গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ১৮ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের একটি বাগাড় ও ১১ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের একটি চিতল মাছ ধরা পড়েছে। পরে মাছ দুটি ৩৯ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
আজ শনিবার ভোর ৬টার দিকে দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে দৌলতদিয়ার জেলে নওশাদ হালদারের জালে বাগাড় মাছটি ধরা পড়ে। অপরদিকে একই সময়ে মানিকগঞ্জের বাল্লা মালচি এলাকার জেলে রতন হালদারের জালে চিতল মাছটি ধরা পড়ে।
সকাল ৭টার দিকে তাঁদের কাছ থেকে দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ মাছ দুটি কিনে নেন। পরে ১ হাজার ২০ টাকা কেজি দরে কেনা বাগাড় মাছটি গাজীপুরের মাওনার এক শিল্পপতির কাছে ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে মোট ২০ হাজার ১৩০ টাকায় বিক্রি করেন।
চিতল মাছটি ১ হাজার ৫৫০ টাকা কেজি দরে কিনে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে ১ হাজার ৬০০ টাকা কেজি দরে মোট ১৮ হাজার ৮৮০ টাকায় বিক্রি করেন।
শৌখিন জেলে নওশাদ হালদার বলেন, `আমি ফুটবলার, ফুটবল খেলতে খুব ভালোবাসি। অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল নদীতে মাছ ধরতে যাব। ইচ্ছেপূরণের আশায় শনিবার ভোররাতে নদীতে যাই। ভোর ৬টার দিকে জাল তুলতেই দেখি বড় এই মাছটি আটকা পড়েছে। মাছটি পেয়ে খুব ভালো লাগছে, দামও ভালো পেয়েছি।'
এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ জানান, এমন বড় মাছ এখন খুব কমই দেখা যায়। তবে মিঠাপানির সুস্বাদু এত বড় মাছ নদীতে এখন মাঝেমধ্যেই দেখা যায়। এ ধরনের মাছ সাধারণত ফ্যাসন, দশন, কৌনা, কচাল ও চাকাওয়ালা ঘাইলা বেড়জালে ধরা পড়ে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে জেলেদের জালে ১৮ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের একটি বাগাড় ও ১১ কেজি ৮০০ গ্রাম ওজনের একটি চিতল মাছ ধরা পড়েছে। পরে মাছ দুটি ৩৯ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
আজ শনিবার ভোর ৬টার দিকে দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে দৌলতদিয়ার জেলে নওশাদ হালদারের জালে বাগাড় মাছটি ধরা পড়ে। অপরদিকে একই সময়ে মানিকগঞ্জের বাল্লা মালচি এলাকার জেলে রতন হালদারের জালে চিতল মাছটি ধরা পড়ে।
সকাল ৭টার দিকে তাঁদের কাছ থেকে দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটের মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ মাছ দুটি কিনে নেন। পরে ১ হাজার ২০ টাকা কেজি দরে কেনা বাগাড় মাছটি গাজীপুরের মাওনার এক শিল্পপতির কাছে ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে মোট ২০ হাজার ১৩০ টাকায় বিক্রি করেন।
চিতল মাছটি ১ হাজার ৫৫০ টাকা কেজি দরে কিনে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে ১ হাজার ৬০০ টাকা কেজি দরে মোট ১৮ হাজার ৮৮০ টাকায় বিক্রি করেন।
শৌখিন জেলে নওশাদ হালদার বলেন, `আমি ফুটবলার, ফুটবল খেলতে খুব ভালোবাসি। অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল নদীতে মাছ ধরতে যাব। ইচ্ছেপূরণের আশায় শনিবার ভোররাতে নদীতে যাই। ভোর ৬টার দিকে জাল তুলতেই দেখি বড় এই মাছটি আটকা পড়েছে। মাছটি পেয়ে খুব ভালো লাগছে, দামও ভালো পেয়েছি।'
এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ জানান, এমন বড় মাছ এখন খুব কমই দেখা যায়। তবে মিঠাপানির সুস্বাদু এত বড় মাছ নদীতে এখন মাঝেমধ্যেই দেখা যায়। এ ধরনের মাছ সাধারণত ফ্যাসন, দশন, কৌনা, কচাল ও চাকাওয়ালা ঘাইলা বেড়জালে ধরা পড়ে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে