নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীতে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা তারিকুল ইসলাম তরিক ও তাঁর সহযোগীদের ছুরিকাঘাতে মহানগর যুবলীগের এক নেতা আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর মেহেরচণ্ডি দায়রা পাকের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবলীগের নেতা হলেন আনোয়ার হোসেন মানিক। তিনি রাজশাহী মহানগর যুবলীগের জনশক্তি ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। অন্যদিকে অভিযুক্ত তারিকুল ইসলাম ওরফে তরিককে মাদক, অস্ত্র ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে গত ১৯ আগস্ট সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি।
যুবলীগ নেতা মানিক আজকের পত্রিকাকে জানান, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর মহানগর যুবলীগের সম্মেলন। রাতে তিনি দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। মেহেরচণ্ডি এলাকায় পৌঁছালে মহানগর ছাত্রলীগের সদ্য বহিষ্কৃত শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক তরিকের নেতৃত্বে শাকিল, আশিক, সনেট, অপু, আরিফ, আদর, রুবেলসহ ৮-১০ জন তাঁর পথ রোধ করেন। এরপর তরিক ও শাকিল রিভলবার বের করেন বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, একপর্যায়ে তরিকের অন্য সহযোগী আশিক ও সনেট তাঁর পেটে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে প্রতিরোধ করেন। ফলে হাতে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া তাঁর মাথার সামনের অংশে ছুরিকাঘাত করা হয়। মাথার পেছনেও লাঠি দিয়ে আঘাত করে।
মানিক আরও বলেন, ‘যুবলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আমার ওপর হামলা করা হয়েছে। মাথা ও হাত ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন অংশে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তরিক চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং ছিনতাইকারী। তাঁর বিরুদ্ধে মহানগরীর বিভিন্ন থানায় দেড় ডজনের অধিক মামলা রয়েছে। আমার ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
নগরীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এখনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রাজশাহীতে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা তারিকুল ইসলাম তরিক ও তাঁর সহযোগীদের ছুরিকাঘাতে মহানগর যুবলীগের এক নেতা আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর মেহেরচণ্ডি দায়রা পাকের মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহত যুবলীগের নেতা হলেন আনোয়ার হোসেন মানিক। তিনি রাজশাহী মহানগর যুবলীগের জনশক্তি ও কর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। অন্যদিকে অভিযুক্ত তারিকুল ইসলাম ওরফে তরিককে মাদক, অস্ত্র ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে গত ১৯ আগস্ট সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি।
যুবলীগ নেতা মানিক আজকের পত্রিকাকে জানান, আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর মহানগর যুবলীগের সম্মেলন। রাতে তিনি দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। মেহেরচণ্ডি এলাকায় পৌঁছালে মহানগর ছাত্রলীগের সদ্য বহিষ্কৃত শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক তরিকের নেতৃত্বে শাকিল, আশিক, সনেট, অপু, আরিফ, আদর, রুবেলসহ ৮-১০ জন তাঁর পথ রোধ করেন। এরপর তরিক ও শাকিল রিভলবার বের করেন বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, একপর্যায়ে তরিকের অন্য সহযোগী আশিক ও সনেট তাঁর পেটে ছুরিকাঘাতের চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে প্রতিরোধ করেন। ফলে হাতে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া তাঁর মাথার সামনের অংশে ছুরিকাঘাত করা হয়। মাথার পেছনেও লাঠি দিয়ে আঘাত করে।
মানিক আরও বলেন, ‘যুবলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আমার ওপর হামলা করা হয়েছে। মাথা ও হাত ছাড়াও শরীরের বিভিন্ন অংশে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তরিক চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং ছিনতাইকারী। তাঁর বিরুদ্ধে মহানগরীর বিভিন্ন থানায় দেড় ডজনের অধিক মামলা রয়েছে। আমার ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
নগরীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এখনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে