজন, নওগাঁর একজন ও ঝিনাইদহের একজন করোনা পজিটিভ ছিলেন। রাজশাহীর অন্য ১১ জন, নওগাঁর তিনজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোরের একজন করে রোগী করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় চারজন করে মারা গেছেন ২৯, ৩০ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে। এ ছাড়া ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তিনজন, ১, ৩,১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন করে এবং কেবিন, ৩৯, ৪০ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে একজন করে মারা গেছেন। মৃত ২২ জনের মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী। এদের মধ্যে ২১-৩০ বছরের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী এবং ষাটোর্ধ্ব পাঁচজন পুরুষ ও চারজন নারী ছিলেন।
রাজশাহীতে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১১ জুন থেকেই চলছে সর্বাত্মক লকডাউন। তারপরও মৃত্যু কমছে না। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলছেন, মৃতদের বেশির ভাগই গ্রামের মানুষ। তাঁরা দেরি করে হাসপাতালে আসছেন। এ কারণে মৃতের সংখ্যা কমছে না। হাসপাতালে আসার পরপরই বেশির ভাগ রোগী মারা যাচ্ছেন। মৃত্যু কমাতে গ্রামেও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের তাগিদ দিচ্ছেন হাসপাতাল পরিচালক।
এদিকে বুধবার রাজশাহীর দুটি আরটি-পিসিআর ল্যাবে ৫৫৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীর ২৬৫টি নমুনার মধ্যে ১৬২টি নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া নওগাঁর ১১৮টি নমুনার মধ্যে ৭৫টি এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৯টি নমুনার মধ্যে ১১ টিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রাজশাহীতে সংক্রমণের হার ৩৯ দশমিক ৯০ শতাংশ, নওগাঁয় ৬৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
রামেক হাসপাতালে কোভিড ডেডিকেটেড মোট শয্যার সংখ্যা ৪০৫টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এখানে রোগী ভর্তি ছিলেন সর্বোচ্চ ৪৬২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৬ জন। আর নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬৬ জন রোগী। এর মধ্যে রাজশাহী থেকে ৪৭ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সাতজন, নাটোর থেকে চারজন, নওগাঁ থেকে চারজন, জয়পুরহাট থেকে দুজন এবং পাবনা ও কুষ্টিয়া থেকে একজন করে রোগী ভর্তি হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে রাজশাহীর ৩০৩ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৬ জন, নাটোরের ৩৫ জন, নওগাঁর ৪৩ জন, পাবনার ১৬ জন, কুষ্টিয়ার পাঁচজন এবং চুয়াডাঙ্গা, জয়পুরহাট, মেহেরপুর ও দিনাজপুরের একজন করে রোগী ভর্তি ছিলেন। এদের মধ্যে নমুনা পরীক্ষায় ১৯৫ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। আর ২১২ জন ছিলেন করোনার উপসর্গ নিয়ে। এ ছাড়া করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক নানা জটিলতায় করোনা ইউনিটে ছিলেন ৫৫ জন।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালের দৈনিক প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত ২২ জনের মধ্যে পাঁচজন করোনা পজিটিভ ছিলেন। করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৬ জন। এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু।
এর আগে গত সোমবার সকাল ৮টা থেকে গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। করোনা ও উপসর্গ নিয়ে গত ৩১ মে সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত রামেক হাসপাতালে মোট ৩৭৪ জনের প্রাণহানি ঘটল।
নতুন করে মৃত ২২ জনের মধ্যে রাজশাহীর ১৪ জন, নওগাঁর পাঁচজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও ঝিনাইদহের একজন করে রোগী ছিলেন। এদের মধ্যে রাজশাহীর তিনজন, নওগাঁর একজন ও ঝিনাইদহের একজন করোনা পজিটিভ ছিলেন। রাজশাহীর অন্য ১১ জন, নওগাঁর তিনজন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোরের একজন করে রোগী করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় চারজন করে মারা গেছেন ২৯, ৩০ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে। এ ছাড়া ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে তিনজন, ১, ৩,১৬ ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন করে এবং কেবিন, ৩৯, ৪০ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডে একজন করে মারা গেছেন। মৃত ২২ জনের মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী। এদের মধ্যে ২১-৩০ বছরের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী এবং ষাটোর্ধ্ব পাঁচজন পুরুষ ও চারজন নারী ছিলেন।
রাজশাহীতে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১১ জুন থেকেই চলছে সর্বাত্মক লকডাউন। তারপরও মৃত্যু কমছে না। রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলছেন, মৃতদের বেশির ভাগই গ্রামের মানুষ। তাঁরা দেরি করে হাসপাতালে আসছেন। এ কারণে মৃতের সংখ্যা কমছে না। হাসপাতালে আসার পরপরই বেশির ভাগ রোগী মারা যাচ্ছেন। মৃত্যু কমাতে গ্রামেও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের তাগিদ দিচ্ছেন হাসপাতাল পরিচালক।
এদিকে বুধবার রাজশাহীর দুটি আরটি-পিসিআর ল্যাবে ৫৫৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীর ২৬৫টি নমুনার মধ্যে ১৬২টি নমুনায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া নওগাঁর ১১৮টি নমুনার মধ্যে ৭৫টি এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৯টি নমুনার মধ্যে ১১ টিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রাজশাহীতে সংক্রমণের হার ৩৯ দশমিক ৯০ শতাংশ, নওগাঁয় ৬৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
রামেক হাসপাতালে কোভিড ডেডিকেটেড মোট শয্যার সংখ্যা ৪০৫টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এখানে রোগী ভর্তি ছিলেন সর্বোচ্চ ৪৬২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৬ জন। আর নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬৬ জন রোগী। এর মধ্যে রাজশাহী থেকে ৪৭ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সাতজন, নাটোর থেকে চারজন, নওগাঁ থেকে চারজন, জয়পুরহাট থেকে দুজন এবং পাবনা ও কুষ্টিয়া থেকে একজন করে রোগী ভর্তি হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে রাজশাহীর ৩০৩ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫৬ জন, নাটোরের ৩৫ জন, নওগাঁর ৪৩ জন, পাবনার ১৬ জন, কুষ্টিয়ার পাঁচজন এবং চুয়াডাঙ্গা, জয়পুরহাট, মেহেরপুর ও দিনাজপুরের একজন করে রোগী ভর্তি ছিলেন। এদের মধ্যে নমুনা পরীক্ষায় ১৯৫ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। আর ২১২ জন ছিলেন করোনার উপসর্গ নিয়ে। এ ছাড়া করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক নানা জটিলতায় করোনা ইউনিটে ছিলেন ৫৫ জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৪ ঘণ্টা আগে