নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীতে চার নারী ও আট ভুয়া সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরা মধুচক্রের (হ্যানি ট্র্যাপ) ফাঁদ পেতে চার তরুণের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। ভুক্তভোগী ওই চারজনের পক্ষ থেকে এই ১২ নারী-পুরুষের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ৮ ভুয়া সাংবাদিক হলেন— নগরীর মোল্লাপাড়া এলাকার মো. কাউসার (২৩), ছোটবনগ্রামের মানিক সাধন (৩০), হড়গ্রাম পূর্বপাড়ার মো. রহমত (২২), একই এলাকার কাউসার আলী (২৩), হেতেমখাঁ এলাকার মোহাম্মদ রতন (২০), ফুদকিপাড়া এলাকার মো. শাকিল (২৪), হড়গ্রাম শেখপাড়ার মো. সালাউদ্দিন (৩৬) ও লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়ার আশিক হাসান (২৩)।
এদের মধ্যে পাঁচজন দৈনিক দেশ নামের একটি পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়েছেন। এ ছাড়া একজন দৈনিক নববাণী ও দুজন ডিডিপি টিভির সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। গ্রেপ্তার চার নারী হলেন- মোসা. সুমি (২৬), মোসা. শম্পা (২০), প্রিয়াঙ্কা খাতুন (২১) ও পপি (৩৪)।
পুলিশ জানায়, এই চার নারী শাহমখদুম থানা এলাকায় কৃষি ব্যাংক সংলগ্ন একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করতেন। এই চক্রের সদস্য ওই আট ভুয়া সাংবাদিক। ওই নারীরা কৌশলে লোকজন বাসায় নিয়ে তাদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলতেন। তারপর ওই ভুয়া সাংবাদিকেরা হঠাৎ হাজির হয়ে পত্রিকায় ছবি ছাপিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতেন।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এমন একটি ঘটনার সময় বাড়ির মালিক বিষয়টি টের পেয়ে যান। এরপর তিনি পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ওই চার ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। পাশাপাশি ৮ ভুয়া সাংবাদিক ও ৪ নারীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেয়।
শাহমখদুম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় প্রচলিত আইনে মামলা করা হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

রাজশাহীতে চার নারী ও আট ভুয়া সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরা মধুচক্রের (হ্যানি ট্র্যাপ) ফাঁদ পেতে চার তরুণের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। ভুক্তভোগী ওই চারজনের পক্ষ থেকে এই ১২ নারী-পুরুষের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ৮ ভুয়া সাংবাদিক হলেন— নগরীর মোল্লাপাড়া এলাকার মো. কাউসার (২৩), ছোটবনগ্রামের মানিক সাধন (৩০), হড়গ্রাম পূর্বপাড়ার মো. রহমত (২২), একই এলাকার কাউসার আলী (২৩), হেতেমখাঁ এলাকার মোহাম্মদ রতন (২০), ফুদকিপাড়া এলাকার মো. শাকিল (২৪), হড়গ্রাম শেখপাড়ার মো. সালাউদ্দিন (৩৬) ও লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়ার আশিক হাসান (২৩)।
এদের মধ্যে পাঁচজন দৈনিক দেশ নামের একটি পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়েছেন। এ ছাড়া একজন দৈনিক নববাণী ও দুজন ডিডিপি টিভির সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। গ্রেপ্তার চার নারী হলেন- মোসা. সুমি (২৬), মোসা. শম্পা (২০), প্রিয়াঙ্কা খাতুন (২১) ও পপি (৩৪)।
পুলিশ জানায়, এই চার নারী শাহমখদুম থানা এলাকায় কৃষি ব্যাংক সংলগ্ন একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করতেন। এই চক্রের সদস্য ওই আট ভুয়া সাংবাদিক। ওই নারীরা কৌশলে লোকজন বাসায় নিয়ে তাদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলতেন। তারপর ওই ভুয়া সাংবাদিকেরা হঠাৎ হাজির হয়ে পত্রিকায় ছবি ছাপিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতেন।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় এমন একটি ঘটনার সময় বাড়ির মালিক বিষয়টি টের পেয়ে যান। এরপর তিনি পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ওই চার ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে। পাশাপাশি ৮ ভুয়া সাংবাদিক ও ৪ নারীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নেয়।
শাহমখদুম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় প্রচলিত আইনে মামলা করা হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে