নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর প্রাচীন জনকল্যাণমূলক সংগঠন রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের ভবনের দোকান দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা মাঈনুল হক হারু ও তাঁর ভাগনে আশিকুল আলম ওরফে লিটুর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। মাঈনুল হক রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি। বর্তমানে তিনি রাজশাহী জেলা মিশুক-সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি।
দুই মামা-ভাগনের বাড়ি নগরের ষষ্ঠীতলা এলাকায়। মামার আশ্রয়ে ভাগনে আশিকুল ইসলাম দোকানঘরটি দখল করেছেন বলে অভিযোগ। এ ছাড়া তিনি ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে একটি টিন দিয়ে ঘর করে ভাড়া দিয়েছেন। অ্যাসোসিয়েশন ভবন থেকে বাইরের ব্যবসায়ীদের বিদ্যুতের সংযোগ দিয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা তোলা হয়।
নগরের অলকার মোড়ে ১৮৭২ সালের ২১ জুলাই রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সভাপতি ছিলেন দিঘাপতিয়ার রাজা প্রমথনাথ রায়বাহাদুর। প্রথম সেক্রেটারি করচমাড়িয়ার জমিদার ও ঐতিহাসিক স্যার যদুনাথ সরকারের বাবা রাজকুমার সরকার। এখন পদাধিকারবলে সংগঠনের সভাপতি জেলা প্রশাসক। আর সহসভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)।
রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের বহু জনকল্যাণমূলক কাজ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ‘রাজশাহী টাউন হল’ স্থাপন, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর স্থাপনে সহযোগিতা দেওয়া, ‘বসন্তকুমার অ্যাগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউট’ (১৯৩৬) স্থাপনে ভূমিকা পালন, রাজশাহী শহরে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহের লক্ষ্যে পানির কল স্থাপনের বন্দোবস্তকরণ (১৯৩৭)। এ ছাড়া সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রেও রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের এক সাহিত্যসভায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘শিক্ষার হেরফের’ শীর্ষক প্রবন্ধটি পাঠ করেন (১২ নভেম্বর ১৮৯২)। ১৯৯৮ সালের ২৩ জুলাই ‘রাজা প্রমথনাথ টাউন হলে’ রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের ১২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। এ হলেই ১৯২৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর কাজী নজরুল ইসলাম বক্তৃতা দিয়েছিলেন।
আশিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অ্যাসোসিয়েশন ভবনের ব্যবসায়ীদের সংগঠনের নেতৃত্বও দখল করেছেন তিনি।
আশিকুল যে দোকানে নিজের চেম্বার করেছেন, সেটি মনোয়ারা বেগম নামের এক নারীকে বরাদ্দ দিয়েছিল অ্যাসোসিয়েশন। এ জন্য মাসে মাসে ভাড়া দিতে হতো। মনোয়ারার স্বামী আবদুল ওয়াদুদ দারা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী। জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় হিসেবে তিনি এটি ব্যবহার করতেন। আশিকুলের দাবি, ৫ আগস্টপরবর্তী সময়ে মনোয়ারার কাছ থেকে তিনি দোকান নিয়েছেন। তবে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন বলছে, সে সুযোগ নেই। এটির মালিক তারা।

গত রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই দোকানঘরটি খোলা। ভেতরে টেলিভিশন চলছে, কিন্তু কেউ নেই। ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে একটি টিন দিয়ে ঘর করে রংমিস্ত্রিদের ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানটি এখন আশিকুলের চেম্বার। আর নিচের টিনের ঘরটি তিনিই করে ভাড়া দিয়েছেন। আশিকুল অ্যাসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের লাইন বাইরের দোকানে দিয়েছেন এবং ভাড়া নিচ্ছেন। তাঁর সহযোগী হিসেবে প্রশান্ত নামের একজন রয়েছেন।
