প্রতিনিধি, রাজশাহী

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার ঈদের দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাঁরা মারা যান। বুধবার সকালে হাসপাতালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত ১৮ জনের মধ্যে আটজনের বাড়ি রাজশাহী। এ ছাড়া নাটোরের চারজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পাবনার দুজন করে এবং নওগাঁ ও কুষ্টিয়ার একজন করে মারা গেছেন। এদের মধ্যে নাটোরের দুজন এবং রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন করে করোনা পজিটিভ ছিলেন। অন্য ১৪ জন মারা গেছেন করোনা উপসর্গ নিয়ে। তাঁদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।
মৃত ১৮ জনের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও সাতজন নারী। এদের মধ্যে ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন নারী, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন পুরুষ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী; ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে চারজন পুরুষ ও তিনজন নারী এবং ষাটোর্ধ্ব তিনজন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন। রামেক হাসপাতালে এ নিয়ে চলতি মাসে ৩৬৭ জনের মৃত্যু হলো। গত জুনে মারা গেছেন ৪০৫ জন।
হাসপাতালে করোনা ডেডিকেটেড শয্যা ৪৫৪ টি। বুধবার সকালে ভর্তি ছিলেন ৪৩৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪৫ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭২ জন। হাসপাতালে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ২১৭ জন। উপসর্গ নিয়ে আছেন ১৬০ জন। এ ছাড়া করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক নানা জটিলতায় কোভিড ইউনিটে ভর্তি ছিলেন আরও ৬০ জন রোগী।
এর মধ্যে রাজশাহীর ২২৩ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫ জন, নাটোরের ৭৭ জন, নওগাঁর ৪২ জন, পাবনার ৫২ জন, কুষ্টিয়ার ১০ জন, চুয়াডাঙ্গার চারজন এবং সিরাজগঞ্জ ও ঝিনাইদহের দুজন করে রোগী ভর্তি ছিলেন।
রাজশাহীর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, র্যাপিড অ্যান্টিজেন ও আরটি-পিসিআর মিলে মঙ্গলবার জেলায় মোট ৭১১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ৮০ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর শুধু রাজশাহীর দুটি আরটি-পিসিআর ল্যাবে শনাক্তের হার ৩৪ দশমিক ০৪ শতাংশ।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার ঈদের দিন সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাঁরা মারা যান। বুধবার সকালে হাসপাতালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত ১৮ জনের মধ্যে আটজনের বাড়ি রাজশাহী। এ ছাড়া নাটোরের চারজন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পাবনার দুজন করে এবং নওগাঁ ও কুষ্টিয়ার একজন করে মারা গেছেন। এদের মধ্যে নাটোরের দুজন এবং রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন করে করোনা পজিটিভ ছিলেন। অন্য ১৪ জন মারা গেছেন করোনা উপসর্গ নিয়ে। তাঁদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি।
মৃত ১৮ জনের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও সাতজন নারী। এদের মধ্যে ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন নারী, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন পুরুষ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী; ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে চারজন পুরুষ ও তিনজন নারী এবং ষাটোর্ধ্ব তিনজন পুরুষ ও একজন নারী ছিলেন। রামেক হাসপাতালে এ নিয়ে চলতি মাসে ৩৬৭ জনের মৃত্যু হলো। গত জুনে মারা গেছেন ৪০৫ জন।
হাসপাতালে করোনা ডেডিকেটেড শয্যা ৪৫৪ টি। বুধবার সকালে ভর্তি ছিলেন ৪৩৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৪৫ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭২ জন। হাসপাতালে করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ২১৭ জন। উপসর্গ নিয়ে আছেন ১৬০ জন। এ ছাড়া করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক নানা জটিলতায় কোভিড ইউনিটে ভর্তি ছিলেন আরও ৬০ জন রোগী।
এর মধ্যে রাজশাহীর ২২৩ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫ জন, নাটোরের ৭৭ জন, নওগাঁর ৪২ জন, পাবনার ৫২ জন, কুষ্টিয়ার ১০ জন, চুয়াডাঙ্গার চারজন এবং সিরাজগঞ্জ ও ঝিনাইদহের দুজন করে রোগী ভর্তি ছিলেন।
রাজশাহীর সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, র্যাপিড অ্যান্টিজেন ও আরটি-পিসিআর মিলে মঙ্গলবার জেলায় মোট ৭১১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এতে ৮০ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণের হার ১১ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর শুধু রাজশাহীর দুটি আরটি-পিসিআর ল্যাবে শনাক্তের হার ৩৪ দশমিক ০৪ শতাংশ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে