নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার এক কনস্টেবলকে বদলির ভয় দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাজশাহী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল দিনাজপুরের বিরামপুর থানার প্রয়াগপুর গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজশাহী আনা হয়। প্রতারণার মামলার পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট দুপুরে আলামিন সরকার (৩৯) নিজেকে পুলিশ সদর দপ্তরের প্রশাসন শাখার কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান পরিচয়ে গোদাগাড়ী থানার ডিউটি অফিসারকে জানান যে, তাদের থানার অনেককে ব্যাটালিয়ন পুলিশে বদলি করা হয়েছে। বদলি বাতিল করতে চাইলে তাঁর কাছে টাকা পাঠাতে হবে। তিনি সবার বদলি আদেশ বাতিলের ব্যবস্থা করবেন।
এই খবর গোদাগাড়ী থানায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ কর্মকর্তা ও কনস্টেবলদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ খবর জানতে পেরে আলামিনের দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বরে কনস্টেবল আজিম ১০ হাজার টাকা বিকাশ করে পাঠিয়ে দেন। থানার কর্মকর্তা ও কনস্টেবলদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে তারা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারকের অবস্থান শনাক্ত করেন। গতকাল সোমবার সকালে রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানা-পুলিশের সহায়তায় আলামিন সরকারকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে আনা হয়।
গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, আলামিন সরকারের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেছেন কনস্টেবল আজিম। এই মামলার আসামি হিসেবে তাকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ওসি জানান, আলামিনের প্রতারণার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগেও সে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জনকে প্রতারণা করে টাকা পয়সা হাতিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক ও প্রতারণা আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানার এক কনস্টেবলকে বদলির ভয় দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাজশাহী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল দিনাজপুরের বিরামপুর থানার প্রয়াগপুর গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজশাহী আনা হয়। প্রতারণার মামলার পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ আগস্ট দুপুরে আলামিন সরকার (৩৯) নিজেকে পুলিশ সদর দপ্তরের প্রশাসন শাখার কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান পরিচয়ে গোদাগাড়ী থানার ডিউটি অফিসারকে জানান যে, তাদের থানার অনেককে ব্যাটালিয়ন পুলিশে বদলি করা হয়েছে। বদলি বাতিল করতে চাইলে তাঁর কাছে টাকা পাঠাতে হবে। তিনি সবার বদলি আদেশ বাতিলের ব্যবস্থা করবেন।
এই খবর গোদাগাড়ী থানায় ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ কর্মকর্তা ও কনস্টেবলদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ খবর জানতে পেরে আলামিনের দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বরে কনস্টেবল আজিম ১০ হাজার টাকা বিকাশ করে পাঠিয়ে দেন। থানার কর্মকর্তা ও কনস্টেবলদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে তারা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারকের অবস্থান শনাক্ত করেন। গতকাল সোমবার সকালে রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানা-পুলিশের সহায়তায় আলামিন সরকারকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে আনা হয়।
গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, আলামিন সরকারের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেছেন কনস্টেবল আজিম। এই মামলার আসামি হিসেবে তাকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ওসি জানান, আলামিনের প্রতারণার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগেও সে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জনকে প্রতারণা করে টাকা পয়সা হাতিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক ও প্রতারণা আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে