বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ায় নারী দিয়ে ফাঁদে ফেলে দুই ব্যক্তিকে ফ্ল্যাটে জিম্মি করে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। খবর পেয়ে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল অভিযান চালিয়ে জিম্মি ব্যক্তিদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নারীসহ চক্রটির সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শহরের চকসূত্রাপুর শহীদ বিলু সড়কের রহমান ভিলার পাঁচতলা ভবনের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাট থেকে জিম্মিদের উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের হোতা চকসূত্রাপুরের সাবেক যুবলীগ নেতা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর কারাবন্দী মতিন সরকারের ছোট ভাই ওমর সরকার। ওমর সরকার শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাঁর নামে হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। গত বছরের ৫ আগস্টের পর তাঁর ভাই মতিন সরকার ও তুফান সরকার গ্রেপ্তার হলেও ওমর সরকার এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করতেন।
গতকাল রাতে ডিবির অভিযানে ওমর সরকারের সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মহসিন কাজী সিজান, কেয়া বেগম, আফসানা মিমি, কামরুন্নাহার অধরা, এনামুল হোসেন ওরফে রায়হান ও নয়ন হোসেন।
বগুড়া ডিবির ইনচার্জ ইকবাল বাহার জানান, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার ফজলুর রহমান (৪৪) মাসখানেক আগে তাঁর মেয়ের চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। সেখানে কেয়া বেগমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে মোবাইল ফোনে তাঁদের যোগাযোগ অব্যাহত থাকে। গতকাল সকালে কেয়া ফোন করে ফজলুর রহমানকে বগুড়া শহরের তিনমাথা রেলগেট এলাকায় আসতে বলেন। বেলা ১১টার দিকে তিনমাথা রেলগেট এলাকায় তাঁদের দেখা হয়। এরপর কেয়া বেগম ফজলুর রহমানকে চকসূত্রাপুরের একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে আটকে রাখেন। কিছুক্ষণ পর ফজলুর রহমানের আরেক বন্ধুকেও সেখানে ডেকে আটকিয়ে রাখা হয়।
ইকবাল বাহার আরও জানান, ওই ফ্ল্যাটে কেয়া বেগম ছাড়া আরও দুই নারী আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে ওমর সরকার তাঁর সহযোগীদের নিয়ে হাজির হন। পরে আটকে রাখা দুই ব্যক্তিকে মারধর করে কাছে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাঁদের ওই নারীদের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের অশালীন ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে বাধ্য করে। সেখানে আটকে রেখে তাঁদের পরিবারের কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে চক্রটি। জিম্মিদের পরিবার বিষয়টি ডিবিকে জানালে পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে উদ্ধার ও সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নামে মামলা দিয়ে আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বগুড়ায় নারী দিয়ে ফাঁদে ফেলে দুই ব্যক্তিকে ফ্ল্যাটে জিম্মি করে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। খবর পেয়ে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল অভিযান চালিয়ে জিম্মি ব্যক্তিদের উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নারীসহ চক্রটির সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শহরের চকসূত্রাপুর শহীদ বিলু সড়কের রহমান ভিলার পাঁচতলা ভবনের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাট থেকে জিম্মিদের উদ্ধার ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এই চক্রের হোতা চকসূত্রাপুরের সাবেক যুবলীগ নেতা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর কারাবন্দী মতিন সরকারের ছোট ভাই ওমর সরকার। ওমর সরকার শ্রমিক লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাঁর নামে হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ ছয়টি মামলা রয়েছে। গত বছরের ৫ আগস্টের পর তাঁর ভাই মতিন সরকার ও তুফান সরকার গ্রেপ্তার হলেও ওমর সরকার এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করতেন।
গতকাল রাতে ডিবির অভিযানে ওমর সরকারের সঙ্গে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মহসিন কাজী সিজান, কেয়া বেগম, আফসানা মিমি, কামরুন্নাহার অধরা, এনামুল হোসেন ওরফে রায়হান ও নয়ন হোসেন।
বগুড়া ডিবির ইনচার্জ ইকবাল বাহার জানান, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার ফজলুর রহমান (৪৪) মাসখানেক আগে তাঁর মেয়ের চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন। সেখানে কেয়া বেগমের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে মোবাইল ফোনে তাঁদের যোগাযোগ অব্যাহত থাকে। গতকাল সকালে কেয়া ফোন করে ফজলুর রহমানকে বগুড়া শহরের তিনমাথা রেলগেট এলাকায় আসতে বলেন। বেলা ১১টার দিকে তিনমাথা রেলগেট এলাকায় তাঁদের দেখা হয়। এরপর কেয়া বেগম ফজলুর রহমানকে চকসূত্রাপুরের একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে আটকে রাখেন। কিছুক্ষণ পর ফজলুর রহমানের আরেক বন্ধুকেও সেখানে ডেকে আটকিয়ে রাখা হয়।
ইকবাল বাহার আরও জানান, ওই ফ্ল্যাটে কেয়া বেগম ছাড়া আরও দুই নারী আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে ওমর সরকার তাঁর সহযোগীদের নিয়ে হাজির হন। পরে আটকে রাখা দুই ব্যক্তিকে মারধর করে কাছে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাঁদের ওই নারীদের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের অশালীন ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে বাধ্য করে। সেখানে আটকে রেখে তাঁদের পরিবারের কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে চক্রটি। জিম্মিদের পরিবার বিষয়টি ডিবিকে জানালে পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে উদ্ধার ও সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নামে মামলা দিয়ে আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে