নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

প্রতিবছর লোকসান হলেও এবারও আম পরিবহনের জন্য চালু হচ্ছে ‘ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন’। এবার এই ট্রেন চালানো হবে পদ্মা সেতু দিয়ে। যমুনা সেতুতে ট্রেনের ধীরগতির কারণে শিডিউল বিপর্যয় এড়িয়ে দ্রুত ট্রেনটি ঢাকায় নিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর থেকে বিকেল ৪টায় ছেড়ে রাত সোয়া ২টায় ঢাকায় পৌঁছাবে।
এবার পঞ্চমবারের মতো এই ট্রেন চালু হচ্ছে। আগামী ১০ জুন ট্রেনটি যাত্রা শুরু করবে। রাজশাহী বিভাগ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় আম পরিবহনসংক্রান্ত এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম।
প্রতিবছর আম পরিবহনের জন্য এই ট্রেন দেওয়া হলেও চাষি ও ব্যবসায়ীদের উৎসাহ কম থাকার কারণে লোকসানের বিষয়টি কর্মশালায় উঠে আসে। চাষিরা মতামত দেন, মূলত বাগান থেকে আম পরিবহন করে স্টেশনে নেওয়া এবং আবার স্টেশন থেকে আলাদা পরিবহনে মোকামে নেওয়ার বিড়ম্বনার কারণেই এই ট্রেনে চাষি ও ব্যবসায়ীদের উৎসাহ কম। এই সমস্যার সমাধানে অতিরিক্ত স্টপেজ দেওয়াসহ আরও বেশ কিছু পরামর্শ দেন তাঁরা।
এ সময় রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম বলেন, ‘অসুস্থ মানুষের পাশে কেউ না থাকলে সে বাঁচে না। আমরা (রেলওয়ে) এখন অসুস্থ। চাষি ও ব্যবসায়ীরা আমাদের পাশে থাকেন। আমরা আপনাদের সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে চেষ্টা করে যাব।’
তিনি বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার দিন বলেছিলাম রেল লাভজনক হবে। এ জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী চাষি ও ব্যবসায়ীদের কম খরচে আম পরিবহনের সুবিধা দিতে এই ট্রেন দিয়ে থাকেন।’
কর্মশালায় রাজশাহী সদরের এমপি ও রেলওয়ে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, নাটোরের এমপি আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার শাহাদত আলী, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মো. মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদারসহ রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, ফল গবেষক, কৃষি কর্মকর্তা, রেলওয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও নওগাঁর আমচাষি এবং ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, ছয়টি লাগেজ ভ্যানের মাধ্যমে আম পরিবহন করা যাবে ২৮ দশমিক ৮৩ টন। যাত্রাপথে রহনপুর স্টেশন থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, আব্দুলপুর, ঈশ্বরদী, পোড়াদহ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও ভাঙ্গা স্টেশনসহ মোট ১৫টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন। এই ট্রেন ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ২টা ১৫ মিনিটে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রতি কেজি আম পরিবহনে ভাড়া লাগবে ১ টাকা ৪৭ পয়সা, রাজশাহী থেকে ১ টাকা ৪৩ পয়সা, পোড়াদহ থেকে ১ টাকা ১৯ পয়সা, রাজবাড়ী থেকে ১ টাকা ৭ পয়সা, ফরিদপুর থেকে ১ টাকা ১ পয়সা এবং ভাঙ্গা থেকে ৯৮ পয়সা। এই খরচ কুরিয়ার সার্ভিসের চেয়ে কম। তাই ট্রেনে আম পরিবহনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনে ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ কেজি আম পরিবহন করা হয়েছে। ট্রেন ভাড়া পেয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার বছরে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনে ৩ হাজার ৯৯৫ টন আম পরিবহন করা হয়েছে। এ থেকে রেলের আয় হয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা। গত চার বছরে ট্রেনটি চলাচলে তেল খরচ হয়েছে ৯২ লাখ ৯১ হাজার টাকা। ফলে এই কয়েক বছরে রেলওয়ের লোকসান হয়েছে ৪৬ লাখ ৬১ হাজার ৮৬০ টাকা।

প্রতিবছর লোকসান হলেও এবারও আম পরিবহনের জন্য চালু হচ্ছে ‘ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন’। এবার এই ট্রেন চালানো হবে পদ্মা সেতু দিয়ে। যমুনা সেতুতে ট্রেনের ধীরগতির কারণে শিডিউল বিপর্যয় এড়িয়ে দ্রুত ট্রেনটি ঢাকায় নিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর থেকে বিকেল ৪টায় ছেড়ে রাত সোয়া ২টায় ঢাকায় পৌঁছাবে।
এবার পঞ্চমবারের মতো এই ট্রেন চালু হচ্ছে। আগামী ১০ জুন ট্রেনটি যাত্রা শুরু করবে। রাজশাহী বিভাগ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় আম পরিবহনসংক্রান্ত এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। আজ শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম।
প্রতিবছর আম পরিবহনের জন্য এই ট্রেন দেওয়া হলেও চাষি ও ব্যবসায়ীদের উৎসাহ কম থাকার কারণে লোকসানের বিষয়টি কর্মশালায় উঠে আসে। চাষিরা মতামত দেন, মূলত বাগান থেকে আম পরিবহন করে স্টেশনে নেওয়া এবং আবার স্টেশন থেকে আলাদা পরিবহনে মোকামে নেওয়ার বিড়ম্বনার কারণেই এই ট্রেনে চাষি ও ব্যবসায়ীদের উৎসাহ কম। এই সমস্যার সমাধানে অতিরিক্ত স্টপেজ দেওয়াসহ আরও বেশ কিছু পরামর্শ দেন তাঁরা।
এ সময় রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম বলেন, ‘অসুস্থ মানুষের পাশে কেউ না থাকলে সে বাঁচে না। আমরা (রেলওয়ে) এখন অসুস্থ। চাষি ও ব্যবসায়ীরা আমাদের পাশে থাকেন। আমরা আপনাদের সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে চেষ্টা করে যাব।’
তিনি বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার দিন বলেছিলাম রেল লাভজনক হবে। এ জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী চাষি ও ব্যবসায়ীদের কম খরচে আম পরিবহনের সুবিধা দিতে এই ট্রেন দিয়ে থাকেন।’
কর্মশালায় রাজশাহী সদরের এমপি ও রেলওয়ে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, নাটোরের এমপি আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার শাহাদত আলী, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মো. মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদারসহ রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, ফল গবেষক, কৃষি কর্মকর্তা, রেলওয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও নওগাঁর আমচাষি এবং ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, ছয়টি লাগেজ ভ্যানের মাধ্যমে আম পরিবহন করা যাবে ২৮ দশমিক ৮৩ টন। যাত্রাপথে রহনপুর স্টেশন থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, আব্দুলপুর, ঈশ্বরদী, পোড়াদহ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও ভাঙ্গা স্টেশনসহ মোট ১৫টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন। এই ট্রেন ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ২টা ১৫ মিনিটে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রতি কেজি আম পরিবহনে ভাড়া লাগবে ১ টাকা ৪৭ পয়সা, রাজশাহী থেকে ১ টাকা ৪৩ পয়সা, পোড়াদহ থেকে ১ টাকা ১৯ পয়সা, রাজবাড়ী থেকে ১ টাকা ৭ পয়সা, ফরিদপুর থেকে ১ টাকা ১ পয়সা এবং ভাঙ্গা থেকে ৯৮ পয়সা। এই খরচ কুরিয়ার সার্ভিসের চেয়ে কম। তাই ট্রেনে আম পরিবহনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনে ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ কেজি আম পরিবহন করা হয়েছে। ট্রেন ভাড়া পেয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার বছরে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেনে ৩ হাজার ৯৯৫ টন আম পরিবহন করা হয়েছে। এ থেকে রেলের আয় হয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা। গত চার বছরে ট্রেনটি চলাচলে তেল খরচ হয়েছে ৯২ লাখ ৯১ হাজার টাকা। ফলে এই কয়েক বছরে রেলওয়ের লোকসান হয়েছে ৪৬ লাখ ৬১ হাজার ৮৬০ টাকা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে