নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘চাল, ডাল, আটা, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের দাম বৃদ্ধির কারণে জনগণ আজ অসহায়। এ অসহায় মানুষ আর আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। দেশের জনগণ এখন আওয়ামী লীগের কাছ থেকে মুক্তি চাচ্ছে। তারা বিএনপির আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে।’
আজ শনিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময়ের করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে বিএনপির সর্বকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ হবে। ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দান ছাড়িয়ে রাজশাহী শহর সমাবেশের মহানগরীতে পরিণত হবে। রাজশাহী বিভাগের আট জেলা থেকে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ব্যাপক সমাগম হবে। কমপক্ষে ১৫ লাখ মানুষ এ সমাবেশে যোগ দেবেন।’
বিভাগীয় গণসমাবেশের মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন তপু মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন। গণসমাবেশে সাংবাদিকেরা তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। এ সময় বিএনপি কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের সদস্যসচিব আতিকুর রহমান রুম্মন সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের জন্য পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত, রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, সদস্যসচিব বিশ্বনাথ সরকার, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈশা, সদস্যসচিব মামুন-অর-রশিদ, সাবেক এমপি জাহান পান্না, ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ফারজানা শারমীন পুতুল, মাহমুদা হাবিবা, মৌসুমী নাসরিনসহ প্রমুখ।

বিএনপি চেয়ারপারসনের অন্যতম উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘চাল, ডাল, আটা, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের দাম বৃদ্ধির কারণে জনগণ আজ অসহায়। এ অসহায় মানুষ আর আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। দেশের জনগণ এখন আওয়ামী লীগের কাছ থেকে মুক্তি চাচ্ছে। তারা বিএনপির আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছে।’
আজ শনিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশ উপলক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময়ের করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে বিএনপির সর্বকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ হবে। ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দান ছাড়িয়ে রাজশাহী শহর সমাবেশের মহানগরীতে পরিণত হবে। রাজশাহী বিভাগের আট জেলা থেকে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ব্যাপক সমাগম হবে। কমপক্ষে ১৫ লাখ মানুষ এ সমাবেশে যোগ দেবেন।’
বিভাগীয় গণসমাবেশের মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন তপু মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন। গণসমাবেশে সাংবাদিকেরা তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। এ সময় বিএনপি কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের সদস্যসচিব আতিকুর রহমান রুম্মন সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের জন্য পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন শওকত, রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, সদস্যসচিব বিশ্বনাথ সরকার, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈশা, সদস্যসচিব মামুন-অর-রশিদ, সাবেক এমপি জাহান পান্না, ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ফারজানা শারমীন পুতুল, মাহমুদা হাবিবা, মৌসুমী নাসরিনসহ প্রমুখ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে