রিমন রহমান, রাজশাহী

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব আসনে বিএনপির ছয় প্রার্থীর মধ্যে তিনজনই ভোট করবেন নিজের টাকায়। বাকি তিনজন ধারকর্জ করবেন। নেবেন দানের টাকাও। আর জামায়াতের ছয় প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনই ধারকর্জে ভোট করবেন। তাঁরাও দানের টাকা নেবেন।
প্রার্থীদের হলফনামার নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীনের সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকার। নিজস্ব আয় থেকে তিনি নির্বাচনে খরচ করবেন ২৫ লাখ টাকা। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সম্পদ ৩৬ লাখ ৩২ হাজার টাকার। তিনি নির্বাচনে সম্ভাব্য খরচ দেখিয়েছেন ৩৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫ লাখ টাকা নিজের। ভাইয়ের কাছ থেকে ধার নেবেন ৫ লাখ। আত্মীয়স্বজনের দান হিসেবে পাবেন ১৫ লাখ টাকা। ছয়জনের কাছ থেকে দান হিসেবে পাবেন ১২ লাখ টাকা।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনুর সম্পদ আছে ৯৬ লাখ ৬২ হাজার টাকার। নিজের টাকা থেকে ভোটে খরচ করবেন ১০ লাখ টাকা। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে দান হিসেবে নেবেন ১৫ লাখ টাকা। জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের মোট সম্পদ ২ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার। তিনি ভোট করতে নিজের ১০ লাখ এবং দান হিসেবে পাওয়া ১৭ লাখ টাকা খরচ করবেন।
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলনের সম্পদ ১ কোটি ৪৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকার। তিনি ভোট করবেন ৪০ লাখ টাকা খরচ করে। এর মধ্যে ৩০ লাখ টাকা নিজের। ধারকর্জ করবেন ৫ লাখ, দান হিসেবে পাবেন ৫ লাখ। জামায়াতের আবুল কালাম আজাদের সম্পদ ৪১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার। তিনি ভোটে খরচ করবেন ২৫ লাখ টাকা। নিজের টাকা থাকবে ১০ লাখ, বাকিটা দান হিসেবে পাবেন।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিএনপির প্রার্থী ডিএমডি জিয়াউর রহমানের মোট সম্পদ ৯০ লাখ ৯৫ হাজার টাকার। তিনি ভোটে খরচ করবেন ৩১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। এর মধ্যে নিজের টাকা ১২ লাখ, বাকিটা দান হিসেবে পাবেন। জামায়াতের প্রার্থী ডা. আব্দুল বারীর সম্পদ ১ কোটি ৮০ লাখ ৯ হাজার টাকার। ভোটে খরচ করবেন ২৫ লাখ। পুরোটাই তাঁর নিজের টাকা।
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলামের সম্পদ প্রায় ১ কোটি ৩২ লাখ টাকার। ভোটে তিনি নিজের ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মনজুর রহমানের সম্পদ ৫৫ লাখ ২৮ হাজার টাকার। তিনি ২২ লাখ টাকা ভোটের মাঠে খরচ করবেন। এর মধ্যে নিজের টাকা ৫ লাখ, ধারকর্জ করবেন ১০ লাখ। বাকি ৭ লাখ টাকা পাবেন দান হিসেবে।
রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদের সম্পদ আছে ৩২ লাখ ৫৫ হাজার টাকার। তিনি ভোটে ২১ লাখ টাকা খরচ করতে চান। এর মধ্যে নিজের ৪ লাখ টাকা, ধার করবেন ৮ লাখ টাকা। আর তিনজনের কাছ থেকে দান হিসেবে পাবেন ৯ লাখ টাকা। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নাজমুল হকের সম্পদ ২৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকার। তিনি ভোটে খরচ করতে চান ২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে তাঁর নিজের টাকা ৫ লাখ। ধার করবেন ৬ লাখ। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে দান হিসেবে নেবেন ১৪ লাখ টাকা।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রাজশাহী জেলা সভাপতি আহমেদ সফিউদ্দিন বলেন, প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয় তো এত হওয়ার কথা না। কিন্তু পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে এখন ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ দেখানোর সুযোগ এসেছে। বাস্তবে কোনো কোনো প্রার্থী এর চেয়েও বেশি খরচ করেন। আবার দুর্বল প্রার্থীরা পিছিয়ে থাকবেন। এটা ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলে।

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব আসনে বিএনপির ছয় প্রার্থীর মধ্যে তিনজনই ভোট করবেন নিজের টাকায়। বাকি তিনজন ধারকর্জ করবেন। নেবেন দানের টাকাও। আর জামায়াতের ছয় প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনই ধারকর্জে ভোট করবেন। তাঁরাও দানের টাকা নেবেন।
প্রার্থীদের হলফনামার নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাব্য উৎসের বিবরণী বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দীনের সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ৬৮ লাখ ২৭ হাজার টাকার। নিজস্ব আয় থেকে তিনি নির্বাচনে খরচ করবেন ২৫ লাখ টাকা। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সম্পদ ৩৬ লাখ ৩২ হাজার টাকার। তিনি নির্বাচনে সম্ভাব্য খরচ দেখিয়েছেন ৩৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৫ লাখ টাকা নিজের। ভাইয়ের কাছ থেকে ধার নেবেন ৫ লাখ। আত্মীয়স্বজনের দান হিসেবে পাবেন ১৫ লাখ টাকা। ছয়জনের কাছ থেকে দান হিসেবে পাবেন ১২ লাখ টাকা।
রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনুর সম্পদ আছে ৯৬ লাখ ৬২ হাজার টাকার। নিজের টাকা থেকে ভোটে খরচ করবেন ১০ লাখ টাকা। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে দান হিসেবে নেবেন ১৫ লাখ টাকা। জামায়াতের প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের মোট সম্পদ ২ কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার। তিনি ভোট করতে নিজের ১০ লাখ এবং দান হিসেবে পাওয়া ১৭ লাখ টাকা খরচ করবেন।
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলনের সম্পদ ১ কোটি ৪৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকার। তিনি ভোট করবেন ৪০ লাখ টাকা খরচ করে। এর মধ্যে ৩০ লাখ টাকা নিজের। ধারকর্জ করবেন ৫ লাখ, দান হিসেবে পাবেন ৫ লাখ। জামায়াতের আবুল কালাম আজাদের সম্পদ ৪১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার। তিনি ভোটে খরচ করবেন ২৫ লাখ টাকা। নিজের টাকা থাকবে ১০ লাখ, বাকিটা দান হিসেবে পাবেন।
রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে বিএনপির প্রার্থী ডিএমডি জিয়াউর রহমানের মোট সম্পদ ৯০ লাখ ৯৫ হাজার টাকার। তিনি ভোটে খরচ করবেন ৩১ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। এর মধ্যে নিজের টাকা ১২ লাখ, বাকিটা দান হিসেবে পাবেন। জামায়াতের প্রার্থী ডা. আব্দুল বারীর সম্পদ ১ কোটি ৮০ লাখ ৯ হাজার টাকার। ভোটে খরচ করবেন ২৫ লাখ। পুরোটাই তাঁর নিজের টাকা।
রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলামের সম্পদ প্রায় ১ কোটি ৩২ লাখ টাকার। ভোটে তিনি নিজের ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় করবেন। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মনজুর রহমানের সম্পদ ৫৫ লাখ ২৮ হাজার টাকার। তিনি ২২ লাখ টাকা ভোটের মাঠে খরচ করবেন। এর মধ্যে নিজের টাকা ৫ লাখ, ধারকর্জ করবেন ১০ লাখ। বাকি ৭ লাখ টাকা পাবেন দান হিসেবে।
রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদের সম্পদ আছে ৩২ লাখ ৫৫ হাজার টাকার। তিনি ভোটে ২১ লাখ টাকা খরচ করতে চান। এর মধ্যে নিজের ৪ লাখ টাকা, ধার করবেন ৮ লাখ টাকা। আর তিনজনের কাছ থেকে দান হিসেবে পাবেন ৯ লাখ টাকা। এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নাজমুল হকের সম্পদ ২৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকার। তিনি ভোটে খরচ করতে চান ২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে তাঁর নিজের টাকা ৫ লাখ। ধার করবেন ৬ লাখ। আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে দান হিসেবে নেবেন ১৪ লাখ টাকা।
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রাজশাহী জেলা সভাপতি আহমেদ সফিউদ্দিন বলেন, প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয় তো এত হওয়ার কথা না। কিন্তু পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে এখন ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ দেখানোর সুযোগ এসেছে। বাস্তবে কোনো কোনো প্রার্থী এর চেয়েও বেশি খরচ করেন। আবার দুর্বল প্রার্থীরা পিছিয়ে থাকবেন। এটা ভোটের মাঠে প্রভাব ফেলে।

সুন্দরবনে ঘুরতে এসে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আতাউর রহমান বিশ্বাস (৬১) মারা গেছেন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে সুন্দরবনের করমজল পর্যটন এলাকায় তিনি মারা যান।
৩ মিনিট আগে
হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু দল থেকে ওই আসনে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন।
১৭ মিনিট আগে
বক্তারা বলেন, হোটেল–রেস্তোরাঁশ্রমিকদের নেই চাকরির নিশ্চয়তা ও জীবনের নিরাপত্তা। প্রচলিত শ্রম আইন উপেক্ষা করে অনেক মালিক স্বেচ্ছাচারীভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে বর্তমান মজুরি দিয়ে শ্রমিকদের মাসের কয়েক দিন চলাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
২৭ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর পুবাইল এলাকায় ‘ডাইরেক্ট স্পোর্টস অ্যান্ড লেজারওয়্যার (বিডি) লিমিটেড’ নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে কারখানার প্রধান ফটকে এ-সংক্রান্ত নোটিশ দেখতে পেয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকেরা।
১ ঘণ্টা আগে