আশিকুল আলম আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। একাধিক ছবিতে দেখা যায়, মেয়র লিটন তাঁর মুখে মিষ্টি তুলে দিচ্ছেন, আশিকুল আবার মেয়র লিটনকে ফুলের তোড়া উপহার দিচ্ছেন। তাঁকে লিটনের পোস্টারও লাগাতে দেখা গেছে। ৫ আগস্টপরবর্তী সময়ে তিনি মামা মাঈনুল হকের আশ্রয়ে আছেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আশিকুল আলম লিটু দাবি করেন, তিনি ব্যবসায়ী সমিতির নেতা হিসেবে এক নম্বর দোকানে চেম্বার করেছেন। এটি দলীয় চেম্বার নয় এবং কোনো সাইনবোর্ডও দেওয়া হয়নি। দোকানটি মালিকের কাছ থেকে লিখে নেওয়ার দলিল রয়েছে বলেও দাবি করেন। তবে তিনি চুক্তিপত্র দেখাতে চাননি। ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে ঘর করে ভাড়া দেওয়া ও বিদ্যুৎসংযোগ বাইরে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
ব্যবসায়ীরা জানান, এক নম্বর দোকানটি দীর্ঘদিন ভাড়া না দেওয়ার কারণে বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশনের মালিকানায় রয়েছে। এটি কাউকে ভাড়া দেওয়ার এখতিয়ার নেই। কারও কাছে হস্তান্তর করারও সুযোগ নেই। কিন্তু আশিকুল সবই করছেন। তিনি আওয়ামী লীগের সদস্যদের বাদ দিয়ে জোর করে অ্যাসোসিয়েশন মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিক্ষাবিদ তসিকুল ইসলাম রাজা বলেন, এক নম্বর দোকান এখন অ্যাসোসিয়েশনের মালিকানাধীন। এটি কাউকে ভাড়া দেওয়া হয়নি। নিচের জায়গায় ঘর করার অনুমতিও কাউকে দেওয়া হয়নি। এগুলো জোর করেই করা হয়েছে। রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা অ্যাসোসিয়েশন ভবন পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
জানতে চাইলে আশিকুল ইসলামের মামা বিএনপি নেতা মাঈনুল হক হারু আজকের পত্রিকাকে জানান, ৫ আগস্ট দোকানটি লুট হয়ে যাচ্ছিল। অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছিল। তাঁরা রক্ষা করেছেন। তখন কেউ এগিয়ে আসেননি। মনোয়ারা তাঁদের বলেছেন, তাঁদের হেফাজতে থাকলে এটি ঠিক থাকবে। তাই তাঁদের দেওয়া হয়েছে। তারপরও এটি সংগঠনের সম্পত্তি। জেলা প্রশাসন অবৈধ মনে করলে ব্যবস্থা নেবে। জেলা প্রশাসন যেভাবে চাইবে, তাঁরা সেভাবে তাদের সহযোগিতা করবেন।

রাজশাহীর প্রাচীন জনকল্যাণমূলক সংগঠন রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের ভবনের দোকান দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা মাঈনুল হক হারু ও তাঁর ভাগনে আশিকুল আলম ওরফে লিটুর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। মাঈনুল হক রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি। বর্তমানে তিনি রাজশাহী জেলা মিশুক-সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি।
দুই মামা-ভাগনের বাড়ি নগরের ষষ্ঠীতলা এলাকায়। মামার আশ্রয়ে ভাগনে আশিকুল ইসলাম দোকানঘরটি দখল করেছেন বলে অভিযোগ। এ ছাড়া তিনি ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে একটি টিন দিয়ে ঘর করে ভাড়া দিয়েছেন। অ্যাসোসিয়েশন ভবন থেকে বাইরের ব্যবসায়ীদের বিদ্যুতের সংযোগ দিয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা তোলা হয়।
নগরের অলকার মোড়ে ১৮৭২ সালের ২১ জুলাই রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সভাপতি ছিলেন দিঘাপতিয়ার রাজা প্রমথনাথ রায়বাহাদুর। প্রথম সেক্রেটারি করচমাড়িয়ার জমিদার ও ঐতিহাসিক স্যার যদুনাথ সরকারের বাবা রাজকুমার সরকার। এখন পদাধিকারবলে সংগঠনের সভাপতি জেলা প্রশাসক। আর সহসভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)।
রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের বহু জনকল্যাণমূলক কাজ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম ‘রাজশাহী টাউন হল’ স্থাপন, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর স্থাপনে সহযোগিতা দেওয়া, ‘বসন্তকুমার অ্যাগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউট’ (১৯৩৬) স্থাপনে ভূমিকা পালন, রাজশাহী শহরে বিশুদ্ধ পানির সরবরাহের লক্ষ্যে পানির কল স্থাপনের বন্দোবস্তকরণ (১৯৩৭)। এ ছাড়া সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রেও রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের এক সাহিত্যসভায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘শিক্ষার হেরফের’ শীর্ষক প্রবন্ধটি পাঠ করেন (১২ নভেম্বর ১৮৯২)। ১৯৯৮ সালের ২৩ জুলাই ‘রাজা প্রমথনাথ টাউন হলে’ রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের ১২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। এ হলেই ১৯২৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর কাজী নজরুল ইসলাম বক্তৃতা দিয়েছিলেন।
আশিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অ্যাসোসিয়েশন ভবনের ব্যবসায়ীদের সংগঠনের নেতৃত্বও দখল করেছেন তিনি।
আশিকুল যে দোকানে নিজের চেম্বার করেছেন, সেটি মনোয়ারা বেগম নামের এক নারীকে বরাদ্দ দিয়েছিল অ্যাসোসিয়েশন। এ জন্য মাসে মাসে ভাড়া দিতে হতো। মনোয়ারার স্বামী আবদুল ওয়াদুদ দারা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী। জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় হিসেবে তিনি এটি ব্যবহার করতেন। আশিকুলের দাবি, ৫ আগস্টপরবর্তী সময়ে মনোয়ারার কাছ থেকে তিনি দোকান নিয়েছেন। তবে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন বলছে, সে সুযোগ নেই। এটির মালিক তারা।

গত রোববার সরেজমিনে দেখা গেছে, ওই দোকানঘরটি খোলা। ভেতরে টেলিভিশন চলছে, কিন্তু কেউ নেই। ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে একটি টিন দিয়ে ঘর করে রংমিস্ত্রিদের ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানটি এখন আশিকুলের চেম্বার। আর নিচের টিনের ঘরটি তিনিই করে ভাড়া দিয়েছেন। আশিকুল অ্যাসোসিয়েশন ভবনের বিদ্যুতের লাইন বাইরের দোকানে দিয়েছেন এবং ভাড়া নিচ্ছেন। তাঁর সহযোগী হিসেবে প্রশান্ত নামের একজন রয়েছেন।
আশিকুল আলম আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। একাধিক ছবিতে দেখা যায়, মেয়র লিটন তাঁর মুখে মিষ্টি তুলে দিচ্ছেন, আশিকুল আবার মেয়র লিটনকে ফুলের তোড়া উপহার দিচ্ছেন। তাঁকে লিটনের পোস্টারও লাগাতে দেখা গেছে। ৫ আগস্টপরবর্তী সময়ে তিনি মামা মাঈনুল হকের আশ্রয়ে আছেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আশিকুল আলম লিটু দাবি করেন, তিনি ব্যবসায়ী সমিতির নেতা হিসেবে এক নম্বর দোকানে চেম্বার করেছেন। এটি দলীয় চেম্বার নয় এবং কোনো সাইনবোর্ডও দেওয়া হয়নি। দোকানটি মালিকের কাছ থেকে লিখে নেওয়ার দলিল রয়েছে বলেও দাবি করেন। তবে তিনি চুক্তিপত্র দেখাতে চাননি। ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে ঘর করে ভাড়া দেওয়া ও বিদ্যুৎসংযোগ বাইরে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
ব্যবসায়ীরা জানান, এক নম্বর দোকানটি দীর্ঘদিন ভাড়া না দেওয়ার কারণে বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশনের মালিকানায় রয়েছে। এটি কাউকে ভাড়া দেওয়ার এখতিয়ার নেই। কারও কাছে হস্তান্তর করারও সুযোগ নেই। কিন্তু আশিকুল সবই করছেন। তিনি আওয়ামী লীগের সদস্যদের বাদ দিয়ে জোর করে অ্যাসোসিয়েশন মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিক্ষাবিদ তসিকুল ইসলাম রাজা বলেন, এক নম্বর দোকান এখন অ্যাসোসিয়েশনের মালিকানাধীন। এটি কাউকে ভাড়া দেওয়া হয়নি। নিচের জায়গায় ঘর করার অনুমতিও কাউকে দেওয়া হয়নি। এগুলো জোর করেই করা হয়েছে। রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা অ্যাসোসিয়েশন ভবন পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি যাচাই করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
জানতে চাইলে আশিকুল ইসলামের মামা বিএনপি নেতা মাঈনুল হক হারু আজকের পত্রিকাকে জানান, ৫ আগস্ট দোকানটি লুট হয়ে যাচ্ছিল। অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছিল। তাঁরা রক্ষা করেছেন। তখন কেউ এগিয়ে আসেননি। মনোয়ারা তাঁদের বলেছেন, তাঁদের হেফাজতে থাকলে এটি ঠিক থাকবে। তাই তাঁদের দেওয়া হয়েছে। তারপরও এটি সংগঠনের সম্পত্তি। জেলা প্রশাসন অবৈধ মনে করলে ব্যবস্থা নেবে। জেলা প্রশাসন যেভাবে চাইবে, তাঁরা সেভাবে তাদের সহযোগিতা করবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে