আবুল কালাম আজাদ, চারঘাট (রাজশাহী)

মুখ থুবড়ে পড়েছে চারঘাট পৌরসভার শত কোটি টাকার উন্নয়নকাজ। সমন্বয়হীনতার কারণে তুলে ফেলতে হচ্ছে পানির পাইপলাইন, ভাঙা পড়ছে ফুটপাত ও ড্রেন। পৌর সেবাবঞ্চিত হচ্ছে পৌরবাসী ওবং রাজস্ব হারাচ্ছে পৌর কর্তৃপক্ষ।
চারঘাট পৌরসভার সচিব রবিউল ইসলাম বলেন, ‘পৌরবাসীর সার্বিক সুযোগ-সুবিধা এবং অবকাঠামোর উন্নয়নে প্রায় ১৫২ কোটি টাকার কাজের প্রস্তাবনা আছে। নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ প্রকল্প (ইউজিআইআইপি)-৩ এর আওতায় দ্বিতীয় ধাপের ১৭ কোটি টাকার কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে। কিন্তু একাধিকবার সময় বাড়িয়েও এখন পর্যন্ত কাজ শেষ হয়নি। এ জন্য ফেরত গেছে তৃতীয় ধাপের ১৮ কোটি টাকা। অন্যান্য পৌরসভায় তৃতীয় ধাপের কাজ চলছে। আর আমরা এখনো দ্বিতীয় ধাপের কাজই শেষ করতে পারিনি।’
এদিকে বানেশ্বর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজে তুলে ফেলতে হচ্ছে পৌরসভার নতুন স্থাপনকৃত পানির পাইপলাইন, ভাঙা হচ্ছে ফুটপাত ও ড্রেন।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নীতকরণে ৫৫৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। কিন্তু রাস্তা প্রশস্ত হবে জানার পরেও সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া অপরিকল্পিতভাবে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করে চারঘাট পৌরসভা।
পৌরসভা প্রকৌশল সূত্রে জানা যায়, নগর প্রশাসনের বাস্তবায়ন অবকাঠামো প্রকল্প ইউজিআইআইপি-৩-এর আওতায় ২৫ হাজার ৫০০ মিটার দীর্ঘ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাইপলাইনের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। এ কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। সড়ক প্রশস্ত হবে জেনেও অপরিকল্পিতভাবে পাইপ বসানো হয়। এর ফলে ৬ মাস না যেতেই তুলে ফেলতে হচ্ছে পানি সরবরাহের পাইপ। ভেঙে পড়েছে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা।
এদিকে ফুটপাত ও ড্রেনেরও একই অবস্থা। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সড়ক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া নিজেদের খেয়াল খুশিমতো আঁকাবাঁকা করে নির্মাণ করে ড্রেন ও ফুটপাত। প্রায় ১৭ কিলোমিটার রাস্তা ও সাড়ে ৫ কিলোমিটার ড্রেন বাস্তবায়নে বরাদ্দ ছিল প্রায় ১৭ কোটি টাকা। এখন সড়ক বিভাগের আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শুরু হওয়ায় ভাঙা পড়ছে ফুটপাত ও ড্রেনের অনেকটা অংশ।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সমাজ সেবক সাইফুল ইসলাম বাদশা বলেন, ‘পৌরসভার ড্রেন ও পানির পাইপলাইন স্থাপনের শুরু থেকে আমরা বলছি এটা অপরিকল্পিত কাজ হচ্ছে। এখন এ কাজের মাশুল দিচ্ছে পৌরসভা। গচ্চা যাচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকা।’
রাজশাহী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সামসুজ্জোহা বলেন, ‘বারবার বলার পরেও কাজ বাস্তবায়নে পৌর কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে কোনো প্রকার সমন্বয় করেনি। রাস্তা কতটুকু প্রশস্ত হবে, তার সার্ভেয়ার রিপোর্ট তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। তারপরও কর্ণপাত করেনি। ড্রেন ও ফুটপাতের অনেকটা অংশ ভাঙা পড়বে। পানির পাইপলাইনও তুলে ফেলা হচ্ছে। প্রথমে সমন্বয় করলে আজকে তারা এতটা ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতো না।’
তবে চারঘাট পৌরসভার প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করার চেষ্টা করেছি। তারা আমাদের মাত্র কয়েক দিন আগে সার্ভেয়ার রিপোর্ট দিয়েছে।’ এ জন্য পানির পাইপলাইন, ফুটপাত ও ড্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক বলেন, ‘পূর্বের মেয়রের অপরিকল্পিত কাজের দুর্ভোগ আমাদেরও পোহাতে হচ্ছে। পানির পাইপ তুলে ফেলা হয়েছে। তবে আমরা পৌরসভার নিজ খরচে কিছু কিছু জায়গায় পানির লাইন সচল চেষ্টা করছি। আর প্রকল্প বর্ধিত করে তৃতীয় ধাপের ১৮ কোটি টাকার বরাদ্দ নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে।’
চারঘাট পৌরসভার সাবেক মেয়র জাকিরুল ইসলাম বলেন, পৌর প্রকৌশলী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করেই উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অপরিকল্পিত কোনো কাজ করা হয়নি। এ দায়ভার শুধু তাঁর না।

মুখ থুবড়ে পড়েছে চারঘাট পৌরসভার শত কোটি টাকার উন্নয়নকাজ। সমন্বয়হীনতার কারণে তুলে ফেলতে হচ্ছে পানির পাইপলাইন, ভাঙা পড়ছে ফুটপাত ও ড্রেন। পৌর সেবাবঞ্চিত হচ্ছে পৌরবাসী ওবং রাজস্ব হারাচ্ছে পৌর কর্তৃপক্ষ।
চারঘাট পৌরসভার সচিব রবিউল ইসলাম বলেন, ‘পৌরবাসীর সার্বিক সুযোগ-সুবিধা এবং অবকাঠামোর উন্নয়নে প্রায় ১৫২ কোটি টাকার কাজের প্রস্তাবনা আছে। নগর পরিচালন ও অবকাঠামো উন্নতিকরণ প্রকল্প (ইউজিআইআইপি)-৩ এর আওতায় দ্বিতীয় ধাপের ১৭ কোটি টাকার কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে। কিন্তু একাধিকবার সময় বাড়িয়েও এখন পর্যন্ত কাজ শেষ হয়নি। এ জন্য ফেরত গেছে তৃতীয় ধাপের ১৮ কোটি টাকা। অন্যান্য পৌরসভায় তৃতীয় ধাপের কাজ চলছে। আর আমরা এখনো দ্বিতীয় ধাপের কাজই শেষ করতে পারিনি।’
এদিকে বানেশ্বর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজে তুলে ফেলতে হচ্ছে পৌরসভার নতুন স্থাপনকৃত পানির পাইপলাইন, ভাঙা হচ্ছে ফুটপাত ও ড্রেন।
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নীতকরণে ৫৫৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। কিন্তু রাস্তা প্রশস্ত হবে জানার পরেও সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া অপরিকল্পিতভাবে উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করে চারঘাট পৌরসভা।
পৌরসভা প্রকৌশল সূত্রে জানা যায়, নগর প্রশাসনের বাস্তবায়ন অবকাঠামো প্রকল্প ইউজিআইআইপি-৩-এর আওতায় ২৫ হাজার ৫০০ মিটার দীর্ঘ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের পাইপলাইনের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। এ কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। সড়ক প্রশস্ত হবে জেনেও অপরিকল্পিতভাবে পাইপ বসানো হয়। এর ফলে ৬ মাস না যেতেই তুলে ফেলতে হচ্ছে পানি সরবরাহের পাইপ। ভেঙে পড়েছে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা।
এদিকে ফুটপাত ও ড্রেনেরও একই অবস্থা। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সড়ক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া নিজেদের খেয়াল খুশিমতো আঁকাবাঁকা করে নির্মাণ করে ড্রেন ও ফুটপাত। প্রায় ১৭ কিলোমিটার রাস্তা ও সাড়ে ৫ কিলোমিটার ড্রেন বাস্তবায়নে বরাদ্দ ছিল প্রায় ১৭ কোটি টাকা। এখন সড়ক বিভাগের আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণের কাজ শুরু হওয়ায় ভাঙা পড়ছে ফুটপাত ও ড্রেনের অনেকটা অংশ।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সমাজ সেবক সাইফুল ইসলাম বাদশা বলেন, ‘পৌরসভার ড্রেন ও পানির পাইপলাইন স্থাপনের শুরু থেকে আমরা বলছি এটা অপরিকল্পিত কাজ হচ্ছে। এখন এ কাজের মাশুল দিচ্ছে পৌরসভা। গচ্চা যাচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকা।’
রাজশাহী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সামসুজ্জোহা বলেন, ‘বারবার বলার পরেও কাজ বাস্তবায়নে পৌর কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে কোনো প্রকার সমন্বয় করেনি। রাস্তা কতটুকু প্রশস্ত হবে, তার সার্ভেয়ার রিপোর্ট তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। তারপরও কর্ণপাত করেনি। ড্রেন ও ফুটপাতের অনেকটা অংশ ভাঙা পড়বে। পানির পাইপলাইনও তুলে ফেলা হচ্ছে। প্রথমে সমন্বয় করলে আজকে তারা এতটা ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতো না।’
তবে চারঘাট পৌরসভার প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করার চেষ্টা করেছি। তারা আমাদের মাত্র কয়েক দিন আগে সার্ভেয়ার রিপোর্ট দিয়েছে।’ এ জন্য পানির পাইপলাইন, ফুটপাত ও ড্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চারঘাট পৌর মেয়র একরামুল হক বলেন, ‘পূর্বের মেয়রের অপরিকল্পিত কাজের দুর্ভোগ আমাদেরও পোহাতে হচ্ছে। পানির পাইপ তুলে ফেলা হয়েছে। তবে আমরা পৌরসভার নিজ খরচে কিছু কিছু জায়গায় পানির লাইন সচল চেষ্টা করছি। আর প্রকল্প বর্ধিত করে তৃতীয় ধাপের ১৮ কোটি টাকার বরাদ্দ নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে।’
চারঘাট পৌরসভার সাবেক মেয়র জাকিরুল ইসলাম বলেন, পৌর প্রকৌশলী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করেই উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। অপরিকল্পিত কোনো কাজ করা হয়নি। এ দায়ভার শুধু তাঁর না।

সিলেটবাসী এবং ভ্রমণে আসা পর্যটকদের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম রেলপথ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই রেলযাত্রা হয়ে উঠছে বিরক্তির ও ভোগান্তির। টিকিট-সংকট, জরাজীর্ণ অবকাঠামো, ইঞ্জিনের ত্রুটি ও সংকটের কারণে নিয়মিতই ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যস্ত হচ্ছে।
৫ মিনিট আগে
খুলনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় কালিপদ মন্ডল ও ইলিয়াস সরদার নামে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ভ্যান চালকসহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গুটুদিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সাব স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পুলিশের হাত থেকে সাবেক পৌর কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী সোহাগকে (৫০) ছিনিয়ে নিয়েছে তাঁর সমর্থকেরা। এ ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
খুলনার রূপসায় ফারুখ (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের রাজাপুর এলাকায় সন্ত্রাসীরা তাঁকে গুলি করে।
২ ঘণ্টা আগে